নাইজেরিয়ার উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে ‘ডাকাতদের’ হামলায় তিনটি গ্রামের কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। একজন স্থানীয় কর্মকর্তা ও বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে গতকাল রোববার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
জামফারা রাজ্যের বাকুরা জেলার প্রশাসনিক প্রধান আমিনু সুলেমান বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, মোটরসাইকেলে থাকা কয়েক ডজন বন্দুকধারী তিনটি গ্রামে প্রবেশ করে। পালানোর চেষ্টা করলে লোকজনকে গুলি করে।
তিনি বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে ডাকাতরা তিনটি গ্রামে হামলা চালিয়ে ৪৮ জনকে হত্যা করেছে।’
আমিনু সুলেমানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ডামরি গ্রাম। সেখানে ৩২ জন নিহত হয়েছেন।
জামফারা রাজ্যের বাকুরা জেলার প্রশাসনিক প্রধান জানান, হামলার পর তিনটি গ্রামে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
ডামরি গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর মাইগোরো জানান, বন্দুকধারীরা তাঁর গ্রামে গবাদিপশু এবং খাদ্য লুট করার আগে গুলি চালায়।
তিনি বলেন, আমরা হামলায় নিহত ৪৮ জনকে কবর দিয়েছি।
এ ঘটনায় নাইজেরিয়া পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
উত্তর নাইজেরিয়ার বিস্তীর্ণ অংশে ২০১০ সাল থেকে হামলা চালিয়ে আসছে ডাকাতদের দল। তবে গত কয়েক বছরে আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশটিতে সর্বত্রই এই সংকট আরও বেড়েছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে মস্কোকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি মস্কোর বিষয় নয়।’ তাঁর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো (উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট) মিত্ররা এই বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেবে।
২২ মিনিট আগে
গাজা উপত্যকায় গতকাল বুধবার ভোরের পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশু এবং তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আরও ৬ জন আহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
৩৪ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
৮ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের
১০ ঘণ্টা আগে