ফ্যাক্টচেক ডেস্ক
রাজধানীর বনশ্রীর ডি ব্লকের ৭ নম্বর রোডে গত রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে এসে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বর্ণ ও টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার দাবিতে গতকাল সোমবার ‘রামপুরা ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে বনশ্রীতে মশাল মিছিল হয়েছে।
এরই মধ্যে, ঢাকা নবাবপুরের স্বর্ণ কারিগরের দোকানে ডাকাতের হামলা— এমন দাবিতে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে প্রায় একই ক্যাপশনে ছড়ানো হয়েছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে চারজনকে মেঝেতে বসে কাজ করতে দেখা যায়। একজনের পাশে একটি শিশুও বসা। হঠাৎ দুইজন প্রবেশ করে একজন রামদা, অন্যজন পিস্তল দেখিয়ে তাঁদের জিম্মি করে এবং মালামাল ব্যাগে ও পকেটে পুরতে থাকে।
‘Al-Naheean Khan Joy’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ২টা ৩৩ মিনিটে প্রকাশিত পোস্টটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘কোন দেশে আছি আমরা. . ! আজ দেশের কোথায়ও নিরাপত্তা নাই।’ (বানান অপরিবর্তিত)
আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভিডিওটি ১ লাখ ৯১ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং রিঅ্যাকশন পড়েছে ১ হাজার ৯০০। পোস্টটিতে ১৮১টি কমেন্ট পড়েছে এবং শেয়ার হয়েছে ১ হাজার ১০০। এসব কমেন্টে ভিডিওটি পুরোনো বলে অনেকেই কমেন্ট করেছেন। অনেকে সত্য মনে করেও কমেন্ট করেছেন। Hafsa Akther নামে অ্যাকাউন্ট থেকে লিখেছে, ‘আরে ভাই বুঝেননা এইটা হচ্ছে নতুন স্বাধীন বাংলাদেশে আছেন।’ Forhad Reza লিখেছে, ‘ভাই বাংলাদেশের জনগণের জন্য ঠিক আছে।’
‘মোহাম্মদ বশার’ ও ‘Aj Tuhin’ নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও একই ক্যাপশনে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে।
‘কে এ সোহাগ যুবলীগ-ফেনী’ নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ২টা ৪৪ মিনিটে একই ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘আজকে ঢাকা নবাবপুর রোডে একটি স্বর্ণ কারিগরের মেরামত এর দোকানে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায় ডাকাত রা সবকিছু নিয়ে যায়। কোন দেশে আছি আমরা. . ! আজ দেশের কোথায়ও নিরাপত্তা নাই।’
ভিডিওটির কিছু কি–ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করা হলে Vivek Gupta নামে এক্স অ্যাকাউন্টে একই ভিডিওটি পাওয়া যায়। ভিডিওটি ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই পোস্ট করা হয়।

ভিডিওর ক্যাপশনটি হিন্দি ভাষায় লেখা। স্বয়ংক্রিয় অনুবাদ করে জানা যায়, ভারতের মহারাষ্ট্রের সাতারায় ছুরি ও আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ২৬ লাখ মূল্যের জুয়েলারি লুট করেছে ডাকাতেরা।
এসব তথ্যসূত্র গুগলে সার্চ করে ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের ইংরেজি ভাষার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লোকমাত টাইমসের একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই প্রকাশিত। প্রতিবেদনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর একটি দৃশ্যও পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভারতের মহারাষ্ট্রের সাতারায় ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই শ্রমিকদের আগ্নেয়াস্ত্র ও রামদা ঠেকিয়ে ডাকাতরা একটি জুয়েলারি কারখানা লুট করে।
সুতরাং, ঢাকা নবাবপুরের স্বর্ণ কারিগরের দোকানে ডাকাতি— দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পুরোনো। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের সাতারায় ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই একটি জুয়েলারি কারখানায় ডাকাতির ঘটনা সেটি।
রাজধানীর বনশ্রীর ডি ব্লকের ৭ নম্বর রোডে গত রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে এসে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বর্ণ ও টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার দাবিতে গতকাল সোমবার ‘রামপুরা ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে বনশ্রীতে মশাল মিছিল হয়েছে।
এরই মধ্যে, ঢাকা নবাবপুরের স্বর্ণ কারিগরের দোকানে ডাকাতের হামলা— এমন দাবিতে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে প্রায় একই ক্যাপশনে ছড়ানো হয়েছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে চারজনকে মেঝেতে বসে কাজ করতে দেখা যায়। একজনের পাশে একটি শিশুও বসা। হঠাৎ দুইজন প্রবেশ করে একজন রামদা, অন্যজন পিস্তল দেখিয়ে তাঁদের জিম্মি করে এবং মালামাল ব্যাগে ও পকেটে পুরতে থাকে।
‘Al-Naheean Khan Joy’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ২টা ৩৩ মিনিটে প্রকাশিত পোস্টটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘কোন দেশে আছি আমরা. . ! আজ দেশের কোথায়ও নিরাপত্তা নাই।’ (বানান অপরিবর্তিত)
আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভিডিওটি ১ লাখ ৯১ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং রিঅ্যাকশন পড়েছে ১ হাজার ৯০০। পোস্টটিতে ১৮১টি কমেন্ট পড়েছে এবং শেয়ার হয়েছে ১ হাজার ১০০। এসব কমেন্টে ভিডিওটি পুরোনো বলে অনেকেই কমেন্ট করেছেন। অনেকে সত্য মনে করেও কমেন্ট করেছেন। Hafsa Akther নামে অ্যাকাউন্ট থেকে লিখেছে, ‘আরে ভাই বুঝেননা এইটা হচ্ছে নতুন স্বাধীন বাংলাদেশে আছেন।’ Forhad Reza লিখেছে, ‘ভাই বাংলাদেশের জনগণের জন্য ঠিক আছে।’
‘মোহাম্মদ বশার’ ও ‘Aj Tuhin’ নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেও একই ক্যাপশনে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে।
‘কে এ সোহাগ যুবলীগ-ফেনী’ নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ২টা ৪৪ মিনিটে একই ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘আজকে ঢাকা নবাবপুর রোডে একটি স্বর্ণ কারিগরের মেরামত এর দোকানে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায় ডাকাত রা সবকিছু নিয়ে যায়। কোন দেশে আছি আমরা. . ! আজ দেশের কোথায়ও নিরাপত্তা নাই।’
ভিডিওটির কিছু কি–ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করা হলে Vivek Gupta নামে এক্স অ্যাকাউন্টে একই ভিডিওটি পাওয়া যায়। ভিডিওটি ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই পোস্ট করা হয়।

ভিডিওর ক্যাপশনটি হিন্দি ভাষায় লেখা। স্বয়ংক্রিয় অনুবাদ করে জানা যায়, ভারতের মহারাষ্ট্রের সাতারায় ছুরি ও আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ২৬ লাখ মূল্যের জুয়েলারি লুট করেছে ডাকাতেরা।
এসব তথ্যসূত্র গুগলে সার্চ করে ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের ইংরেজি ভাষার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লোকমাত টাইমসের একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই প্রকাশিত। প্রতিবেদনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর একটি দৃশ্যও পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভারতের মহারাষ্ট্রের সাতারায় ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই শ্রমিকদের আগ্নেয়াস্ত্র ও রামদা ঠেকিয়ে ডাকাতরা একটি জুয়েলারি কারখানা লুট করে।
সুতরাং, ঢাকা নবাবপুরের স্বর্ণ কারিগরের দোকানে ডাকাতি— দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পুরোনো। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের সাতারায় ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই একটি জুয়েলারি কারখানায় ডাকাতির ঘটনা সেটি।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫