আফ্রিকার দেশ মালিতে স্থানীয় পদ্ধতিতে তৈরি একটি সোনার খনি ধসে ৭০ জনেরও বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। মালির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কাঙ্গাবা শহরের কাছে এ দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের খনি ধসের ঘটনা ঘটে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মালির ন্যাশনাল জিওলজি অ্যান্ড মাইনিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা করিম বেথে গতকাল বুধবার এটিকে একটি দুর্ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন। কাঙ্গাবাতে স্বর্ণখনির শ্রমিকদের নেতা ও স্থানীয় কাউন্সিলর ওমর সিদিবে নিহতের এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ আমরা একটি বিকট আওয়াজ শুনতে পাই। এর পরই আমাদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপতে শুরু করে। দুর্ঘটনার সময় খনিতে ২০০ জনেরও বেশি শ্রমিক ছিল।’
মালির খনি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, কী কারণে এই ধসের ঘটনা ঘটেছে, তা তাঁরা নিশ্চিত নন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তাঁরা এই ধসের কারণে ‘গভীরভাবে শোকাহত’। মন্ত্রণালয় এলাকার খনিশ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় শর্ত মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বে কুলিবালি বলেছেন, খননকারীরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত না করেই অপ্রচলিত পদ্ধতিতে খনিতে খনন চালিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাদের বেশ কয়েকবার এমনটা না করার পরামর্শ দিয়েছি। কিন্তু তারা তা মানেনি।’
মালির সরকার নিহতদের শোকগ্রস্ত পরিবার ও দেশের মালির জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। সরকার খনির কাছাকাছি বসবাসকারী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় শর্তগুলো সতর্কতার সঙ্গে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে এবং নির্ধারিত পরিধির মধ্যে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা তিনি বুঝতে পারবেন ‘নিজের হাড়ের ভেতরের অনুভূতি’ থেকেই। যুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় নির্ধারণে তিনি এই ধরনের ব্যক্তিগত অনুভূতির কথাই তুলে ধরেছেন।
১৬ মিনিট আগে
মাধ্যম সিএনএন সেন্টকমের বিবৃতির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমানের ছয়জন ক্রুর মৃত্যু হয়েছে। এর আগে চারজন ক্রুর মৃত্যুর খবর জানানো হলেও আজ সবারই প্রাণহানির কথা নিশ্চিত করা হলো। নিহত সেনাসদস্যদের পরিবারের
৩২ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, গত রাতে শ্রমিকদের একটি আবাসন ব্লকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় অধিকাংশ শ্রমিকই ঘুমিয়ে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই আবাসন ব্লকে প্রায় ৩০ জন বিদেশি শ্রমিক বসবাস করতেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে আগুনের খবর পাওয়ার
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের আগে থেকেই তেহরান কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। ইরানি সামরিক কমান্ডাররা বলেছিলেন, আক্রমণ হলে পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
২ ঘণ্টা আগে