শেখ আবু হাসান, খুলনা

দুই দফা করোনাভাইরাসের ঢেউ এবং বর্ষা মৌসুমের কারণে খুলনা মহানগরীর ড্রেনেজ, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়নের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়ক সংস্কার না হওয়ায় নগরবাসীর দুর্ভোগ বেড়েছে। এ ছাড়া বর্ষা মৌসুম দীর্ঘ হওয়ায় এসব সড়কে গর্ত বা খানাখন্দ বেড়েছে। এ কারণে সব ধরনের যানবাহন ও পথচারী চলাচলেও বেড়েছে ভোগান্তি।
বর্তমানে খুলনা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ এসব উন্নয়ন ও সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক গতকাল মহানগরীর ড্রেন, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে সিটি করপোরেশন উদ্যোগ গ্রহণ করে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়। সে অনুযায়ী ২০২০ সালের প্রথমদিকে নগরীর ড্রেনগুলো প্রশস্তকরণ, সড়ক সংস্কার ও দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত নির্মাণকাজ শুরু করে। কিন্তু মাঝপথে করোনা ঢেউ শুরু হলে কাজ ব্যাহত হয়। পরে করোনার প্রভাব কিছুটা কমে এলেও শুরু হয় বর্ষা মৌসুম। বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাতে আরেক দফা উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত হয়। সব মিলিয়ে নগর উন্নয়নের কাজ অনেকটা পিছিয়ে পড়ে।
এর ফলে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বেশ কয়েকটি সড়ক বেহাল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নগরীর আহসান আহম্মেদ রোড, সামছুর রহমান রোড, সিমেট্রি রোড, ফারাজী পাড়া মেইন রোড, খালিশপুর ১৮ নম্বর রোড, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, রতন সেন সরণি, রূপসা স্ট্যান্ড রোড, টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড সংস্কারের অভাবে যান ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে করোনার প্রভাব ও বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় খুলনা সিটি করপোরেশন এসব সড়ক ও ফুটপাত দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বলে কেসিসি সূত্রে জানা যায়।
গতকাল সকাল ৯টায় নগরীর আহসান আহমেদ রোড ও সামছুর রহমান রোডের ড্রেন, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করতে আসেন মেয়র। এ সময় তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণ তাঁর নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ। সে উদ্দেশ্যে তিনি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এ প্রকল্প হাতে নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেসিসিকে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর অপ্রশস্ত ড্রেনগুলো প্রশস্তকরণ, সড়ক সংস্কার ও দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করে মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে উন্নয়নকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পুনরায় কাজ শুরু হলেও বর্ষা মৌসুম আসায় এবং টানা বৃষ্টিপাতের কারণে উন্নয়ন আবারও বাধাগ্রস্ত হয়। সময়মতো ড্রেন, সড়ক ও ফুটপাত উন্নয়ন না হওয়ায় নগরবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গুণগত মান ঠিক রেখে দ্রুত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার জন্য কেসিসি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) অসহযোগিতা ও সমন্বয় না হওয়ায় খুলনা মহানগরীর উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কেডিএ নগরীতে যেসব আবাসন প্রকল্প করেছে, সেগুলোতে ড্রেন নির্মাণ করা হয়নি, রাখা হয়নি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নেই কোনো পার্ক ও খেলার মাঠ। নাগরিক সুবিধা কম থাকায় এসব আবাসনের হোল্ডিং মালিকদের কাছে ট্যাক্স নিতে কেসিসিকে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এর দায় কেডিএ নিচ্ছে না। নগরীর সব ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কেসিসি নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালাবে।

দুই দফা করোনাভাইরাসের ঢেউ এবং বর্ষা মৌসুমের কারণে খুলনা মহানগরীর ড্রেনেজ, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়নের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়ক সংস্কার না হওয়ায় নগরবাসীর দুর্ভোগ বেড়েছে। এ ছাড়া বর্ষা মৌসুম দীর্ঘ হওয়ায় এসব সড়কে গর্ত বা খানাখন্দ বেড়েছে। এ কারণে সব ধরনের যানবাহন ও পথচারী চলাচলেও বেড়েছে ভোগান্তি।
বর্তমানে খুলনা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ এসব উন্নয়ন ও সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক গতকাল মহানগরীর ড্রেন, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে সিটি করপোরেশন উদ্যোগ গ্রহণ করে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়। সে অনুযায়ী ২০২০ সালের প্রথমদিকে নগরীর ড্রেনগুলো প্রশস্তকরণ, সড়ক সংস্কার ও দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত নির্মাণকাজ শুরু করে। কিন্তু মাঝপথে করোনা ঢেউ শুরু হলে কাজ ব্যাহত হয়। পরে করোনার প্রভাব কিছুটা কমে এলেও শুরু হয় বর্ষা মৌসুম। বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাতে আরেক দফা উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত হয়। সব মিলিয়ে নগর উন্নয়নের কাজ অনেকটা পিছিয়ে পড়ে।
এর ফলে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বেশ কয়েকটি সড়ক বেহাল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নগরীর আহসান আহম্মেদ রোড, সামছুর রহমান রোড, সিমেট্রি রোড, ফারাজী পাড়া মেইন রোড, খালিশপুর ১৮ নম্বর রোড, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, রতন সেন সরণি, রূপসা স্ট্যান্ড রোড, টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড সংস্কারের অভাবে যান ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে করোনার প্রভাব ও বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় খুলনা সিটি করপোরেশন এসব সড়ক ও ফুটপাত দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বলে কেসিসি সূত্রে জানা যায়।
গতকাল সকাল ৯টায় নগরীর আহসান আহমেদ রোড ও সামছুর রহমান রোডের ড্রেন, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করতে আসেন মেয়র। এ সময় তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণ তাঁর নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ। সে উদ্দেশ্যে তিনি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এ প্রকল্প হাতে নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেসিসিকে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর অপ্রশস্ত ড্রেনগুলো প্রশস্তকরণ, সড়ক সংস্কার ও দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করে মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে উন্নয়নকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পুনরায় কাজ শুরু হলেও বর্ষা মৌসুম আসায় এবং টানা বৃষ্টিপাতের কারণে উন্নয়ন আবারও বাধাগ্রস্ত হয়। সময়মতো ড্রেন, সড়ক ও ফুটপাত উন্নয়ন না হওয়ায় নগরবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গুণগত মান ঠিক রেখে দ্রুত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার জন্য কেসিসি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) অসহযোগিতা ও সমন্বয় না হওয়ায় খুলনা মহানগরীর উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কেডিএ নগরীতে যেসব আবাসন প্রকল্প করেছে, সেগুলোতে ড্রেন নির্মাণ করা হয়নি, রাখা হয়নি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নেই কোনো পার্ক ও খেলার মাঠ। নাগরিক সুবিধা কম থাকায় এসব আবাসনের হোল্ডিং মালিকদের কাছে ট্যাক্স নিতে কেসিসিকে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এর দায় কেডিএ নিচ্ছে না। নগরীর সব ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কেসিসি নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালাবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫