
নন–অ্যালকোহলিক স্টেটোহেপাটাইটিস (ন্যাশ) নামে পরিচিত ফ্যাটি লিভার রোগের জন্য মাদ্রিগাল ফার্মাসিউটিক্যালসের ওষুধ অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ বিষয়ক সংস্থা এফডিএ। রোগটির চিকিৎসায় প্রথমবারের মতো কোনো ওষুধ অনুমোদন করা হলো। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
ওষুধের অনুমোদন দেওয়ায় তৈরি হয়েছে কয়েক শ কোটি ডলারের ব্যবসার সুযোগ। এতে মাদ্রিগাল ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার দর ২৪ শতাংশ বেড়ে ৩০৯ দশমিক ৯৯ ডলারে পৌঁছেছে।
সম্প্রতি ন্যাশের নাম পাল্টে মেটাবলিক ডিসফাংশন–অ্যাসোসিয়েটেড স্টেটোহেপাটাইটিস (ম্যাশ) করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। তবে রোগটির কোনো অনুমোদিত চিকিৎসা ছিল না।
মাদ্রিগালের সিইও বিল সিবোল্ড জানান, ওষুধটি আগামী এপ্রিল থেকে রেজডিফ্রা নামে পাওয়া যাবে। ওষুধটির বার্ষিক পাইকারি মূল্য ৪৭ হাজার ৪০০ ডলার রাখা হয়েছে।
ওষুধের মূল্য নির্ধারণের পর্যবেক্ষক সংস্থা দ্য ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক রিভিউ গত বছরের মে মাসে বলেছিল, মাদ্রিগালের ওষুধটি ৩৯ হাজার ৬০০ থেকে ৫০ হাজার ১০০ ডলারের মধ্যে রাখা হলে তা লাভজনক হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার মাদ্রিগাল বলেছে, ন্যাশের সঙ্গে যেসব রোগীর ফাইব্রোসিস বা যকৃতে ক্ষত আছে এবং এর তীব্রতা ২ বা ৩ স্তরে পৌঁছেছে তাঁদের জন্যই এই ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া যাবে।
ন্যাশ রোগটির কারণ এখনো সম্পূর্ণরূপে বোঝা যায়নি। সাধারণত স্থূলতা, হাইপোথাইরয়েডিজম, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির উচ্চমাত্রার মতো স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে রোগটি সম্পর্কিত। এই রোগে যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয় এবং অঙ্গটিতে প্রদাহ ও ফাইব্রোসিস বা ক্ষত সৃষ্টি হয়।
রোগীদের স্বার্থ রক্ষাকারী সংস্থা আমেরিকান লিভার ফাউন্ডেশনের সিইও লরেন স্টিয়েল বলেছেন, এক দশক ধরে চেষ্টার পর এই ওষুধের অনুমোদন রোগীদের জন্য একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত।

নন–অ্যালকোহলিক স্টেটোহেপাটাইটিস (ন্যাশ) নামে পরিচিত ফ্যাটি লিভার রোগের জন্য মাদ্রিগাল ফার্মাসিউটিক্যালসের ওষুধ অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ বিষয়ক সংস্থা এফডিএ। রোগটির চিকিৎসায় প্রথমবারের মতো কোনো ওষুধ অনুমোদন করা হলো। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
ওষুধের অনুমোদন দেওয়ায় তৈরি হয়েছে কয়েক শ কোটি ডলারের ব্যবসার সুযোগ। এতে মাদ্রিগাল ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার দর ২৪ শতাংশ বেড়ে ৩০৯ দশমিক ৯৯ ডলারে পৌঁছেছে।
সম্প্রতি ন্যাশের নাম পাল্টে মেটাবলিক ডিসফাংশন–অ্যাসোসিয়েটেড স্টেটোহেপাটাইটিস (ম্যাশ) করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। তবে রোগটির কোনো অনুমোদিত চিকিৎসা ছিল না।
মাদ্রিগালের সিইও বিল সিবোল্ড জানান, ওষুধটি আগামী এপ্রিল থেকে রেজডিফ্রা নামে পাওয়া যাবে। ওষুধটির বার্ষিক পাইকারি মূল্য ৪৭ হাজার ৪০০ ডলার রাখা হয়েছে।
ওষুধের মূল্য নির্ধারণের পর্যবেক্ষক সংস্থা দ্য ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক রিভিউ গত বছরের মে মাসে বলেছিল, মাদ্রিগালের ওষুধটি ৩৯ হাজার ৬০০ থেকে ৫০ হাজার ১০০ ডলারের মধ্যে রাখা হলে তা লাভজনক হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার মাদ্রিগাল বলেছে, ন্যাশের সঙ্গে যেসব রোগীর ফাইব্রোসিস বা যকৃতে ক্ষত আছে এবং এর তীব্রতা ২ বা ৩ স্তরে পৌঁছেছে তাঁদের জন্যই এই ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া যাবে।
ন্যাশ রোগটির কারণ এখনো সম্পূর্ণরূপে বোঝা যায়নি। সাধারণত স্থূলতা, হাইপোথাইরয়েডিজম, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির উচ্চমাত্রার মতো স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে রোগটি সম্পর্কিত। এই রোগে যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয় এবং অঙ্গটিতে প্রদাহ ও ফাইব্রোসিস বা ক্ষত সৃষ্টি হয়।
রোগীদের স্বার্থ রক্ষাকারী সংস্থা আমেরিকান লিভার ফাউন্ডেশনের সিইও লরেন স্টিয়েল বলেছেন, এক দশক ধরে চেষ্টার পর এই ওষুধের অনুমোদন রোগীদের জন্য একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত।

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
২ দিন আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
২ দিন আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৩ দিন আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
৩ দিন আগে