শীত মানেই পিঠা আর পিঠা মানে গুড়। আর এই গুড় হয় একেক রকমের। প্রাকৃতিক মিষ্টি হিসেবে ব্যবহার করা হয় একে। গুড় যে শুধু পিঠা কিংবা পায়েসের স্বাদ বাড়ায়, এমন নয়। এর উপকারিতাও রয়েছে অনেক।
গুড় একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক শর্করা। ফলে এটি খেলে রক্তশূন্যতার সমস্যা কমে। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিংক ও সেলেনিয়াম থাকে। অন্যদিকে পাকস্থলীতে গুড়ের শোষণ খুব ধীরগতিতে হওয়ায় রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় থাকে। ফলে ডায়াবেটিসের রোগীরাও গুড় খেতে পারেন। গুড়ে শর্করার পাশাপাশি খনিজ, ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে।
দেহের পেশি মজবুত রাখতেও সাহায্য করে গুড়। শীতে গুড় খেলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। আয়ুর্বেদমতে, শীতকালে গুড় খেলে দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে ঠান্ডা লাগে না বা ঠান্ডাজনিত রোগব্যাধি হয় না। খাবার হজমে সহায়তা করে এমন উৎসেচক ক্ষরণে সাহায্য করে গুড়।
এটি খেলে ওজন বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। বরং এতে থাকা পটাশিয়াম ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তবে বেশি পরিমাণে গুড় খেলে শরীর খারাপ হতে পারে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।

বাংলাদেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ দ্রুত শনাক্ত, নির্ণয় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি জাতীয় চিকিৎসা প্রটোকল তৈরি করা হয়েছে। যা দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কিডনি রোগ শনাক্ত ও ব্যবস্থাপনার জন্য মানসম্মত নির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদ
১২ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) পদে অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক...
২ দিন আগে
দেশে সরকারি চিকিৎসকদের ৭৫ শতাংশই শহরে এবং বাকি ২৫ শতাংশ গ্রামে সেবা দেন। নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ স্বাস্থ্য খাতের অন্যান্য জনবলের চিত্রও অনেকটা একই। অথচ দেশের জনসংখ্যার মাত্র ৩৮ শতাংশের বসবাস শহরে। আবার চিকিৎসকের সঙ্গে অন্যান্য স্বাস্থ্য জনবলের অনুপাতও ঠিক নেই।
৪ দিন আগে
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৭ শতাংশ কিডনি রোগে আক্রান্ত। এ সংখ্যা ২ কোটির বেশি হতে পারে। প্রতিবছর এই সংখ্যা বাড়ছে। পবিত্র রমজান মাসে কিডনি রোগীরা রোজা রাখার সময় সমস্যা অনুভব করলে অবশ্যই তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
৬ দিন আগে