ফ্যাক্টচেক ডেস্ক
জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগাম পর্যটন এলাকায় গত ২২ এপ্রিল বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনাকেন্দ্রিক ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন করে আবারও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় পুলিশের দাবি, হামলাকারীরা সবাই পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তাইয়েবার সঙ্গে জড়িত। পরে জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তানের লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি) বরাবর বিভিন্ন সময়ে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির তথ্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
এসবের মধ্যে চীন-ভারত সীমান্তে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সংঘর্ষে জড়িয়েছে—এমন দাবিতে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি একই ক্যাপশনে ফেসবুকের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপে পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিওতে পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিহিত দুই পক্ষকে সংঘর্ষে জড়াতে দেখা যায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষকেই লাঠিসোঁটা দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায়।
‘লি ট ন’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ মে) ভোররাত ৪টা ১২ মিনিটে পোস্ট করা ভিডিওটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘ভারত চিন সিমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।’ (বানান অপরিবর্তিত)
২ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভিডিওটি আজ শুক্রবার (২ মে) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৪ লাখ বার দেখা হয়েছে, রিঅ্যাকশন পড়েছে ৪ হাজার ১০০টি। এ ছাড়া এতে ৬১২টি কমেন্ট পড়েছে এবং শেয়ার হয়েছে ১৫ হাজার বার। এসব কমেন্টে কিছু ফেসবুক ব্যবহারকারী ভিডিওটি পুরোনো বলে উল্লেখ করেছেন। আবার অনেকে সাম্প্রতিক ঘটনা মনে করে কমেন্ট করেছেন।
Md Abdur Salam Sorker নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়েছে, ‘ভারতের সাথে চিনের খেলা শুরু হয়ে গেছে দেখতে থাকুন জয় হবে।’ (বানান অপরিবর্তিত) Mohammed Karim লিখেছে, ‘ভারতের দুর্বল সেনাবাহিনী দেরকে হটিয়ে দাও।’ (বানান অপরিবর্তিত)
Amar Desh, Sagor SB. এবং Badal Khandakar নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে Pinaki Bhattacharya Fan Official নামের গ্রুপে একই ক্যাপশনে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে।
ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করে যুক্তরাজ্যে থেকে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক ‘ডেইলি মেইল’–এর ওয়েবসাইটের একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ভিডিওতে (আর্কাইভ) একই দৃশ্য দেখা যায়। প্রতিবেদনটি ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত। এর সঙ্গে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর পাহাড়ের পরিবেশ, সেনাসদস্যদের পোশাক, তাঁদের হাতাহাতির দৃশ্যের মিল রয়েছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরুতে চীন ও ভারতের সীমান্তে দুই দেশের সেনাসদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারও আগে চীন ও ভারতীয় সেনাদের ভিন্ন ঘটনায় হাতাহাতির পুরোনো এই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ধারণ করার সম্ভাবনার কথা জানায় সংবাদমাধ্যমটি।
একই রিভার্স ইমেজ সার্চে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর একটি দৃশ্য ইংরেজি ভাষায় সম্প্রচারিত ভারতীয় বেসরকারি ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যম ডাব্লিওআইওএন-এর ওয়েবসাইটে ২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে পাওয়া যায়।

এই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ৯ ডিসেম্বর উত্তর-পূর্ব ভারতের অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চীন-ভারত সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনার পরে একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভিডিওটি কমপক্ষে এক বছরের পুরোনো।
এ ছাড়া চীন-ভারত সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হওয়ার বিষয়ে গুগলে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ অনুসন্ধানে চীন, ভারতসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুতরাং, সম্প্রতি চীন-ভারতের সীমান্তে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে জড়ানোর দাবিটি সত্য নয়। একই দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভিডিওটিও পুরোনো।
জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগাম পর্যটন এলাকায় গত ২২ এপ্রিল বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনাকেন্দ্রিক ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন করে আবারও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় পুলিশের দাবি, হামলাকারীরা সবাই পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তাইয়েবার সঙ্গে জড়িত। পরে জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তানের লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি) বরাবর বিভিন্ন সময়ে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির তথ্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
এসবের মধ্যে চীন-ভারত সীমান্তে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সংঘর্ষে জড়িয়েছে—এমন দাবিতে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি একই ক্যাপশনে ফেসবুকের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপে পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিওতে পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিহিত দুই পক্ষকে সংঘর্ষে জড়াতে দেখা যায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষকেই লাঠিসোঁটা দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায়।
‘লি ট ন’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার (১ মে) ভোররাত ৪টা ১২ মিনিটে পোস্ট করা ভিডিওটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘ভারত চিন সিমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।’ (বানান অপরিবর্তিত)
২ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভিডিওটি আজ শুক্রবার (২ মে) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৪ লাখ বার দেখা হয়েছে, রিঅ্যাকশন পড়েছে ৪ হাজার ১০০টি। এ ছাড়া এতে ৬১২টি কমেন্ট পড়েছে এবং শেয়ার হয়েছে ১৫ হাজার বার। এসব কমেন্টে কিছু ফেসবুক ব্যবহারকারী ভিডিওটি পুরোনো বলে উল্লেখ করেছেন। আবার অনেকে সাম্প্রতিক ঘটনা মনে করে কমেন্ট করেছেন।
Md Abdur Salam Sorker নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়েছে, ‘ভারতের সাথে চিনের খেলা শুরু হয়ে গেছে দেখতে থাকুন জয় হবে।’ (বানান অপরিবর্তিত) Mohammed Karim লিখেছে, ‘ভারতের দুর্বল সেনাবাহিনী দেরকে হটিয়ে দাও।’ (বানান অপরিবর্তিত)
Amar Desh, Sagor SB. এবং Badal Khandakar নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে Pinaki Bhattacharya Fan Official নামের গ্রুপে একই ক্যাপশনে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে।
ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করে যুক্তরাজ্যে থেকে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক ‘ডেইলি মেইল’–এর ওয়েবসাইটের একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ভিডিওতে (আর্কাইভ) একই দৃশ্য দেখা যায়। প্রতিবেদনটি ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত। এর সঙ্গে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর পাহাড়ের পরিবেশ, সেনাসদস্যদের পোশাক, তাঁদের হাতাহাতির দৃশ্যের মিল রয়েছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরুতে চীন ও ভারতের সীমান্তে দুই দেশের সেনাসদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারও আগে চীন ও ভারতীয় সেনাদের ভিন্ন ঘটনায় হাতাহাতির পুরোনো এই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ধারণ করার সম্ভাবনার কথা জানায় সংবাদমাধ্যমটি।
একই রিভার্স ইমেজ সার্চে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর একটি দৃশ্য ইংরেজি ভাষায় সম্প্রচারিত ভারতীয় বেসরকারি ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যম ডাব্লিওআইওএন-এর ওয়েবসাইটে ২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে পাওয়া যায়।

এই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ৯ ডিসেম্বর উত্তর-পূর্ব ভারতের অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চীন-ভারত সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনার পরে একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভিডিওটি কমপক্ষে এক বছরের পুরোনো।
এ ছাড়া চীন-ভারত সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হওয়ার বিষয়ে গুগলে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ অনুসন্ধানে চীন, ভারতসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুতরাং, সম্প্রতি চীন-ভারতের সীমান্তে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে জড়ানোর দাবিটি সত্য নয়। একই দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভিডিওটিও পুরোনো।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫