
পুষ্টি
আমার বয়স ৩৬ বছর এবং উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। তিন মাস আগে মেদবহুল আমার শরীরের ওজন ছিল ৯২ কেজি। নিয়মিত দৈনিক ৬-৭ ঘণ্টা ঘুম, তিন লিটার পানি পান, হাঁটার অভ্যাস এবং খাদ্যাভ্যাসে আমূল পরিবর্তন করার পর এখন আমার ওজন ৭০ কেজি। বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী এই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখন আমার করণীয় কী?
আবু ফারুক, বনরূপাপাড়া, বান্দরবান
খাদ্যাভ্যাসে কী পরিবর্তন এনেছিলেন, সেটা আপনি জানাননি। উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন থাকতে হবে ৫৬-৭১ কেজির মধ্যে। এখন একদম ঠিক আছে। এই ওজনটা ধরে রাখার জন্য প্রতিদিন ৪০-৪৫ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করবেন। তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাবার খাবেন না। মিষ্টিজাতীয় খাবার কম খান। সম্ভব হলে বন্ধ করে দিন। সারা দিনে প্রতি ৩ ঘণ্টা পরপর অল্প অল্প করে খাবার খাবেন। খাবারে শাকসবজি আর সালাদের পরিমাণ একটু বেশি রাখবেন। রান্নায় তেল কমাবেন।
প্রতিদিন একবেলা একটা মিষ্টি ফল খাবেন, টক ফলগুলো বেশি খেতে পারেন।
সকালে রুটি, সবজি, সেদ্ধ ডিম এবং ১১টায় হালকা নাশতার সঙ্গে মিষ্টি ফল খান। দুপুরে ভাত, মাছ বা মাংস, সবজি, ডাল আর বিকেল ৫টার দিকে আবার হালকা নাশতা খান। রাত ৮টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করুন। তাতে ভাত বা রুটি, মাছ বা মাংস, সবজি, ডাল খান। এর মাঝে মাঝে পানি খান, চিনি ছাড়া চা বা কফি খান, টক জাতীয় ফল খান। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করুন।
খাবারের সঠিক পরিমাণ জানতে প্রয়োজনে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
মো. ইকবাল হোসেন
পুষ্টি কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল
স্বাস্থ্য
আমার আম্মুর কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে আমি বেশ চিন্তিত। তাঁর শরীর বেশির ভাগ সময় অসুস্থ থাকে। তিনি ডায়াবেটিসের রোগী। তাঁর সব মেডিকেল চেকআপ করানো হয়েছে এবং রিপোর্ট ভালো এসেছে। তবে সমস্যা হলো, তাঁর শরীরে যতটুকু শক্তি দরকার, সেটুকু নেই।
তাঁর শরীর শুকিয়ে গেছে, পা চিকন হয়ে গেছে, ঠিকভাবে হাঁটতে পারেন না, পা ব্যথা করে। আম্মুর বয়স ৪৫ কিন্তু দেখে মনে হবে বয়স ৬০-এর বেশি।
প্রতিবার চিকিৎসকের কাছ থেকে ফেরার পর তিনি ভালো থাকেন। তারপর আবার অসুস্থ হয়ে যান। তাঁর সমস্যাগুলো হলো বমি, বমি বমি ভাব, বদহজম, পেটে গ্যাস, দুর্বলতা, রুচি কম, ঘুম না হওয়া, অস্থিরতা। এ ছাড়া ইনসুলিন নিলে তাঁর মাথা ঘোরে।
চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে ভিটামিন ট্যাবলেট, ক্যালসিয়াম ও আয়রন ট্যাবলেট খাওয়ান হয়েছিল। এ ছাড়া তাঁর টেনশনের সমস্যা আছে।
রাকিব হাসান রিফতী, নারায়ণগঞ্জ
দুর্বলতা, শরীর শুকিয়ে যাওয়া বা ব্যথা হওয়া অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের লক্ষণ। সেই সঙ্গে অস্থিরতা, ঘুম না হওয়া ডায়াবেটিসের অনিয়মিত চিকিৎসার ফল।
তাঁর সমস্যা ভিটামিন বা শক্তির ঘাটতি নয়। বরং ডায়াবেটিসের জটিলতা। সঠিকভাবে ওষুধ খাওয়া ও নিয়ম মানার পরও সমস্যা থাকলে আবার একজন ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন ও নিশ্চিত করুন যে সব ঠিকঠাক মানা হচ্ছে। কোনো টোটকা বা উড়ো উপদেশে কান দেবেন না। আশা করি উপকার পাবেন।
ডা. মো. মনিরুল ইসলাম ফাহিম, রেসিডেন্ট, নেফ্রোলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

পুষ্টি
আমার বয়স ৩৬ বছর এবং উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। তিন মাস আগে মেদবহুল আমার শরীরের ওজন ছিল ৯২ কেজি। নিয়মিত দৈনিক ৬-৭ ঘণ্টা ঘুম, তিন লিটার পানি পান, হাঁটার অভ্যাস এবং খাদ্যাভ্যাসে আমূল পরিবর্তন করার পর এখন আমার ওজন ৭০ কেজি। বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী এই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখন আমার করণীয় কী?
আবু ফারুক, বনরূপাপাড়া, বান্দরবান
খাদ্যাভ্যাসে কী পরিবর্তন এনেছিলেন, সেটা আপনি জানাননি। উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন থাকতে হবে ৫৬-৭১ কেজির মধ্যে। এখন একদম ঠিক আছে। এই ওজনটা ধরে রাখার জন্য প্রতিদিন ৪০-৪৫ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করবেন। তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাবার খাবেন না। মিষ্টিজাতীয় খাবার কম খান। সম্ভব হলে বন্ধ করে দিন। সারা দিনে প্রতি ৩ ঘণ্টা পরপর অল্প অল্প করে খাবার খাবেন। খাবারে শাকসবজি আর সালাদের পরিমাণ একটু বেশি রাখবেন। রান্নায় তেল কমাবেন।
প্রতিদিন একবেলা একটা মিষ্টি ফল খাবেন, টক ফলগুলো বেশি খেতে পারেন।
সকালে রুটি, সবজি, সেদ্ধ ডিম এবং ১১টায় হালকা নাশতার সঙ্গে মিষ্টি ফল খান। দুপুরে ভাত, মাছ বা মাংস, সবজি, ডাল আর বিকেল ৫টার দিকে আবার হালকা নাশতা খান। রাত ৮টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করুন। তাতে ভাত বা রুটি, মাছ বা মাংস, সবজি, ডাল খান। এর মাঝে মাঝে পানি খান, চিনি ছাড়া চা বা কফি খান, টক জাতীয় ফল খান। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করুন।
খাবারের সঠিক পরিমাণ জানতে প্রয়োজনে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
মো. ইকবাল হোসেন
পুষ্টি কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল
স্বাস্থ্য
আমার আম্মুর কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে আমি বেশ চিন্তিত। তাঁর শরীর বেশির ভাগ সময় অসুস্থ থাকে। তিনি ডায়াবেটিসের রোগী। তাঁর সব মেডিকেল চেকআপ করানো হয়েছে এবং রিপোর্ট ভালো এসেছে। তবে সমস্যা হলো, তাঁর শরীরে যতটুকু শক্তি দরকার, সেটুকু নেই।
তাঁর শরীর শুকিয়ে গেছে, পা চিকন হয়ে গেছে, ঠিকভাবে হাঁটতে পারেন না, পা ব্যথা করে। আম্মুর বয়স ৪৫ কিন্তু দেখে মনে হবে বয়স ৬০-এর বেশি।
প্রতিবার চিকিৎসকের কাছ থেকে ফেরার পর তিনি ভালো থাকেন। তারপর আবার অসুস্থ হয়ে যান। তাঁর সমস্যাগুলো হলো বমি, বমি বমি ভাব, বদহজম, পেটে গ্যাস, দুর্বলতা, রুচি কম, ঘুম না হওয়া, অস্থিরতা। এ ছাড়া ইনসুলিন নিলে তাঁর মাথা ঘোরে।
চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে ভিটামিন ট্যাবলেট, ক্যালসিয়াম ও আয়রন ট্যাবলেট খাওয়ান হয়েছিল। এ ছাড়া তাঁর টেনশনের সমস্যা আছে।
রাকিব হাসান রিফতী, নারায়ণগঞ্জ
দুর্বলতা, শরীর শুকিয়ে যাওয়া বা ব্যথা হওয়া অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের লক্ষণ। সেই সঙ্গে অস্থিরতা, ঘুম না হওয়া ডায়াবেটিসের অনিয়মিত চিকিৎসার ফল।
তাঁর সমস্যা ভিটামিন বা শক্তির ঘাটতি নয়। বরং ডায়াবেটিসের জটিলতা। সঠিকভাবে ওষুধ খাওয়া ও নিয়ম মানার পরও সমস্যা থাকলে আবার একজন ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন ও নিশ্চিত করুন যে সব ঠিকঠাক মানা হচ্ছে। কোনো টোটকা বা উড়ো উপদেশে কান দেবেন না। আশা করি উপকার পাবেন।
ডা. মো. মনিরুল ইসলাম ফাহিম, রেসিডেন্ট, নেফ্রোলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
২ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৩ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৩ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
৩ দিন আগে