মো. আতাউর রহমান, জয়পুরহাট

১৯৯৫ সাল থেকে ইঁদুর ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এ জন্য তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন। বলা হচ্ছে, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলেকপুর ইউনিয়নের ভট্টপশালী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের কথা।
আনোয়ার এখন নিজ জেলার বাইরে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা, গ্রামগঞ্জ-হাটবাজার ও পাড়া-মহল্লায় যান। মানুষের বসতবাড়ি ও ভিটেমাটি থেকে সুকৌশলে ইঁদুর ধরেন। বিনিময়ে লোকজন তাঁকে নানা খাদ্যদ্রব্য, টাকা এবং অন্যান্য উপহার দেন। ইঁদুর ধরার পাশাপাশি ইঁদুর নিধনের ওষুধও বিক্রি করেন তিনি। তা দিয়েই চলে স্ত্রী আর দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার।
ইতিমধ্যে ইঁদুর নিধনের জন্য তিনি পদক আর সনদ পেয়ে স্থানীয় এবং জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন। ২০০৪ সালে ২৩ হাজার ৪৫১টি ইঁদুর নিধনের জন্য তাঁকে কৃষি বিভাগ জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত করেছেন।
আনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১০-১২ বছর বয়সে আমি অন্যের গরু-ছাগল চরাতাম। বিনিময় পেতাম তিন বেলা খাবার আর কাপড়-চোপড়। গরু-ছাগল চরানোর সময় লক্ষ্য করি—ধান দিলে মুড়ি আর মোয়া দেন দোকানিরা। তখন গরু-ছাগল চরানোর মধ্যেই ধান কুড়াতাম। ইঁদুরের গর্ত কেটে ধান সংগ্রহ করতাম। তখন ইঁদুর মারতাম এবং ধরতাম। কিন্তু গর্ত খুঁড়ে ইঁদুর ধরা কঠিন। তাই বিকল্প উপায় চিন্তা করি। এক দিন কলাগাছের মাথার কাণ্ড দিয়ে ইঁদুরের গর্তের নতুন মাটির কাছে নকল গর্ত তৈরি করি। লক্ষ করি, নকল গর্তে ইঁদুর আসে। তখন নকল গর্ত থেকে ইঁদুর ধরে সেগুলোর লেজ সংগ্রহ করি। আর বাসাবাড়ির ইঁদুর ধরার জন্য ছিদ্রযুক্ত পাইপ ব্যবহার করে সফল হই।’
১৯৯৫ সালে এক দিন আক্কেলপুরের তৎকালীন কৃষি কর্মকর্তা ইসাহাকের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। তিনি আনোয়ারকে ২০০টি ইঁদুরের লেজ তাঁর কার্যালয়ে জমা দিতে বলেন। তাঁর কথামতো সাত দিন পর তিনি ২০০টি ইঁদুরের লেজ জমা দিয়ে ৩০ কেজি গম সংগ্রহ করেন। পরের সপ্তাহে আরও ২০০টি লেজ জমা দিয়ে ২৫ কেজি চাল সংগ্রহ করেন। এভাবেই ইঁদুর ধরাকে তিনি জীবিকা নির্বাহের পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন।
এ বছর স্থানীয় কৃষি বিভাগ তাঁকে ১ হাজার ৫০০ টাকা উপহার দিয়েছেন। এভাবে এখন তিনি প্রতিদিন ২০-৫০টি ইঁদুর ধরেন। এ পর্যন্ত তিনি ৫৭ জনকে ইঁদুর ধরার কৌশল শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই এখন ইঁদুর ধরেই জীবিকা নির্বাহ করেছেন। বর্তমানে তাঁর সঙ্গে যে শিষ্য আছেন, তাঁর নাম বিল্লাল। বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঠাকুরপুর গ্রামে।
শিষ্য বিল্লাল জানান, তাঁর ভাই হেলাল ছিলেন আনোয়ার হোসেনের শিষ্য। তাঁর সঙ্গেই আসেন এই গুরুর কাছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক বাবলু কুমার সূত্রধর বলেন, ‘ইঁদুর নিধন করে আনোয়ার নিজের যেমন উপকার করছেন, তেমনি উপকার করছেন কৃষকের এবং দেশের। আমি তাঁর মঙ্গলকামনা করি।’

১৯৯৫ সাল থেকে ইঁদুর ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এ জন্য তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন। বলা হচ্ছে, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলেকপুর ইউনিয়নের ভট্টপশালী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের কথা।
আনোয়ার এখন নিজ জেলার বাইরে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা, গ্রামগঞ্জ-হাটবাজার ও পাড়া-মহল্লায় যান। মানুষের বসতবাড়ি ও ভিটেমাটি থেকে সুকৌশলে ইঁদুর ধরেন। বিনিময়ে লোকজন তাঁকে নানা খাদ্যদ্রব্য, টাকা এবং অন্যান্য উপহার দেন। ইঁদুর ধরার পাশাপাশি ইঁদুর নিধনের ওষুধও বিক্রি করেন তিনি। তা দিয়েই চলে স্ত্রী আর দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার।
ইতিমধ্যে ইঁদুর নিধনের জন্য তিনি পদক আর সনদ পেয়ে স্থানীয় এবং জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন। ২০০৪ সালে ২৩ হাজার ৪৫১টি ইঁদুর নিধনের জন্য তাঁকে কৃষি বিভাগ জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত করেছেন।
আনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১০-১২ বছর বয়সে আমি অন্যের গরু-ছাগল চরাতাম। বিনিময় পেতাম তিন বেলা খাবার আর কাপড়-চোপড়। গরু-ছাগল চরানোর সময় লক্ষ্য করি—ধান দিলে মুড়ি আর মোয়া দেন দোকানিরা। তখন গরু-ছাগল চরানোর মধ্যেই ধান কুড়াতাম। ইঁদুরের গর্ত কেটে ধান সংগ্রহ করতাম। তখন ইঁদুর মারতাম এবং ধরতাম। কিন্তু গর্ত খুঁড়ে ইঁদুর ধরা কঠিন। তাই বিকল্প উপায় চিন্তা করি। এক দিন কলাগাছের মাথার কাণ্ড দিয়ে ইঁদুরের গর্তের নতুন মাটির কাছে নকল গর্ত তৈরি করি। লক্ষ করি, নকল গর্তে ইঁদুর আসে। তখন নকল গর্ত থেকে ইঁদুর ধরে সেগুলোর লেজ সংগ্রহ করি। আর বাসাবাড়ির ইঁদুর ধরার জন্য ছিদ্রযুক্ত পাইপ ব্যবহার করে সফল হই।’
১৯৯৫ সালে এক দিন আক্কেলপুরের তৎকালীন কৃষি কর্মকর্তা ইসাহাকের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। তিনি আনোয়ারকে ২০০টি ইঁদুরের লেজ তাঁর কার্যালয়ে জমা দিতে বলেন। তাঁর কথামতো সাত দিন পর তিনি ২০০টি ইঁদুরের লেজ জমা দিয়ে ৩০ কেজি গম সংগ্রহ করেন। পরের সপ্তাহে আরও ২০০টি লেজ জমা দিয়ে ২৫ কেজি চাল সংগ্রহ করেন। এভাবেই ইঁদুর ধরাকে তিনি জীবিকা নির্বাহের পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন।
এ বছর স্থানীয় কৃষি বিভাগ তাঁকে ১ হাজার ৫০০ টাকা উপহার দিয়েছেন। এভাবে এখন তিনি প্রতিদিন ২০-৫০টি ইঁদুর ধরেন। এ পর্যন্ত তিনি ৫৭ জনকে ইঁদুর ধরার কৌশল শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই এখন ইঁদুর ধরেই জীবিকা নির্বাহ করেছেন। বর্তমানে তাঁর সঙ্গে যে শিষ্য আছেন, তাঁর নাম বিল্লাল। বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঠাকুরপুর গ্রামে।
শিষ্য বিল্লাল জানান, তাঁর ভাই হেলাল ছিলেন আনোয়ার হোসেনের শিষ্য। তাঁর সঙ্গেই আসেন এই গুরুর কাছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক বাবলু কুমার সূত্রধর বলেন, ‘ইঁদুর নিধন করে আনোয়ার নিজের যেমন উপকার করছেন, তেমনি উপকার করছেন কৃষকের এবং দেশের। আমি তাঁর মঙ্গলকামনা করি।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫