
দেশে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় টিকা কর্মসূচির শুরুতে প্রথম টিকা নিয়েছিলেন রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা। সেই রুনুকে দিয়েই করোনার বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ।
রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সিভিল সার্জনসে (বিসিপিএস) গতকাল রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক করোনার বুস্টার ডোজ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। শুরুতে টিকা নেন জ্যেষ্ঠ নার্স রুনু। এরপর একে একে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, জাতীয় অধ্যাপক ডা. শায়লা বেগমসহ কয়েকজনকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে সম্মুখসারি ও ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭ জানুয়ারি দেশে করোনার টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। ওই দিন জ্যেষ্ঠ নার্স রুনুর টিকা গ্রহণের মধ্য দিয়েই শুরু হয় এই কর্মসূচি। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় দেশজুড়ে করোনার টিকাদান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক টিকার বুস্টার ডোজ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, প্রাথমিকভাবে সম্মুখসারি ও ষাটোর্ধ্ব বয়সীদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্মা, মডার্নাসহ এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি টিকা ব্যবহার করেছি। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রোটোকল অনুযায়ী এ ক্ষেত্রে শুধু ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে। যেকোনো টিকাই নেওয়া হোক না কেন, ফাইজার উপযুক্ত। ডব্লিউএইচও মডার্না টিকাও ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বুস্টার ডোজসংক্রান্ত সুরক্ষা অ্যাপের আপডেট এখনো সম্পন্ন হয়নি। এটি হলে মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে বুস্টার ডোজ নেওয়ার তারিখ জানানো হবে। টিকাগ্রহীতা যে কেন্দ্র থেকে আগের দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন, সেখান থেকেই বুস্টার ডোজও নিতে পারবেন। তবে অ্যাপ হালনাগাদ না হওয়া পর্যন্ত টিকা কার্ডের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চলবে। একই সঙ্গে স্বাভাবিক টিকা কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠান শেষে বুস্টার ডোজ কারা, কীভাবে এবং কবে থেকে পাবেন, তা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা রাজধানীতে শুরু করেছি। পর্যায়ক্রমে সারা দেশেই এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে বয়োজ্যেষ্ঠ এবং চিকিৎসক-নার্স, প্রশাসন, সাংবাদিকসহ যাঁরা সম্মুখসারিতে রয়েছেন, তাঁদের গুরুত্ব দিচ্ছি। এমনকি যাঁরা সংক্রমণের আশঙ্কায় রয়েছেন, বিশেষ করে যাঁদের জটিলতার শঙ্কা বেশি, মৃত্যুঝুঁকি বেশি, তাঁদের দেওয়া হবে।’
শতভাগ মানুষ টিকার আওতায় না আসা পর্যন্ত বুস্টার ডোজে দ্বিমত ছিল বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, ‘এর আগেও যখন টিকা দেওয়া শুরু করেছিলাম, তখনো কিন্তু আমরা পর্যায়ক্রমে গিয়েছি। বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রেও এমনটি করব। এটি নিতে হলে কাউকে কোনো আবেদন করতে হবে না। যিনি যে কেন্দ্রে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন, এমনকি যাঁদের টিকার সময়সীমা ছয় মাস পেরিয়েছে, তাঁদের সেসব কেন্দ্র থেকে তৃতীয় ডোজের জন্য এসএমএস দেওয়া হবে। এরপর ওই ব্যক্তি নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে এসে এসএমএস দেখিয়ে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।’
মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধিত। তাঁদের সব তথ্যও সংরক্ষিত আছে। কাজেই সমন্বয়ে কোনো সমস্যা হবে না। তবে সুরক্ষা অ্যাপ বুস্টার ডোজ কার্যক্রমের জন্য এখনো প্রস্তুত নয়। কাজ চলছে। অ্যাপের কাজ ঠিকমতো না হওয়া পর্যন্ত গ্রাম পর্যায়েও এই মুহূর্তে বুস্টার ডোজ দেওয়া যাচ্ছে না। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই অ্যাপ প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, করোনার পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়ার পর যেমন সনদ দেওয়া হয়েছে, বুস্টার ডোজেরও সনদ দেওয়া হবে। তবে সময় লাগবে।

দেশে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় টিকা কর্মসূচির শুরুতে প্রথম টিকা নিয়েছিলেন রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা। সেই রুনুকে দিয়েই করোনার বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ।
রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সিভিল সার্জনসে (বিসিপিএস) গতকাল রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক করোনার বুস্টার ডোজ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। শুরুতে টিকা নেন জ্যেষ্ঠ নার্স রুনু। এরপর একে একে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, জাতীয় অধ্যাপক ডা. শায়লা বেগমসহ কয়েকজনকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে সম্মুখসারি ও ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭ জানুয়ারি দেশে করোনার টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। ওই দিন জ্যেষ্ঠ নার্স রুনুর টিকা গ্রহণের মধ্য দিয়েই শুরু হয় এই কর্মসূচি। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় দেশজুড়ে করোনার টিকাদান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক টিকার বুস্টার ডোজ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, প্রাথমিকভাবে সম্মুখসারি ও ষাটোর্ধ্ব বয়সীদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্মা, মডার্নাসহ এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি টিকা ব্যবহার করেছি। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রোটোকল অনুযায়ী এ ক্ষেত্রে শুধু ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে। যেকোনো টিকাই নেওয়া হোক না কেন, ফাইজার উপযুক্ত। ডব্লিউএইচও মডার্না টিকাও ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বুস্টার ডোজসংক্রান্ত সুরক্ষা অ্যাপের আপডেট এখনো সম্পন্ন হয়নি। এটি হলে মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে বুস্টার ডোজ নেওয়ার তারিখ জানানো হবে। টিকাগ্রহীতা যে কেন্দ্র থেকে আগের দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন, সেখান থেকেই বুস্টার ডোজও নিতে পারবেন। তবে অ্যাপ হালনাগাদ না হওয়া পর্যন্ত টিকা কার্ডের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চলবে। একই সঙ্গে স্বাভাবিক টিকা কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠান শেষে বুস্টার ডোজ কারা, কীভাবে এবং কবে থেকে পাবেন, তা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা রাজধানীতে শুরু করেছি। পর্যায়ক্রমে সারা দেশেই এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে বয়োজ্যেষ্ঠ এবং চিকিৎসক-নার্স, প্রশাসন, সাংবাদিকসহ যাঁরা সম্মুখসারিতে রয়েছেন, তাঁদের গুরুত্ব দিচ্ছি। এমনকি যাঁরা সংক্রমণের আশঙ্কায় রয়েছেন, বিশেষ করে যাঁদের জটিলতার শঙ্কা বেশি, মৃত্যুঝুঁকি বেশি, তাঁদের দেওয়া হবে।’
শতভাগ মানুষ টিকার আওতায় না আসা পর্যন্ত বুস্টার ডোজে দ্বিমত ছিল বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, ‘এর আগেও যখন টিকা দেওয়া শুরু করেছিলাম, তখনো কিন্তু আমরা পর্যায়ক্রমে গিয়েছি। বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রেও এমনটি করব। এটি নিতে হলে কাউকে কোনো আবেদন করতে হবে না। যিনি যে কেন্দ্রে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন, এমনকি যাঁদের টিকার সময়সীমা ছয় মাস পেরিয়েছে, তাঁদের সেসব কেন্দ্র থেকে তৃতীয় ডোজের জন্য এসএমএস দেওয়া হবে। এরপর ওই ব্যক্তি নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে এসে এসএমএস দেখিয়ে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।’
মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধিত। তাঁদের সব তথ্যও সংরক্ষিত আছে। কাজেই সমন্বয়ে কোনো সমস্যা হবে না। তবে সুরক্ষা অ্যাপ বুস্টার ডোজ কার্যক্রমের জন্য এখনো প্রস্তুত নয়। কাজ চলছে। অ্যাপের কাজ ঠিকমতো না হওয়া পর্যন্ত গ্রাম পর্যায়েও এই মুহূর্তে বুস্টার ডোজ দেওয়া যাচ্ছে না। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই অ্যাপ প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, করোনার পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়ার পর যেমন সনদ দেওয়া হয়েছে, বুস্টার ডোজেরও সনদ দেওয়া হবে। তবে সময় লাগবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫