ফয়সাল পারভেজ, মাগুরা

একদিকে শীতের প্রকোপ অন্যদিকে মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মাগুরাবাসীর জীবন। বর্ষায় যেমন মশার যন্ত্রণায় নাভিশ্বাস ছিল ঠিক নভেম্বরেও জেলায় শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর উৎপাত বেড়েছে। জেলাবাসী মশার হাত থেকে রক্ষা পেতে নানা রকম ব্যবস্থা নিলেও তা ঠেকাতে পারছে না। এমনকি দিনের বেলাতেও দোকান, মার্কেট, অফিস, খেলার মাঠ শিক্ষাঙ্গনে মশার উপদ্রব। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে মশার উৎপাত আরও বেশি।
জেলা শহরে মশার উৎপাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। তাঁরা বলছেন, এতটা উৎপাত এর আগে দেখেননি। কয়েল, মশা মারার স্প্রে এমনকি ইলেকট্রিক ব্যাট দিয়েও কাজ হচ্ছে না। তাঁরা মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিতে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। এখনই ব্যবস্থা না নিলে এক সময় ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলেও তাঁরা মনে করছেন।
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো মারাত্মক মশাজনিত রোগ যদি মাগুরায় ছড়ায় তাহলে আমরা অবাক হব না বললেন কলেজপাড়ার বাসিন্দা শাহনুর রহমান। তিনি বলেন, দুই বছর অগে আমি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হই। ওই বছর শহরে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ ছিল। এক পারনান্দুয়ালীরই ২০ থেকে ৩০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। এর মধ্যে শিশুরাও ছিল।
কলেজশিক্ষক হাসানুজ্জামান বলেন, পৌর এলাকায় মশার উৎপাত নির্মূলে কোনো দৃশ্যমান কার্যক্রম আমরা দেখছি না। সমানে মশা কামড়াচ্ছে, এটা এডিস নাকি ডেঙ্গু নাকি ম্যালেরিয়া জানি না। বাড়ির পাশে পরিষ্কার করার পরও দেখছি মশা হচ্ছে। পৌর এলাকার নালাগুলো ঠিকভাবে পরিষ্কার না করায় মশার উপদ্রব বলে মনে করেন তিনি।
মাগুরা পৌরসভার (১ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড) দুই কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিটি এলাকায় মশা বেড়েছে। তাঁরা নিজেরাও চেষ্টা করছেন পৌরসভা থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না।
কলেজপাড়া, দোয়ারপাড়া, আবালপুর, ভিটেসাইর, পারনান্দুয়ালী এলাকাসহ শহরের ম্যাটারনিটি পাড়ার দুটি বৃহৎ আকারের পুকুরকে শহরের মশার কারখানা বলছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। এসব এলাকায় মশা বেড়েছে অতিমাত্রায় বলছেন স্থানীয়রা। রাতে শুধু নয় দিনের বেলায়ও বাড়িতে মশারি টানিয়ে থাকতে হয়।
নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা এক গৃহিণী কৃষ্ণা সাহা জানান, সব মশা নতুন বাজার ব্রিজ থেকে আসে। ব্রিজের নিচে বাজারের সব ময়লা ফেলা হয়। সেগুলো পৌরসভা থেকে ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না। তিনি আরও জানান, সন্তানদের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। একদিকে করোনার উৎপাত অন্যদিকে মশা নিয়ে খুব যন্ত্রণায় তাঁরা।
সদর হাসপাতালের চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম শাওন বলেন, মাগুরাতে আমরা সাধারণ মশাই দেখি। ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়াবাহিত মশা খুব একটা দেখি না। আমাদের হাসপাতালে এ বছর ডেঙ্গুর কোনো রোগী নেই। এরপরও নিজেদের সাবধানে থাকতে হবে।
মাগুরা পৌরসভায় দুই বছর আগে ডেঙ্গুর প্রকোপে মশা নিরোধে পৌর এলাকায় ফগার মেশিন দিয়ে কার্যক্রম চালালেও এ বছর এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে প্যানেল মেয়র মকবুল হাসান মাকুল জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে মাগুরা পৌরসভা।

একদিকে শীতের প্রকোপ অন্যদিকে মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মাগুরাবাসীর জীবন। বর্ষায় যেমন মশার যন্ত্রণায় নাভিশ্বাস ছিল ঠিক নভেম্বরেও জেলায় শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর উৎপাত বেড়েছে। জেলাবাসী মশার হাত থেকে রক্ষা পেতে নানা রকম ব্যবস্থা নিলেও তা ঠেকাতে পারছে না। এমনকি দিনের বেলাতেও দোকান, মার্কেট, অফিস, খেলার মাঠ শিক্ষাঙ্গনে মশার উপদ্রব। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে মশার উৎপাত আরও বেশি।
জেলা শহরে মশার উৎপাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। তাঁরা বলছেন, এতটা উৎপাত এর আগে দেখেননি। কয়েল, মশা মারার স্প্রে এমনকি ইলেকট্রিক ব্যাট দিয়েও কাজ হচ্ছে না। তাঁরা মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিতে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। এখনই ব্যবস্থা না নিলে এক সময় ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলেও তাঁরা মনে করছেন।
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো মারাত্মক মশাজনিত রোগ যদি মাগুরায় ছড়ায় তাহলে আমরা অবাক হব না বললেন কলেজপাড়ার বাসিন্দা শাহনুর রহমান। তিনি বলেন, দুই বছর অগে আমি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হই। ওই বছর শহরে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ ছিল। এক পারনান্দুয়ালীরই ২০ থেকে ৩০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। এর মধ্যে শিশুরাও ছিল।
কলেজশিক্ষক হাসানুজ্জামান বলেন, পৌর এলাকায় মশার উৎপাত নির্মূলে কোনো দৃশ্যমান কার্যক্রম আমরা দেখছি না। সমানে মশা কামড়াচ্ছে, এটা এডিস নাকি ডেঙ্গু নাকি ম্যালেরিয়া জানি না। বাড়ির পাশে পরিষ্কার করার পরও দেখছি মশা হচ্ছে। পৌর এলাকার নালাগুলো ঠিকভাবে পরিষ্কার না করায় মশার উপদ্রব বলে মনে করেন তিনি।
মাগুরা পৌরসভার (১ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড) দুই কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিটি এলাকায় মশা বেড়েছে। তাঁরা নিজেরাও চেষ্টা করছেন পৌরসভা থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না।
কলেজপাড়া, দোয়ারপাড়া, আবালপুর, ভিটেসাইর, পারনান্দুয়ালী এলাকাসহ শহরের ম্যাটারনিটি পাড়ার দুটি বৃহৎ আকারের পুকুরকে শহরের মশার কারখানা বলছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। এসব এলাকায় মশা বেড়েছে অতিমাত্রায় বলছেন স্থানীয়রা। রাতে শুধু নয় দিনের বেলায়ও বাড়িতে মশারি টানিয়ে থাকতে হয়।
নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা এক গৃহিণী কৃষ্ণা সাহা জানান, সব মশা নতুন বাজার ব্রিজ থেকে আসে। ব্রিজের নিচে বাজারের সব ময়লা ফেলা হয়। সেগুলো পৌরসভা থেকে ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না। তিনি আরও জানান, সন্তানদের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। একদিকে করোনার উৎপাত অন্যদিকে মশা নিয়ে খুব যন্ত্রণায় তাঁরা।
সদর হাসপাতালের চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম শাওন বলেন, মাগুরাতে আমরা সাধারণ মশাই দেখি। ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়াবাহিত মশা খুব একটা দেখি না। আমাদের হাসপাতালে এ বছর ডেঙ্গুর কোনো রোগী নেই। এরপরও নিজেদের সাবধানে থাকতে হবে।
মাগুরা পৌরসভায় দুই বছর আগে ডেঙ্গুর প্রকোপে মশা নিরোধে পৌর এলাকায় ফগার মেশিন দিয়ে কার্যক্রম চালালেও এ বছর এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে প্যানেল মেয়র মকবুল হাসান মাকুল জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে মাগুরা পৌরসভা।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫