মহান আল্লাহ ভারসাম্যপূর্ণ উপাদানে বিশ্বজগৎ সৃষ্টি করেছেন। তা না হলে পৃথিবীতে মহাবিপর্যয় ঘটত। তাই আল্লাহর অভিপ্রায় হলো, শ্রেষ্ঠ জীব মানুষও পৃথিবীর শান্তিশৃঙ্খলা-পরিবেশ বজায় রাখবে। মাঝেমধ্যে পৃথিবীতে যে বিপদ-বিপর্যয় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যায়, তা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সীমা লঙ্ঘনকারীদের গুনাহের শাস্তি। আল্লাহ বলেন, ‘মানুষের কৃতকর্মের জন্য জলে-স্থলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে তাদের কোনো কোনো কর্মের শাস্তি আস্বাদন করানো হয়, যেন তারা সৎ পথে ফিরে আসে।’ (সুরা রুম: ৪১) রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ছোট-বড় যত দুর্ভোগ বা হয়রানি বান্দার ওপর আপতিত হয়, সবই নিজ কর্মদোষে। আর অধিকাংশই আল্লাহ ক্ষমা করে দেন।’ (বুখারি)
আল্লাহ তাআলার অবাধ্য হয়ে আমাদের পূর্ববর্তী অনেক জাতি ও জনপদ ধ্বংস হয়েছে। যেমন হজরত নুহ (আ.)-এর গোত্র আল্লাহর হুকুম অমান্য করে অবাধ্যতার চরম পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় মহাপ্লাবনে ডুবিয়ে তাদের ধ্বংস করেন। হুদ (আ.)-এর সম্প্রদায়ও একই রকম অপরাধী ছিল। তাদের প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ে ধ্বংস করেন। শুয়াইব (আ.)-এর গোত্র ওজনে কম দিত। এ ব্যাপারে তারা সীমা লঙ্ঘন করলে আল্লাহ তাদের ধ্বংস করেন। তবে মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মতকে আসমানি আজাব না দেওয়ার জন্য তিনি দোয়া করে যান। তাই তাদের সমূলে বিনাশ করবেন না আল্লাহ তাআলা। তবে মাঝেমধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপদ-আপদ দিয়ে সাবধান করা হবে।
তাই সব ধরনের গুনাহ, সীমা লঙ্ঘন এবং প্রকৃতি ধ্বংস করার মতো আত্মঘাতী কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। অতীতের কৃতকর্মের জন্য তওবা করে সংশোধন হতে হবে। না হলে দুনিয়ার শাস্তির পাশাপাশি আখেরাতে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
মুনীরুল ইসলাম, সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরাম

ইসলামে পরিচ্ছন্নতা ও সুগন্ধির গুরুত্ব অপরিসীম। রাসুলুল্লাহ (সা.) সুগন্ধি খুব পছন্দ করতেন এবং নিয়মিত ব্যবহার করতেন। সুগন্ধির প্রতি প্রিয় নবী (সা.)-এর বিশেষ অনুরাগ ছিল। তিনি ইরশাদ করেছেন, ‘চারটি বস্তু সব নবীর সুন্নত—আতর, বিয়ে, মেসওয়াক ও লজ্জাস্থান আবৃত রাখা।’ (মুসনাদে আহমাদ: ২২৪৭৮)
০৭ মার্চ ২০২৬
গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫