ইতালির রোমে অনুষ্ঠিত হওয়া জি-২০ সম্মেলনে জাইর বলসোনারোর খোঁজখবর রাখতে গিয়েছিলেন সে দেশেরই সাংবাদিক লিওনার্দো মন্টেইরো। সম্মেলনের শেষ দিন অর্থাৎ গত রোববার বলসোনারোকে সম্মেলনে না দেখে মনে সন্দেহ দানা বাঁধে ওই সাংবাদিকের। কিন্তু তাঁর খোঁজ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে মন্টেইরোকে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত রোববার যখন জি-২০ সম্মেলন শেষে বিখ্যাত ‘ট্রেভি ফাউন্টেন’-এর সামনে দাঁড়িয়ে বিশ্বের সব রাষ্ট্রপ্রধান ছবি তুলছিলেন, তখন সেখানে ছিলেন না ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো। তাঁরই খোঁজখবর নিতে গিয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘টিভি গ্লোবো’র সাংবাদিক লিওনার্দো মন্টেইরো। ওই সাংবাদিক অভিযোগ করেন, তাঁকে বাধা দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সাংবাদিকের পেটে ঘুষি মারা হয়। প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিওতেও দেখা যায় লিওনার্দোর প্রশ্নের পরই তাঁকে মারধর শুরু করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সে সময় সেখানে উপস্থিত বলসোনারোর সমর্থকরাও সাংবাদিকের উদ্দেশে গালিগালাজ করে স্লোগান তোলে। বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট শোরগোল শুরু হয় রোমে।
তবে ওই নিরাপত্তারক্ষীরা ব্রাজিলিয়ান না ইতালিয়ান, বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারেনি রয়টার্স।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘টিভি গ্লোবো’র সাংবাদিক লিওনার্দো মন্টেইরোর ওপর নাকি বলসোনারোর রাগ অনেক দিনের। জনসমক্ষ প্রেসিডেন্টকে একাধিক প্রশ্ন করে বারবার অস্বস্তিতে ফেলেছেন এই সাংবাদিক।
এ নিয়ে জি-২০ প্রেস টিমের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

তিন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইসলাম বিষয়ক বিশিষ্ট গবেষক ও সুইস বংশোদ্ভূত একাডেমিক তারিক রমাদানের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিচার শুরু হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
৩৯ মিনিট আগে
বাহরাইনের একটি বন্দরে নিক্ষিপ্ত অজ্ঞাত দুটি বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’। স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে দুটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার দাবি নাকচ করেছে ইরান। হামলা আরও জোরদার করেছে তারা। গত রোববার রাতে ও গতকাল সোমবার উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
২ ঘণ্টা আগে