খাবারে মিষ্টি স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা উপাদানের মধ্যে চিনি অন্যতম। তবে বর্তমানে চিনি এড়িয়ে চলার চেষ্টা দেখা যায় মানুষের মধ্যে। আবার অনেকে বেছে নিচ্ছেন এর বিকল্প। চিনির বিকল্প হিসেবে খেজুরের গুড় পছন্দের তালিকায় রাখা যায়। যেকোনো মিষ্টি খাবারের রেসিপিতে গুড় ব্যবহার করা যায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের জন্য গুড় হতে পারে বিশেষ বিকল্প। ইদানীং স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে খেজুরের গুড়ের চিনি।
গুড় সাদা চিনির চেয়ে স্বাস্থ্যকর
৯ গ্রাম সাদা চিনিতে থাকে ২০ ক্যালরি, যা উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মধ্যে ৬৫। সাদা চিনি রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। একই পরিমাণ গুড়ে থাকে প্রায় ১৫ ক্যালরি। এর গ্লাইসেমিক সূচক ৪২; যা নিরাপদ হিসেবে চিহ্নিত। শুধু গ্লাইসেমিক সূচক কম থাকার অর্থ এই নয়, এটি অনেক বেশি খাওয়া যাবে।
গুড় খাওয়ার উপকারিতা
এ ছাড়া গুড় খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। যেমন এটি শ্বাসকষ্ট দূর করে, মাসিকের সমস্যা কমায়, শরীর উষ্ণ রাখে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, শরীরের পাচক এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করে, শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দিয়ে লিভার পরিষ্কারে সাহায্য করে।
গুড় কীভাবে খাবেন
পিঠাপুলি, ক্ষীর ও পায়েসের সঙ্গে ঐতিহ্যগতভাবে আমরা গুড় খেয়ে থাকি। এ ছাড়া গরম পানির সঙ্গে মিশিয়েও পান করা যায়। কিংবা চায়ে চিনির বদলে গুড় খাওয়া যায়। তবে যাঁরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তাঁদের দিনে ১০ গ্রামের বেশি গুড় খাওয়া ঠিক নয়। যাদের বয়স কম, ডায়াবেটিসের সমস্যা নেই; তারা কিছুটা বেশি খেতে পারে। ভাত খাওয়ার পর নিয়মিত এক চামচ গুড় খেলে ওজন বাড়বে।
লেখক: খাদ্যপথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ প্রধান নির্বাহী, প্রাকৃতিক নিরাময় কেন্দ্র

পারস্পরিক সম্মান, কার্যকর যোগাযোগ ও যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ একটি পরিবারের সংহতি ও স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করে। একই সঙ্গে দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোয় ক্লিনিক্যাল সেবার ভিত্তি সন্তোষজনক হলেও সুশাসন, ব্যবস্থাপনা, জনবল ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
শিশুর জীবনের প্রথম ছয় মাস তার ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য, বৃদ্ধি ও মেধাবিকাশের ভিত্তি তৈরি করে। এ সময় শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, সহজলভ্য ও পূর্ণাঙ্গ খাবার হলো মায়ের দুধ। এটি শুধু ক্ষুধা মেটায় না; শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়, মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে এবং ডায়রিয়া, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন
১ দিন আগে
দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অধিকাংশ পরিবারই মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়ছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে প্রতি ১০টি পরিবারের প্রায় ৯টি (৮৯ শতাংশ) ঋণ নিয়েছে। এ ছাড়া ৬১ শতাংশ পরিবার নিজেদের সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছে এবং চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে প্রতিটি পরিবারকে...
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩২৬ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১১৩ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯১, ময়মনসিংহে ৭১, চট্টগ্রামে ৬১, বরিশালে ৪৫, খুলনায় ৩২ ও রংপুর বিভাগে ১২ জন মারা গেছে।
১ দিন আগে