বিরস

যাঁরা প্রতিদিন বাসে আসা-যাওয়া করেন, তাঁদের প্রায় সবারই নানা রকম অভিজ্ঞতা হয়; বিশেষ করে সহযাত্রীদের কত প্যাচাল যে সহ্য করতে হয়! এ রকম এক বাসযাত্রীর একদিন পাশে বসা এক তরুণীর কথা কানে এল। তরুণীটি সম্ভবত কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ফোন কানে লাগিয়ে বেশ হাসিমুখে কাউকে বলছেন, ‘ফেসবুকে আর জ্বালাতন করিস না। তোর ফেসটাই তো বুকের মধ্যে চেপে রেখেছি।’
বাসযাত্রী রীতিমতো চমৎকৃত হলেন। বুকের মধ্যে ফেস! আর কী চাই!
খ. গাধাকে সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা বললেন, তুই আজীবন কঠোর পরিশ্রম করবি, অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি। তোর মাথায় কোনো বুদ্ধি থাকবে না। তোকে আয়ু দিলাম ৫০ বছর।
গাধা বলল, সে কী! এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন বাঁচতে চাই না। প্লিজ, আমার আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন।
সৃষ্টিকর্তা বললেন, যাহ, তোকে ২০ বছরই দিলাম।
সৃষ্টিকর্তা কুকুরকে বললেন, তুই হবি মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু, কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বেঁচে থাকবি। তোর আয়ু হবে ৩০ বছর।
কুকুর শুনে বলল, দয়া করে একটু কমিয়ে ওইটা ১৫ করে দিন। উচ্ছিষ্ট খেয়ে এত দিন বাঁচতে চাই না।
সৃষ্টিকর্তা এবারও রাজি হয়ে গেলেন।
তারপর সৃষ্টিকর্তা বানরকে বললেন, হে বানর, তোর একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক গাছে যাওয়া, আর তামশা দেখিয়ে মানুষকে বিনোদন দেওয়া। তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর।
বানর তো আবেগে কেঁদে দিল। বলল, দেবেনই যখন ১০ বছর দেন, আমি এত বড় জীবন দিয়ে কী করব? এত লাফালাফি ভালো লাগবে না।
সৃষ্টিকর্তা বললেন, যা, তা-ই হবে।
এরপর সৃষ্টিকর্তা নজর দিলেন মানুষের প্রতি। বললেন, তুমি হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ। তোমার আয়ু হবে ২০ বছর।
মানুষ তো খুশিতে পাগল হওয়ার জোগাড়। তবু আফসোস নিয়ে বলল, এত মহৎ জীবন নিয়ে মাত্র ২০ বছর? করজোড়ে সৃষ্টিকর্তাকে বলল, একটা কাজ করা যায় না? গাধার ফেরত দেওয়া ৩০, কুকুরের ১৫, বানরের ১০ বছর আমাকে দিয়ে দেওয়া যায় না?
সৃষ্টিকর্তা বললেন, নিজের ভালো পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না। যাহ, দিলাম।
সেই থেকে মানুষ হিসেবে বাঁচে ২০ বছর, পরের ৩০ বছর গাধার মতো সংসারের বোঝা টানে, তার পরের ১৫ বছর ছেলেমেয়ে যা দেয় তাই খেয়ে-পরে বেঁচে থাকে কুকুরের মতো, আর তার পরের ১০ বছর বানরের মতো, কখনো এক সন্তানের বাসা তো কখনো আরেক সন্তানের বাসায় ঘোরে আর নাতি-নাতনিদের বিনোদন দেওয়াই হয় তাঁদের প্রধান দায়িত্ব।
গ. সারা দিন রোগী দেখে, হাসপাতালের ডিউটি শেষে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরে গোসল করে এককাপ গরম চা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে গল্পে মাতলেন একজন চিকিৎসক। এমন সময় বেরসিক মোবাইলটা বেজে উঠল।
ডাক্তার সাহেব ‘হ্যালো’ বলতেই অন্য প্রান্ত থেকে ভেসে এল, ‘আমরা তিনজন, আঠারো বছরের পুরোনো সিঙ্গল মল্ট নামী হুইস্কি নিয়ে বসেছি। তুই কি আসবি?’
ডাক্তার সাহেব গম্ভীর গলায়, ‘তাই? আসছি।’ বলেই তিনি তাড়াতাড়ি পোশাক বদলে তৈরি হয়ে বেরোবেন, তখন স্ত্রী প্রশ্ন করলেন, ‘কিছু কি সিরিয়াস ব্যাপার?’
ডাক্তার সাহেব তড়িঘড়ি জবাব দিলেন, ‘মাত্র আঠারো বছর বয়স। অলরেডি তিনজন ডাক্তার পৌঁছে গেছে। আর দেরি করলে হয়তো শেষ হয়ে যাবে।’
স্ত্রীও কথা না বাড়িয়ে বললেন, ‘তাড়াতাড়ি যাও তাহলে।’
ঘ. দুই গবেষক কথা বলছিলেন খাদ্য উৎপাদন ও বণ্টনব্যবস্থা নিয়ে। একজন অপরজনকে হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন, আপনার কি ধারণা, পৃথিবীতে আবার কখনো দুর্ভিক্ষ হতে পারে?
দ্বিতীয়জনের উত্তর দিতে সময় লাগল না। অবশ্যই হতে পারে।
প্রথমজন আবার জানতে চান, সেটা কবে?
যেদিন চীনারা কাঠি ছেড়ে কাঁটাচামচ অথবা হাত দিয়ে খেতে শুরু করবে। নিরাসক্ত জবাব দ্বিতীয়জনের।
ও, তাহলে তাড়াতাড়ি হওয়ার আশঙ্কা নেই। স্বস্তির সঙ্গে স্বগতোক্তি প্রথমজনের।
ঙ. একটি রাশিয়ান রাজনৈতিক জোক।
-পুঁটি মাছ কী?
- কমিউনিজম পর্যন্ত সাঁতরে আসা তিমি মাছ!

যাঁরা প্রতিদিন বাসে আসা-যাওয়া করেন, তাঁদের প্রায় সবারই নানা রকম অভিজ্ঞতা হয়; বিশেষ করে সহযাত্রীদের কত প্যাচাল যে সহ্য করতে হয়! এ রকম এক বাসযাত্রীর একদিন পাশে বসা এক তরুণীর কথা কানে এল। তরুণীটি সম্ভবত কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ফোন কানে লাগিয়ে বেশ হাসিমুখে কাউকে বলছেন, ‘ফেসবুকে আর জ্বালাতন করিস না। তোর ফেসটাই তো বুকের মধ্যে চেপে রেখেছি।’
বাসযাত্রী রীতিমতো চমৎকৃত হলেন। বুকের মধ্যে ফেস! আর কী চাই!
খ. গাধাকে সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা বললেন, তুই আজীবন কঠোর পরিশ্রম করবি, অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি। তোর মাথায় কোনো বুদ্ধি থাকবে না। তোকে আয়ু দিলাম ৫০ বছর।
গাধা বলল, সে কী! এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন বাঁচতে চাই না। প্লিজ, আমার আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন।
সৃষ্টিকর্তা বললেন, যাহ, তোকে ২০ বছরই দিলাম।
সৃষ্টিকর্তা কুকুরকে বললেন, তুই হবি মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু, কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বেঁচে থাকবি। তোর আয়ু হবে ৩০ বছর।
কুকুর শুনে বলল, দয়া করে একটু কমিয়ে ওইটা ১৫ করে দিন। উচ্ছিষ্ট খেয়ে এত দিন বাঁচতে চাই না।
সৃষ্টিকর্তা এবারও রাজি হয়ে গেলেন।
তারপর সৃষ্টিকর্তা বানরকে বললেন, হে বানর, তোর একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক গাছে যাওয়া, আর তামশা দেখিয়ে মানুষকে বিনোদন দেওয়া। তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর।
বানর তো আবেগে কেঁদে দিল। বলল, দেবেনই যখন ১০ বছর দেন, আমি এত বড় জীবন দিয়ে কী করব? এত লাফালাফি ভালো লাগবে না।
সৃষ্টিকর্তা বললেন, যা, তা-ই হবে।
এরপর সৃষ্টিকর্তা নজর দিলেন মানুষের প্রতি। বললেন, তুমি হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ। তোমার আয়ু হবে ২০ বছর।
মানুষ তো খুশিতে পাগল হওয়ার জোগাড়। তবু আফসোস নিয়ে বলল, এত মহৎ জীবন নিয়ে মাত্র ২০ বছর? করজোড়ে সৃষ্টিকর্তাকে বলল, একটা কাজ করা যায় না? গাধার ফেরত দেওয়া ৩০, কুকুরের ১৫, বানরের ১০ বছর আমাকে দিয়ে দেওয়া যায় না?
সৃষ্টিকর্তা বললেন, নিজের ভালো পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না। যাহ, দিলাম।
সেই থেকে মানুষ হিসেবে বাঁচে ২০ বছর, পরের ৩০ বছর গাধার মতো সংসারের বোঝা টানে, তার পরের ১৫ বছর ছেলেমেয়ে যা দেয় তাই খেয়ে-পরে বেঁচে থাকে কুকুরের মতো, আর তার পরের ১০ বছর বানরের মতো, কখনো এক সন্তানের বাসা তো কখনো আরেক সন্তানের বাসায় ঘোরে আর নাতি-নাতনিদের বিনোদন দেওয়াই হয় তাঁদের প্রধান দায়িত্ব।
গ. সারা দিন রোগী দেখে, হাসপাতালের ডিউটি শেষে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরে গোসল করে এককাপ গরম চা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে গল্পে মাতলেন একজন চিকিৎসক। এমন সময় বেরসিক মোবাইলটা বেজে উঠল।
ডাক্তার সাহেব ‘হ্যালো’ বলতেই অন্য প্রান্ত থেকে ভেসে এল, ‘আমরা তিনজন, আঠারো বছরের পুরোনো সিঙ্গল মল্ট নামী হুইস্কি নিয়ে বসেছি। তুই কি আসবি?’
ডাক্তার সাহেব গম্ভীর গলায়, ‘তাই? আসছি।’ বলেই তিনি তাড়াতাড়ি পোশাক বদলে তৈরি হয়ে বেরোবেন, তখন স্ত্রী প্রশ্ন করলেন, ‘কিছু কি সিরিয়াস ব্যাপার?’
ডাক্তার সাহেব তড়িঘড়ি জবাব দিলেন, ‘মাত্র আঠারো বছর বয়স। অলরেডি তিনজন ডাক্তার পৌঁছে গেছে। আর দেরি করলে হয়তো শেষ হয়ে যাবে।’
স্ত্রীও কথা না বাড়িয়ে বললেন, ‘তাড়াতাড়ি যাও তাহলে।’
ঘ. দুই গবেষক কথা বলছিলেন খাদ্য উৎপাদন ও বণ্টনব্যবস্থা নিয়ে। একজন অপরজনকে হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন, আপনার কি ধারণা, পৃথিবীতে আবার কখনো দুর্ভিক্ষ হতে পারে?
দ্বিতীয়জনের উত্তর দিতে সময় লাগল না। অবশ্যই হতে পারে।
প্রথমজন আবার জানতে চান, সেটা কবে?
যেদিন চীনারা কাঠি ছেড়ে কাঁটাচামচ অথবা হাত দিয়ে খেতে শুরু করবে। নিরাসক্ত জবাব দ্বিতীয়জনের।
ও, তাহলে তাড়াতাড়ি হওয়ার আশঙ্কা নেই। স্বস্তির সঙ্গে স্বগতোক্তি প্রথমজনের।
ঙ. একটি রাশিয়ান রাজনৈতিক জোক।
-পুঁটি মাছ কী?
- কমিউনিজম পর্যন্ত সাঁতরে আসা তিমি মাছ!

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫