ফ্যাক্টচেক ডেস্ক

কোটা আন্দোলনের চলমান প্রেক্ষাপটে ফেসবুকে দেশীয় অস্ত্র, পিস্তল, রিভলবারসহ কিছু অস্ত্রশস্ত্রের ছবি ভাইরাল হয়েছে। ‘কামরুজ্জামান খান (Kamruzzaman Khan)’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিগুলো শেয়ার করে দাবি করেন, এসব অস্ত্র সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের। কোটা আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা হলে এসব অস্ত্র নিয়ে উল্লাস করছেন।
আরেকটি পোস্টে কিছু শিক্ষার্থীর ছবি শেয়ার করে দাবি করা হয়েছে, ‘অসাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি উদ্দেশ্য করে জিজ্ঞেস করি, অস্ত্রগুলো এখন যাদের কাছে আছে তারা কি অন্যদের জন্য নিরাপদ? এদের কি নিরস্ত্র করা জরুরি কিনা?’
আবার ‘সফেদ আশফাক তুহিন’ নামের আরেকটি অ্যাকাউন্ট থেকে অস্ত্রশস্ত্রের ছবিটি শেয়ার করে দাবি করা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে অসাধারণ কোঠা বিরোধী ছাত্রদের রুম তল্লাশি করে উদ্ধারকৃত।’
আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভাইরাল ছবিগুলো সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলের ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ছবি যাচাই ১: দেশীয় অস্ত্র, চাকু, পিস্তল, রিভলবার
আজকের পত্রিকার শাবিপ্রবি প্রতিনিধির পাঠানো প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ছাত্রদের আবাসিক হল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার দুপুরে গায়েবানা জানাজা ও কফিন কর্মসূচির পরে হলগুলো নিয়ন্ত্রণে নেন তাঁরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ পরাণ হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, সৈয়দ মুজতবা আলী হলের বেশ কিছু কক্ষ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তল্লাশি চালান বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। বেশ কিছু কক্ষে দেশীয় অস্ত্র, চাকু, পিস্তল, রিভলবার ও মদের বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায়।
রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে ছবিটি জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তরের এক প্রতিবেদনেও পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, হল প্রশাসন বরাবর লিখিত বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা শাহ পরাণ হলের ছাত্রলীগের দখলকৃত রুমগুলো তল্লাশি চালিয়ে ১টি রিভলবার, ১টি শটগান, বিপুলসংখ্যক দেশীয় অস্ত্র ও ১০০ টিরও অধিক মদের বোতল উদ্ধার করেছি। হলের ২০৯, ২১৪, ৪২৩, ৪২৪, ৪২৫ ও ৪২৭ নম্বর কক্ষ থেকে এসব অবৈধ সরঞ্জাম উদ্ধার করেন বলেন জানান শিক্ষার্থীরা।
ভাইরাল এ ছবিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রদের কক্ষ তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
ছবি যাচাই ২: অস্ত্রশস্ত্রসহ তরুণদের ছবি
রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাকেও একই ছবি পাওয়া যায়। সংবাদমাধ্যমটিতে আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভাইরাল এ ছবিও শাবিপ্রবির বিভিন্ন হলের ছাত্রলীগ নেতাদের কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধারের সময়কার। ইংরেজি দৈনিক দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রেও ছবিটি সম্পর্কে একই তথ্য পাওয়া যায়।
অর্থাৎ, ভাইরাল ছবিগুলো তোলা হয়েছে শাবিপ্রবির বিভিন্ন হলের ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধারের পর।

কোটা আন্দোলনের চলমান প্রেক্ষাপটে ফেসবুকে দেশীয় অস্ত্র, পিস্তল, রিভলবারসহ কিছু অস্ত্রশস্ত্রের ছবি ভাইরাল হয়েছে। ‘কামরুজ্জামান খান (Kamruzzaman Khan)’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিগুলো শেয়ার করে দাবি করেন, এসব অস্ত্র সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের। কোটা আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা হলে এসব অস্ত্র নিয়ে উল্লাস করছেন।
আরেকটি পোস্টে কিছু শিক্ষার্থীর ছবি শেয়ার করে দাবি করা হয়েছে, ‘অসাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি উদ্দেশ্য করে জিজ্ঞেস করি, অস্ত্রগুলো এখন যাদের কাছে আছে তারা কি অন্যদের জন্য নিরাপদ? এদের কি নিরস্ত্র করা জরুরি কিনা?’
আবার ‘সফেদ আশফাক তুহিন’ নামের আরেকটি অ্যাকাউন্ট থেকে অস্ত্রশস্ত্রের ছবিটি শেয়ার করে দাবি করা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে অসাধারণ কোঠা বিরোধী ছাত্রদের রুম তল্লাশি করে উদ্ধারকৃত।’
আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভাইরাল ছবিগুলো সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলের ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ছবি যাচাই ১: দেশীয় অস্ত্র, চাকু, পিস্তল, রিভলবার
আজকের পত্রিকার শাবিপ্রবি প্রতিনিধির পাঠানো প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ছাত্রদের আবাসিক হল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার দুপুরে গায়েবানা জানাজা ও কফিন কর্মসূচির পরে হলগুলো নিয়ন্ত্রণে নেন তাঁরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ পরাণ হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, সৈয়দ মুজতবা আলী হলের বেশ কিছু কক্ষ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তল্লাশি চালান বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। বেশ কিছু কক্ষে দেশীয় অস্ত্র, চাকু, পিস্তল, রিভলবার ও মদের বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায়।
রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে ছবিটি জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তরের এক প্রতিবেদনেও পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, হল প্রশাসন বরাবর লিখিত বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা শাহ পরাণ হলের ছাত্রলীগের দখলকৃত রুমগুলো তল্লাশি চালিয়ে ১টি রিভলবার, ১টি শটগান, বিপুলসংখ্যক দেশীয় অস্ত্র ও ১০০ টিরও অধিক মদের বোতল উদ্ধার করেছি। হলের ২০৯, ২১৪, ৪২৩, ৪২৪, ৪২৫ ও ৪২৭ নম্বর কক্ষ থেকে এসব অবৈধ সরঞ্জাম উদ্ধার করেন বলেন জানান শিক্ষার্থীরা।
ভাইরাল এ ছবিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রদের কক্ষ তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
ছবি যাচাই ২: অস্ত্রশস্ত্রসহ তরুণদের ছবি
রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাকেও একই ছবি পাওয়া যায়। সংবাদমাধ্যমটিতে আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভাইরাল এ ছবিও শাবিপ্রবির বিভিন্ন হলের ছাত্রলীগ নেতাদের কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধারের সময়কার। ইংরেজি দৈনিক দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রেও ছবিটি সম্পর্কে একই তথ্য পাওয়া যায়।
অর্থাৎ, ভাইরাল ছবিগুলো তোলা হয়েছে শাবিপ্রবির বিভিন্ন হলের ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধারের পর।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫