
ফিলিস্তিন ইস্যুতে বেশ কয়েক মাস ধরেই কোমল পানীয় কোকা–কোলাসহ বিভিন্ন পণ্য বয়কটের ডাক সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায়। সম্প্রতি নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে একটি বিজ্ঞাপন বানায় কোকা–কোলা বাংলাদেশ। বিজ্ঞাপনটিতে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করে, ‘কোকা–কোলা ইসরায়েলের পণ্য নয়, মানুষ সঠিক তথ্য না জেনেই পণ্যটি বয়কটের ডাক দিয়েছে।’ প্রকাশের পরই নেটিজেনদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে বিজ্ঞাপনটি। এর মধ্যেই ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মাশা আল্লাহ, ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের ভালোবাসা’ শিরোনামে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বিভিন্ন ইসলামি সংগীত সংযুক্ত ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, একদল লোক কোকা–কোলার বিজ্ঞাপন আঁকা একটি স্থাপনায় ভাঙচুর করছে। ভিডিওটি শেয়ার করে নেটিজেনরা লিখছেন, ‘এটা দেখে আমার কাছে খুব ভালো লাগছে।’
ভিডিওটির সত্যতা যাচাইয়ে রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে বার্তা বাজার নামের অনলাইন নিউজ পোর্টালের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একই স্থাপনার ভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে তোলা একটি ছবি পাওয়া যায়। ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর ‘বগুড়ায় ছাত্রলীগের দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, ওই সময় বিএনপি-জামায়াতের অবরোধের প্রতিবাদে ডাকা বিক্ষোভ মিছিলে বগুড়ায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছে। বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজে এ ঘটনা ঘটে।
এই সূত্রে পরে ফেসবুকে কি-ওয়ার্ড অনুসন্ধানে ‘কামরু জ্জামান’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়। ওই দিন অ্যাকাউন্টটিতে ‘পুলিশের সামনেই ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের T20 ম্যাচ, বৃহস্পতিবার বগুড়া আজিজুল হক সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ’— ক্যাপশনে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ভিডিওটির সঙ্গে সম্প্রতি কোকা–কোলার বিজ্ঞাপন আঁকা স্থাপনা ভাঙার দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়।
‘বগুড়া বুলেটিন’ নামে বগুড়ার স্থানীয় একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের ফেসবুক পেজেও একই ঘটনার ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়।
স্পষ্টত, ২০২৩ সালে বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ভিডিওকে সম্প্রতি কোকা–কোলার বিজ্ঞাপন আঁকা স্থাপনা ভাঙার দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট আনাক ক্রাকাতাউয়ে একাধিকবার অগ্ন্যুৎপাতে ঘটেছে। এ প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এগুলো সেই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের দৃশ্য।
৫ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাটোরে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গাছে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে—এমন দাবিতে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। প্রচারিত ভিডিওতে এ ঘটনার জন্য বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অস্ত্র চালানোর দৃশ্য-সংবলিত একটি ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে এটিকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দাবি করা হচ্ছে।
৬ দিন আগে
‘Mohammad Asif Uddin’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি শেয়ার করে দাবি করা হয়, ‘অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে বাবার চোখের সামনেই বিএনপির সন্ত্রাসীদের নির্মম নির্যাতনের শিকার ছাত্রলীগ কর্মী! মনে রেখো বাংলাদেশ।’
৭ দিন আগে