কৃমি অন্ত্রে বসবাস করে। অতিরিক্ত হলে পায়ুপথে এসে বাসা বাঁধতে থাকে। এতে পায়ুপথে চুলকানি হয়। নানান ওষুধ সেবনে কিছু কমে; কিন্তু শেষ হয় না। শেষ না হওয়ার কারণ এই পরজীবীর ডিমের বাসা অন্ত্রের ত্বকে লেগে থাকে, যা নির্মূল করা কঠিন।
কীভাবে কৃমি আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে
কৃমি মানবদেহে কী ক্ষতি করে
অন্ত্রে আলসার ও রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া হয়।
পরজীবী বাড়ার জন্য দায়ী খাবার
পরজীবী নির্মূল করার উপায়
রসুন: অ্যালিসিন নামক সালফার যৌগ পরজীবীর কোষের লিপিড মেমব্রেন ভেঙে দেয়, এনজাইম অ্যাকটিভিটি বাধাগ্রস্ত করে। প্রতিদিন রাতে এক কোষ কাঁচা রসুন খান।
কুমড়ার বীজ: বিকেলে এক মুঠ কুমড়ার বীজ খেতে পারেন।
পেঁপের বীজ: পাপাইন প্রোটিয়োলাইটিক এনজাইম পরজীবীর কাইটিনযুক্ত এক্সোস্কেলেটন ভেঙে দেয়। এটি কৃমির ডিম ধ্বংস করে দেয়। রাতে এক চামচ পেঁপের বীজের গুঁড়া চায়ের মতো করে খান।
প্রোবায়োটিক দই, কেফির: অন্ত্রের পিএইচ কমিয়ে অ্যাসিডিক পরিবেশ তৈরি করে। এতে পরজীবীর বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে যায়। দুপুরের খাবার খাওয়ার পর এক বাটি টক দই খান।
হলুদ: কারকুমিন প্রদাহবিরোধী ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি লেশম্যানিয়া এবং প্লাজমোডিয়ামের বৃদ্ধি রোধ করে। সকালে নাশতার আগে এক কাপ পানিতে আধা চামচ বিশুদ্ধ হলুদগুঁড়া মিশিয়ে খান।
নতুন গবেষণা: নিমপাতা ও বারবেরিন পরজীবী চিকিৎসায় ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সফল হয়েছে।
পরজীবীর জীবনচক্র, হোস্টের শরীরে তাদের প্রভাব, খাদ্য এবং ওষুধের মোলিকুলার মেকানিজম বোঝা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি। প্রাকৃতিক উপাদান এবং আধুনিক চিকিৎসার সমন্বয় করাটাই হলো সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে স্টুল টেস্ট এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ছাড়া প্রাকৃতিক খাদ্য গ্রহণ করা জরুরি। এতে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাবেন।
পরামর্শ দিয়েছেন: খাদ্যপথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ, প্রধান নির্বাহী, প্রাকৃতিক নিরাময় কেন্দ্র

স্বাস্থ্য উদ্যোক্তা হওয়া মানেই কেবল লাভজনক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা নয়, বরং বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে কার্যকর সমাধান তৈরি করাই প্রকৃত লক্ষ্য। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্যসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব...
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের সব সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ে এনএস-১ পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনা মূল্যে করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে...
১২ ঘণ্টা আগে
দেশে কিশোরী মাতৃত্বের হার আবারও ঊর্ধ্বমুখী। পাঁচ বছরের ব্যবধানে ১৫-১৯ বছর বয়সী প্রতি হাজার কিশোরীর মধ্যে জীবিত সন্তান জন্মদানকারী মেয়ের হার ৮৩ থেকে বেড়ে ৯২-এ পৌঁছেছে।
১ দিন আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একই সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে আরও ১৫৯ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৪৮ ও নিশ্চিত হামে ৯৩ জন। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪১।
১ দিন আগে