গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড হরমোন বৃদ্ধির সমস্যার হার এখন বেশি। গর্ভাবস্থায় এ সমস্যা হলে শিশু ও মা দুজনেরই ঝুঁকি থাকে। এ সময় কাদের থাইরয়েড হরমোন পরীক্ষা করাতে হবে, এ বিষয়ে বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছে। সেগুলো হলো:
গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি বা হাইপোথাইরয়েডিজম এবং থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য বা হাইপারথাইরয়েডিজম দুটিই হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড হরমোনের আধিক্যের কারণ
বলে রাখা দরকার, ওভারির কিছু টিউমার আছে, যা থাইরয়েড হরমোন উৎপন্ন করে। এর আরও কিছু জটিল কারণ আছে।
থাইরয়েড হরমোনের আধিক্যের লক্ষণ
দুর্বল লাগা, বুক ধড়ফড় করা, ঘুম কম হওয়া, ওজন কমে যাওয়া, অস্থির লাগা, অতিরিক্ত গরম লাগা, হাত বা শরীর কাঁপা, বারবার পায়খানা হওয়া, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, হাত অতিরিক্ত ঘামা, মাসিক অনিয়মিত হওয়া, চুল পড়া, গলগণ্ড বা গলা ফুলে যাওয়া, নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া।
মাত্রাতিরিক্ত থাইরয়েড হরমোন থাকলে গর্ভবতীর কোন ধরনের সমস্যা হতে পারে
গর্ভকালে থাইরয়েড হরমোনের আদর্শ মাত্রা
যারা সন্তান নিতে চাইছেন কিন্তু হচ্ছে না, তাঁদের সেরাম টিএসএইচ ২.৫-এর নিচে রাখতে হবে। গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেরাম টিএসএইচের মাত্রা
থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা টার্গেটের মধ্যে না রাখলে শিশু এবং মা উভয়ের সমস্যা হতে পারে।
থাইরয়েড হরমোন আধিক্যের চিকিৎসা
কারও গর্ভাবস্থায় হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে হরমোন বিশেজ্ঞ বা এন্ডোথাইনোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। কার্বিমাজল, মেথিমাজল, প্রোপাইল থায়োইউরাসিল নামক ওষুধ দিয়ে গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তবে গর্ভকালীন নিয়ম অনুসারে ওষুধের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন: ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম, হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ

বাংলাদেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ দ্রুত শনাক্ত, নির্ণয় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি জাতীয় চিকিৎসা প্রটোকল তৈরি করা হয়েছে। যা দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কিডনি রোগ শনাক্ত ও ব্যবস্থাপনার জন্য মানসম্মত নির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদ
৯ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) পদে অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক...
২ দিন আগে
দেশে সরকারি চিকিৎসকদের ৭৫ শতাংশই শহরে এবং বাকি ২৫ শতাংশ গ্রামে সেবা দেন। নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ স্বাস্থ্য খাতের অন্যান্য জনবলের চিত্রও অনেকটা একই। অথচ দেশের জনসংখ্যার মাত্র ৩৮ শতাংশের বসবাস শহরে। আবার চিকিৎসকের সঙ্গে অন্যান্য স্বাস্থ্য জনবলের অনুপাতও ঠিক নেই।
৪ দিন আগে
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৭ শতাংশ কিডনি রোগে আক্রান্ত। এ সংখ্যা ২ কোটির বেশি হতে পারে। প্রতিবছর এই সংখ্যা বাড়ছে। পবিত্র রমজান মাসে কিডনি রোগীরা রোজা রাখার সময় সমস্যা অনুভব করলে অবশ্যই তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
৬ দিন আগে