
যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের সংকটে পড়েছে আফ্রিকার দেশগুলো। বিশেষ করে সেনেগালে সরকার কঠোর ব্যয়সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী উসমান সোঙ্কো ঘোষণা করেছেন, অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সরকারের কোনো মন্ত্রী এখন থেকে বিদেশ সফর করতে পারবেন না।
গতকাল শুক্রবার এক বিশাল যুব সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী সোঙ্কো জানান, বর্তমানে এক ব্যারেল তেলের দাম বাজেটে নির্ধারিত দামের প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি নিজের নাইজার, স্পেন এবং ফ্রান্স সফরও স্থগিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের আতঙ্কিত করতে চাই না, তবে বর্তমান বিশ্বের কঠিন বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন করতে চাই। পরিস্থিতি জটিল হলেও সেনেগালিজরা অত্যন্ত সহনশীল।’
সেনেগাল নিজস্ব তেল ও গ্যাস শিল্প গড়ে তোলার প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও বর্তমানে তাদের জ্বালানি আমদানির ওপরই নির্ভর করতে হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মতে, দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ৮ শতাংশ হলেও সরকারি ঋণের বোঝা আকাশছোঁয়া (জিডিপির ১৩০ শতাংশের বেশি)। প্রধানমন্ত্রী সোঙ্কো এই পরিস্থিতির জন্য পূর্ববর্তী সরকারকে দায়ী করেছেন।
আফ্রিকার অন্যান্য দেশের চিত্রও বেশ সংকটময়। জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষোভ কমাতে মহাদেশের অন্য দেশগুলোও বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার পেট্রলের ওপর ধার্যকৃত ট্যাক্স কমিয়ে দিয়েছে যাতে পাম্পে তেলের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে; ইথিওপিয়া প্রকট জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের বাধ্যতামূলক বার্ষিক ছুটিতে পাঠিয়েছে; দক্ষিণ সুদান রাজধানী জুবায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে রেশনিং শুরু করা হয়েছে; জিম্বাবুয়ে জ্বালানির ঘাটতি মেটাতে পেট্রলে ইথানলের মিশ্রণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এদিকে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুধু তেল নয়, রাসায়নিক সারের সরবরাহও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্বের প্রায় ৩০ শতাংশ সার ও সারের কাঁচামাল এই পথ দিয়েই সরবরাহ করা হয়। আন্তর্জাতিক উদ্ধার কমিটি (আইআরসি) গত বুধবার সতর্ক করে বলেছে, এটি একটি ‘খাদ্য নিরাপত্তা টাইমবোমা’, যা বিশেষ করে পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোকে চরম দুর্ভিক্ষের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ অভিযোগ করেছেন, ভারত একটি ‘ফলস-ফ্ল্যাগ অপারেশন’ বা ‘সাজানো অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেছেন, এর উদ্দেশ্য হলো—যাতে দোষ চাপানো যায় পাকিস্তানের ওপর। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এমন কোনো ‘নাটক’ মঞ্চস্থ করা হলে নয়াদিল্লিকে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আকাশপথে বড় ধরনের সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা দক্ষিণ ইস্পাহানে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০ সামরিক বিমান এবং দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ‘নরক নামিয়ে আনার’ অর্থাৎ হামলা আরও জোরদার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তাঁর দেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম না মানলে তিনি দেশটির ওপর ‘নরক নেমে আসবে’ এমন হামলা চালাবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উন্মুক্ত উৎসের তথ্য তথা ওপেন সোর্স ইন্টেল ব্যবহার করে ইরান যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চলাচল নজরদারি করছে। এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। এই বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে যুদ্ধক্ষেত্রে
৩ ঘণ্টা আগে