তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ফসলি জমিতে পুকুর খনন উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এতে একদিকে কমছে ফসলি জমি, অন্যদিকে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননে ফসলের মাঠে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ব্যাহত হচ্ছে চাষ-বাস।
জানা গেছে, অপরিকল্পিত পুকুর খননে গত এক যুগে তাড়াশের আটটি ইউনিয়নে ফসলি জমির পরিমাণ কমেছে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর। এ ছাড়া উপজেলার মাধবপুর, শ্রীকৃষ্ণপুর, বোয়ালিয়া, মঙ্গলবাড়িয়া, বাশঁবাড়িয়া, তাড়াশ পৌর এলাকার কাউরাইল, শোলাপাড়া, সরাপপুর, বোয়ালিয়া, ভায়াট, লালুয়ামাঝিড়া, কামারশোন, জাহাঙ্গীরগাতী, খুঁটিগাছা, কালিদাসনীলি, নওগাঁ, সাকইদীঘি, বিনসাড়াসহ নিচু এলাকার হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় চলতি মৌসুমে বোরোর আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করায় অনেক স্থানে বর্ষার পানি নেমে যেতে দেরি হওয়ায় রবিশস্যের আবাদ করতে পারেননি কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে উপজেলায় কৃষি জমির মোট পরিমাণ ছিল ২৫ হাজার ৪৯০ হেক্টর। আর ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে এই পরিমাণ দাঁড়ায় ২৫ হাজার ১৮০ হেক্টরে। অর্থাৎ এক বছরে কমেছে ৩১০ হেক্টর। চলতি বছরেও অনেক এলাকায় ফসলি জমিতে পুকুর খননের কাজ চলমান রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে যায়, এলাকার কিছু অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ী কৃষকদের বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে আবাদি জমি বার্ষিক লিজ নিয়ে পুকুর খনন করে মাছ চাষ করছেন। ধান চাষে প্রতি বিঘা জমিতে বছরে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার মতো লাভ থাকত চাষিদের, সেখানে পুকুর খননের জন্য তাঁদের দেওয়া হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকা। অধিক টাকার লোভে চাষিরা মৎস্যচাষিদের কাছে লিজ দিচ্ছেন তাঁদের আবাদি জমি।
উপজেলার তালম ইউনিয়নের গুল্টা গ্রামের কৃষক ছাবেদ আলী, জামাল উদ্দিন, আজগর আলীসহ একাধিক কৃষক জানান, প্রতিবছর এলাকার শত শত বিঘা ফসলি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খনন করা হচ্ছে। যত্রতত্র পুকুর খননে আশপাশের আবাদি জমিগুলোতে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। এতে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, ‘সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দুই-তিন ফসলি জমিতে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করা হচ্ছে। এতে প্রতিবছরই আবাদি জমির পরিমাণ কমছে।’
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘ফসলি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খনন প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ফসলি জমিতে পুকুর খনন উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এতে একদিকে কমছে ফসলি জমি, অন্যদিকে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননে ফসলের মাঠে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ব্যাহত হচ্ছে চাষ-বাস।
জানা গেছে, অপরিকল্পিত পুকুর খননে গত এক যুগে তাড়াশের আটটি ইউনিয়নে ফসলি জমির পরিমাণ কমেছে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর। এ ছাড়া উপজেলার মাধবপুর, শ্রীকৃষ্ণপুর, বোয়ালিয়া, মঙ্গলবাড়িয়া, বাশঁবাড়িয়া, তাড়াশ পৌর এলাকার কাউরাইল, শোলাপাড়া, সরাপপুর, বোয়ালিয়া, ভায়াট, লালুয়ামাঝিড়া, কামারশোন, জাহাঙ্গীরগাতী, খুঁটিগাছা, কালিদাসনীলি, নওগাঁ, সাকইদীঘি, বিনসাড়াসহ নিচু এলাকার হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় চলতি মৌসুমে বোরোর আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করায় অনেক স্থানে বর্ষার পানি নেমে যেতে দেরি হওয়ায় রবিশস্যের আবাদ করতে পারেননি কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে উপজেলায় কৃষি জমির মোট পরিমাণ ছিল ২৫ হাজার ৪৯০ হেক্টর। আর ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে এই পরিমাণ দাঁড়ায় ২৫ হাজার ১৮০ হেক্টরে। অর্থাৎ এক বছরে কমেছে ৩১০ হেক্টর। চলতি বছরেও অনেক এলাকায় ফসলি জমিতে পুকুর খননের কাজ চলমান রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে যায়, এলাকার কিছু অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ী কৃষকদের বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে আবাদি জমি বার্ষিক লিজ নিয়ে পুকুর খনন করে মাছ চাষ করছেন। ধান চাষে প্রতি বিঘা জমিতে বছরে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার মতো লাভ থাকত চাষিদের, সেখানে পুকুর খননের জন্য তাঁদের দেওয়া হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকা। অধিক টাকার লোভে চাষিরা মৎস্যচাষিদের কাছে লিজ দিচ্ছেন তাঁদের আবাদি জমি।
উপজেলার তালম ইউনিয়নের গুল্টা গ্রামের কৃষক ছাবেদ আলী, জামাল উদ্দিন, আজগর আলীসহ একাধিক কৃষক জানান, প্রতিবছর এলাকার শত শত বিঘা ফসলি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খনন করা হচ্ছে। যত্রতত্র পুকুর খননে আশপাশের আবাদি জমিগুলোতে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। এতে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, ‘সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দুই-তিন ফসলি জমিতে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করা হচ্ছে। এতে প্রতিবছরই আবাদি জমির পরিমাণ কমছে।’
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘ফসলি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খনন প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫