শিশুদের মায়ের দুধের পরিবর্তে ফর্মুলা খাওয়ানো উচিত নয়। মায়ের দুধ না দিয়ে ফর্মুলা খাওয়ানো এবং এর প্রচার করা এক প্রকার বঞ্চনা। প্রতারণা করা হচ্ছে মানুষের সঙ্গে। ফর্মুলার এমনভাবে প্রচার হয়, যেন এটি শিশুর জন্য সব সমস্যার সমাধান। বিষয়টি অমানবিক।
এমন মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। আজ রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৩–এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন সচিব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম।
স্বাস্থ্যসচিব বলেন, ‘বৈজ্ঞানিকভাবেও বলা হয়ে থাকে, শিশুর জন্মের সময়ই মায়েদের দুধের সৃষ্টি হয়। এটা বাচ্চারা পাবে। অনেকে বলে থাকে, শিশু দুধ পাচ্ছে না। তবে এমনটা হওয়া মনস্তাত্ত্বিক। বাচ্চা দুনিয়ায় এলে অসহায় হয়ে পড়ে। তার তখন নতুন করে দুনিয়াতে বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মায়ের দুধ। বাইরের জগতে তার অনেক বেশি জীবাণু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। রোগ-শোক, শারীরিক বৃদ্ধি সবকিছুর জন্য মায়ের দুধ প্রয়োজন। তা ছাড়া ছয় মাস তো বুকের দুধ ছাড়া কিছু খাওয়ানো যাবে না।’
প্রতিটি অফিসে ডে-কেয়ার সেন্টার থাকার বিষয়ে জোর দিয়ে সচিব বলেন, ‘এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করতে হবে। হাসপাতাল, অফিস-আদালত সব জায়গায় ডে–কেয়ার সেন্টার থাকতেই হবে। আইন হয়েছে। সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগ করা হচ্ছে না। এখন থেকে ভালোভাবেই তা প্রয়োগ করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘পিতৃত্বকালীন ছুটিও অনেক বেশি প্রয়োজন। শুধু মায়ের সঙ্গে নয় বাবার সঙ্গে শিশুর আন্তসংযোগ প্রয়োজন।’

শিশু এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য ফল শুধু ভিটামিনই সরবরাহ করে না; অল্প বয়স থেকে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গঠনে সাহায্য করে। শিক্ষার্থীদের কাছেও মিষ্টির পরিবর্তে ফল স্বাস্থ্যকর নাশতা হতে পারে। এটি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়ার সঠিক উপায় জেনে রাখা জরুরি। অনেকে ফলের পুষ্টিগুণ তাদের পরিপাকতন্ত্র
৫ ঘণ্টা আগে
আমরা অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম নিয়ে দুশ্চিন্তা করি। সে ক্ষেত্রে মনোযোগ থাকে মূলত মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, হাতের স্মার্টফোন কিংবা কবজির স্মার্টওয়াচ আপনার শরীরের ওপর কী ধরনের স্থায়ী প্রভাব ফেলছে? গবেষক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা, টাইপ করা
৬ ঘণ্টা আগে
ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কিংবা মনোযোগের অভাব আধুনিক জীবনের একটি বড় সমস্যা। তবে কৃত্রিম কোনো ওষুধ ছাড়াই শুধু দৈনন্দিন জীবনযাত্রা আর খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন এনেই স্মৃতিশক্তি প্রখর করা সম্ভব। সচেতনভাবে এই অভ্যাসগুলো প্রতিদিনের রুটিনে জড়িয়ে নিলে দীর্ঘকাল ধরে মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা বজায় রাখা সম্ভব।
৭ ঘণ্টা আগে
অতিরিক্ত গরম ঘরে ঘুমালে হৃদ্যন্ত্রের কার্যকলাপে বড় ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য এটি অনেক ক্ষতিকর। ‘বিএমসি মেডিসিন’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শোয়ার ঘরের তাপমাত্রা যদি ৭৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট কিংবা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্নায়ুতন্ত্রে পরিব
৮ ঘণ্টা আগে