অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকা নিয়ে কিছুসংখ্যক মানুষের রক্ত জমাট বাঁধার যে বিরল উপসর্গ দেখা গিয়েছিল, তার সম্ভাব্য কারণ খুঁজে পাওয়া গেছেন বিজ্ঞানীরা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকায় রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাব্য কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। গবেষণায় বলা হয়, টিকার উপাদান রক্তের একটি প্রোটিন ‘প্লাটিলেট ফ্যাক্টর-৪’ কে আকৃষ্ট করতে পারে। বিরল কিছু ক্ষেত্রে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাইরাসের সঙ্গে প্লাটিলেট ফ্যাক্টর-৪ কে গুলিয়ে ফেলে ও একে আক্রমণ করার জন্য অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে। আর তখনই এই অ্যান্টিবডি এবং প্লাটিলেট ফ্যাক্টর-৪ একসঙ্গে গুচ্ছাকার হয়ে রক্ত জমাট বেঁধে যায়।
এই গবেষণাটির সঙ্গে জড়িত ছিল টিকা তৈরি কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকাও। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গবেষণার ফলটি রক্ত জমাট বাঁধার চূড়ান্ত কারণ নয়।
ধারণা করা হয়, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের প্রাণ বেঁচেছে। কিন্তু তারপরও এ টিকা নিয়ে কিছু মানুষের রক্তজমাট বাঁধার ঘটনা নিয়ে বিশ্বে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল।
একটি বিবৃতিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়, গবেষণাটির ফলই রক্ত জমাট বাঁধার চূড়ান্ত কারণ নয়। এই অত্যন্ত বিরল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দূর করার জন্য এই গবেষণার ফলাফলগুলোকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেতন-ভাতা, ওষুধ, চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নয় মাসের সম্ভাব্য পরিচালন ব্যয়ের জন্য অর্থ চাওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে ডেঙ্গুর পাশাপাশি হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ১৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২১ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৯২০ জন।
২০ ঘণ্টা আগে
ডব্লিউএইচও জানায়, বিশ্বের ২৬টি দেশে নারীদের ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ক্যানসার। এসব দেশের অধিকাংশই সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা, মেলানেশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশে অবস্থিত।
১ দিন আগে