
আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ার বনাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। দেশটির উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এই বনাঞ্চলে দাবানলের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। সেখানকার অন্তত ৩৫০ জন বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
এএফপি স্থানীয় গণমাধ্যম এবং ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে নিহতের এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। হতাহতদের অধিকাংশই তিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী এল তারফে এলাকার।
আলজেরিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামেল বেল্ডজৌদ এই দাবানলের বিষয়ে বলেছেন, দাবানলে তিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী এল তারফে এলাকায় ২৪ জন এবং সেতিফে মা ও মেয়ে মারা গেছেন। নিহত বাকিদের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দাবানল শুরু পর দ্রুতই দেশটির দমকলবাহিনী হেলিকপ্টারের সহায়তায় গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে কয়েকটি স্থানে দাবানল নেভানোর চেষ্টা শুরু করে। আলজেরিয়ার বেসামরিক নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, দাবানলে এল তারফের অবস্থাই সবচেয়ে ভয়াবহ। এই এলাকার অন্তত ১৬টি স্থানে দাবানল থাবা বিস্তার করেছে।
সেতিফে মারা যাওয়া ৫৮ বছর বয়সী মা ও ৩৬ বছর বয়সী মেয়ের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে সেখানকার কর্মকর্তারা বলেছেন, দাবানল গ্রামে এবং বেশ কিছু বাড়িতে পৌঁছে গেছে।
আলজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে প্রায় প্রতিবছরই দাবানলের ঘটনা ঘটছে। গত বছরও দেশটিতে দাবানলে ৯০ জন প্রাণ হারান। এ ছাড়া ১ লাখ হেক্টর বনভূমি পুড়ে যায়। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামেল বেল্ডজৌদ গত বছরের দাবানলকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছিলেন।
এ বছর বিশ্বের অনেক দেশেই রেকর্ড তাপমাত্রা ও দাবানলের ঘটনা ঘটছে। ইউরোপের ফ্রান্স, গ্রিস, পর্তুগাল, স্পেন ও ইতালি দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও বেশ কয়েকটি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে।

আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ার বনাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। দেশটির উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এই বনাঞ্চলে দাবানলের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। সেখানকার অন্তত ৩৫০ জন বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
এএফপি স্থানীয় গণমাধ্যম এবং ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে নিহতের এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। হতাহতদের অধিকাংশই তিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী এল তারফে এলাকার।
আলজেরিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামেল বেল্ডজৌদ এই দাবানলের বিষয়ে বলেছেন, দাবানলে তিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী এল তারফে এলাকায় ২৪ জন এবং সেতিফে মা ও মেয়ে মারা গেছেন। নিহত বাকিদের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দাবানল শুরু পর দ্রুতই দেশটির দমকলবাহিনী হেলিকপ্টারের সহায়তায় গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে কয়েকটি স্থানে দাবানল নেভানোর চেষ্টা শুরু করে। আলজেরিয়ার বেসামরিক নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, দাবানলে এল তারফের অবস্থাই সবচেয়ে ভয়াবহ। এই এলাকার অন্তত ১৬টি স্থানে দাবানল থাবা বিস্তার করেছে।
সেতিফে মারা যাওয়া ৫৮ বছর বয়সী মা ও ৩৬ বছর বয়সী মেয়ের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে সেখানকার কর্মকর্তারা বলেছেন, দাবানল গ্রামে এবং বেশ কিছু বাড়িতে পৌঁছে গেছে।
আলজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে প্রায় প্রতিবছরই দাবানলের ঘটনা ঘটছে। গত বছরও দেশটিতে দাবানলে ৯০ জন প্রাণ হারান। এ ছাড়া ১ লাখ হেক্টর বনভূমি পুড়ে যায়। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামেল বেল্ডজৌদ গত বছরের দাবানলকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছিলেন।
এ বছর বিশ্বের অনেক দেশেই রেকর্ড তাপমাত্রা ও দাবানলের ঘটনা ঘটছে। ইউরোপের ফ্রান্স, গ্রিস, পর্তুগাল, স্পেন ও ইতালি দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও বেশ কয়েকটি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে।

ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
২২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
১১ ঘণ্টা আগে