পিরিয়ডের দিনগুলোতে শরীরের সঙ্গে মনটাও কেমন অবসন্ন লাগে। শরীর ও মনের ক্লান্তি দূর করতে সঠিক খাবার দারুণ ভূমিকা রাখে। মাসের এই কয়েকটি দিন হরমোনের ওঠানামার কারণে মুড সুইং, বিষণ্নতা বা হুটহাট মন খারাপ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তবে খাদ্যতালিকায় কিছু পুষ্টিকর খাবার রাখলে এগুলো শরীরে হ্যাপি হরমোন তৈরিতে সাহায্য করবে এবং মন চনমনে রাখতে সহায়তা করবে।
পিরিয়ডের সময় মন ভালো রাখবে, এমন কিছু খাবার সম্পর্কে জেনে নিন।
পিরিয়ডের সময় অনেকের চকলেট খাওয়ার ইচ্ছে প্রবল হয়। চিনিযুক্ত মিল্ক চকলেট খাওয়ার পরিবর্তে ডার্ক চকলেট বেছে নিতে পারেন। ডার্ক চকলেটে থাকা প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম পেশি শিথিল করে এবং পিরিয়ডের ব্যথা কমায়। পাশাপাশি এটি শরীরে এন্ডোরফিন এবং সেরোটোনিন নামক হ্যাপি হরমোন নিঃসরণ বাড়িয়ে নিমেষে মন ভালো করে দেয়।
কলা এ সময়ের মুড সুইং নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন বি৬। এটি শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়, পেট ফাঁপা কমায় এবং বিষণ্নতা দূর করে ভালো ঘুমে সাহায্য করে।
এক কাপ গরম আদা-চা পিরিয়ডের তীব্র পেটব্যথা দূর করতে সহায়ক। আদার অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান স্নায়ুকে শান্ত করে মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়।
এগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ওটস বা লাল চালের ভাতে থাকা আঁশ রক্তের শর্করা হুট করে বাড়তে বা কমতে দেয় না। এর ফলে হুটহাট মেজাজ খিটখিটে হওয়া এবং শরীরের শক্তি কমে যাওয়ার সমস্যা দূর হয়।
কাঠবাদাম, আখরোট, মিষ্টিকুমড়ার বিচি বা চিয়া সিড খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। এগুলোতে থাকা ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ও জিংক মস্তিষ্ক সচল রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়।
পিরিয়ডের সময় হরমোনের ওঠানামার কারণে শরীর এমনিতেই সংবেদনশীল থাকে। এই দিনগুলোতে ভুল খাবার খেলে পেটে গ্যাস, তীব্র পেটব্যথা, ক্লান্তি এবং মুড সুইং বা মেজাজ খিটখিটে হওয়ার সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।
পিরিয়ডের সময় পেটব্যথায় গরম পানীয় পানে আরাম লাগে। তাই বলে অতিরিক্ত চা বা কফি পান করা উচিত নয়। অতিরিক্ত ক্যাফেইন পানে জরায়ুর পেশি শক্ত হয়ে পিরিয়ডের ব্যথা বা ক্র্যাম্প আরও বেড়ে যেতে পারে। এটি বুক ধড়ফড়ানি, গ্যাস ও অনিদ্রার সমস্যাও বাড়ায়।
চকলেট, পেস্ট্রি, আইসক্রিম বা কোমল পানীয় খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে অনেক বেড়ে যায় এবং পরক্ষণে আবার নেমে যায়। শর্করার এই ওঠানামার কারণে ক্লান্তি বাড়ে এবং মেজাজ দ্রুত খিটখিটে হয়ে ওঠে।
চিপস, ফাস্ট ফুড, ক্যানজাত খাবার এবং অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। লবণে থাকা সোডিয়াম শরীরে পানি জমিয়ে রাখে। এর ফলে পেট ফাঁপা, শরীর ভারী লাগা এবং স্তনে ব্যথার মতো অস্বস্তি দেখা দেয়।
অতিরিক্ত তেল-মসলা ও মরিচ দেওয়া তরকারি বা চাটনি এড়াতে হবে। পিরিয়ডের সময় অনেকের হজমপ্রক্রিয়া দুর্বল থাকে। অতিরিক্ত ঝাল খাবার খেলে পেটে অস্বস্তি, গ্যাস, ডায়রিয়া এবং বুক জ্বালাপোড়া হতে পারে।
অনেকের দুধ এবং দুধ দিয়ে তৈরি খাবারে শরীরে সমস্যা হয়। দুধ, পনির বা ভারী ক্রিম রয়েছে এমন খাবারে অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড থাকে, যা পিরিয়ডের ক্র্যাম্প বাড়াতে পারে। যদি দুধ খেলে আপনার পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা হয়, তবে এই দিনগুলোতে তা এড়িয়ে চলাই ভালো। তবে টক দই খাওয়া যেতে পারে, এটি হজমে সাহায্য করে।
সূত্র: হেলথ লাইন ও অন্যান্য

শরীরের ভেতরের বড় ও ব্যস্ততম অঙ্গটি হলো লিভার। পরিপাক, রক্ত পরিশোধন ও শক্তি সঞ্চয়ের মতো অন্তত ৫০০-এর বেশি বৈচিত্র্যময় কাজ একা সামলায় এই অঙ্গ। কিন্তু আধুনিক জীবনযাত্রায় অলসতা ও ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে আমাদের অজান্তেই লিভারে জমছে অতিরিক্ত মেদ।
২ ঘণ্টা আগে
ইতালিয়ান বা মেডিটেরানিয়ান খাবারে প্রিয় উপকরণ অরিগানো। বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্পে এটি সুপরিচিত ভেষজ উপাদান। পিৎজা, পাস্তা কিংবা এই ধরনের খাবারগুলোতে প্রায়ই আমরা অরিগানোর উপস্থিতি পাই। খাবার সুস্বাদু করার পাশাপাশি এতে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। যেমন মাত্র এক চা-চামচ শুকনো...
৩ ঘণ্টা আগে
বয়স ষাট পার হলে পেশির ভর ও হাড়ের শক্তি কমতে শুরু করে এবং মেটাবলিজম বা ক্যালরি ক্ষয়ের গতি ধীর হয়ে যায়। এ বয়সে দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে এবং সক্রিয় জীবনযাপন বজায় রাখতে পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস অপরিহার্য। ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সের মানুষের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো একক ডায়েট নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে নতুন ধরনের অ্যান্টিভেনম বা বিষনাশক ওষুধ তৈরি করেছেন ভারত ও ডেনমার্কের বিজ্ঞানীরা। বিভিন্ন প্রজাতির গোখরা সাপের বিষের বিরুদ্ধে বিস্তৃত সুরক্ষা দিতে সক্ষম এই অ্যান্টিভেনম ককটেল সাপের কামড়ের চিকিৎসায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।
১৫ ঘণ্টা আগে