সম্পাদকীয়

সত্যিই কি ছাত্ররাজনীতি আজ এমন একদিকে বাঁক নিয়েছে, যেদিকে অন্ধকার শুধু? ঘটনাগুলো মেলানো যাচ্ছে না। সত্যিই কি শিক্ষার্থীদের একাংশ এখন পড়াশোনার চেয়ে ক্ষমতার রাজনীতির ওপর ভর করে অশ্লীলতা করে বেড়াচ্ছে? এ তো শুধু একটা-দুটো অভিযোগ নয়, একের পর এক একই রকমের অভিযোগ যখন উঠছে, তখন বুঝতেই হবে সচেতন শিক্ষার্থীদের মন-মানসিকতার মধ্যেও বিষের জোগান দেওয়া হচ্ছে। এই তো কিছুদিন আগে আমরা দেখেছি শিক্ষার্থীদের বিবস্ত্র করে তাঁদের ছবি তোলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সে ছবি নাকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে দেওয়া হবে। আবার কোনো কোনো নেত্রী হুমকি দিচ্ছেন বন্ধুদের দিয়ে কোনো ছাত্রীকে ধর্ষণ করাবেন! ভাবা যায়!
আচ্ছা, এই কি তাহলে শিক্ষাজীবন থেকে আহরিত সত্য? রাজনীতি যখন রাজনীতির জায়গায় থাকে না, ক্ষমতা বা দাপট দেখানোর অস্ত্র হয়ে ওঠে, তখন এ ধরনের অনাচারের দিকে ধেয়ে যায় মানুষ। আর তখন জীবন থেকে সুচারু, সুকারু, সুকান্ত—সবকিছুর বিলোপ ঘটে এবং শুধু কদর্যতার মধ্যে আনন্দ খুঁজে পায় এই শ্রেণির মানুষ।
চুলোচুলি, হাতাহাতি, হকিস্টিক নিয়ে আক্রমণের যুগ বুঝি শেষ হয়েছে। এখন নতুন যুক্ত হয়েছে বিবস্ত্র করা অথবা ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া। সামাজিকভাবে বিশ্লেষণ করলে এটা যে একটি জাতির কতটা অধঃপতনের নমুনা, সেটা নিয়ে বলতে পারবেন সমাজবিদেরা। কিন্তু আমরা বুঝতে পারছি না, যাঁদের হাতে এই রাজনীতির লাগাম, তাঁরা কেন সেটা টেনে ধরছেন না? বিষয় তো এমন নয় যে শুধু ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনগুলোই এ রকম ঘটনা ঘটিয়ে বেড়াচ্ছে। ক্ষমতায় গেলে যেকোনো দলের ছাত্রসংগঠনই যে ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে, সে ইতিহাসও আমাদের জানা আছে এবং তার একটাই মাত্র অর্থ হয় যে ক্ষমতাসীন রাজনীতিকেরা মূলত ছাত্ররাজনীতিকে কলুষিত করে রাখতেই পছন্দ করেন। জীবন এবং প্রগতির সঙ্গে ছাত্রজীবনকে মেলানোর পরামর্শ দেওয়ার মতো মানুষও কমে যাচ্ছে। ফলে অন্যকে বিবস্ত্র করতে গিয়ে নিজের মানসিকতাকে আমরা বিবস্ত্র করে ফেলি। অন্যকে ধর্ষণ করার হুমকি দিয়ে মূলত নিজের অস্তিত্বকেই ধর্ষণ করে ফেলি। এই ভয়ানক অবস্থা থেকে বের হওয়া জরুরি।
কিন্তু কোন পথে হাঁটলে এই গোলকধাঁধা থেকে বের হওয়া যাবে? যে নেতৃত্ব এই ভয়ংকর ছাত্রনেতাদের মদদ দেন, তাঁরা যদি নিজেদের অবস্থান পাল্টে শক্ত হাতে অপকর্মগুলোর বিরুদ্ধে না দাঁড়ান, যদি এই ছাত্র নামের কলঙ্কদের শায়েস্তা না করেন, তাহলে তা দিন দিন বাড়তেই থাকবে। আরও ভয়ংকর ব্যাপার হয়ে উঠবে তখন, যখন এই বড় রাজনীতিকেরাই ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে তাঁদের এই অন্যায়গুলোকে প্রশ্রয় দিতেই থাকবেন। চোখ বন্ধ রাখবেন। কিন্তু তাঁদের এই আপাত নিস্পৃহতা আমাদের ভবিষ্যৎকে নিয়ে যাবে অতল অন্ধকারে। অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ থাকে না, সে কথাটা মনে করিয়ে দেওয়া সত্যিই জরুরি হয়ে উঠেছে। বিবস্ত্র করা বা ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া নেতা-নেত্রীদের শাস্তি দিন।

সত্যিই কি ছাত্ররাজনীতি আজ এমন একদিকে বাঁক নিয়েছে, যেদিকে অন্ধকার শুধু? ঘটনাগুলো মেলানো যাচ্ছে না। সত্যিই কি শিক্ষার্থীদের একাংশ এখন পড়াশোনার চেয়ে ক্ষমতার রাজনীতির ওপর ভর করে অশ্লীলতা করে বেড়াচ্ছে? এ তো শুধু একটা-দুটো অভিযোগ নয়, একের পর এক একই রকমের অভিযোগ যখন উঠছে, তখন বুঝতেই হবে সচেতন শিক্ষার্থীদের মন-মানসিকতার মধ্যেও বিষের জোগান দেওয়া হচ্ছে। এই তো কিছুদিন আগে আমরা দেখেছি শিক্ষার্থীদের বিবস্ত্র করে তাঁদের ছবি তোলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সে ছবি নাকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে দেওয়া হবে। আবার কোনো কোনো নেত্রী হুমকি দিচ্ছেন বন্ধুদের দিয়ে কোনো ছাত্রীকে ধর্ষণ করাবেন! ভাবা যায়!
আচ্ছা, এই কি তাহলে শিক্ষাজীবন থেকে আহরিত সত্য? রাজনীতি যখন রাজনীতির জায়গায় থাকে না, ক্ষমতা বা দাপট দেখানোর অস্ত্র হয়ে ওঠে, তখন এ ধরনের অনাচারের দিকে ধেয়ে যায় মানুষ। আর তখন জীবন থেকে সুচারু, সুকারু, সুকান্ত—সবকিছুর বিলোপ ঘটে এবং শুধু কদর্যতার মধ্যে আনন্দ খুঁজে পায় এই শ্রেণির মানুষ।
চুলোচুলি, হাতাহাতি, হকিস্টিক নিয়ে আক্রমণের যুগ বুঝি শেষ হয়েছে। এখন নতুন যুক্ত হয়েছে বিবস্ত্র করা অথবা ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া। সামাজিকভাবে বিশ্লেষণ করলে এটা যে একটি জাতির কতটা অধঃপতনের নমুনা, সেটা নিয়ে বলতে পারবেন সমাজবিদেরা। কিন্তু আমরা বুঝতে পারছি না, যাঁদের হাতে এই রাজনীতির লাগাম, তাঁরা কেন সেটা টেনে ধরছেন না? বিষয় তো এমন নয় যে শুধু ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনগুলোই এ রকম ঘটনা ঘটিয়ে বেড়াচ্ছে। ক্ষমতায় গেলে যেকোনো দলের ছাত্রসংগঠনই যে ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে, সে ইতিহাসও আমাদের জানা আছে এবং তার একটাই মাত্র অর্থ হয় যে ক্ষমতাসীন রাজনীতিকেরা মূলত ছাত্ররাজনীতিকে কলুষিত করে রাখতেই পছন্দ করেন। জীবন এবং প্রগতির সঙ্গে ছাত্রজীবনকে মেলানোর পরামর্শ দেওয়ার মতো মানুষও কমে যাচ্ছে। ফলে অন্যকে বিবস্ত্র করতে গিয়ে নিজের মানসিকতাকে আমরা বিবস্ত্র করে ফেলি। অন্যকে ধর্ষণ করার হুমকি দিয়ে মূলত নিজের অস্তিত্বকেই ধর্ষণ করে ফেলি। এই ভয়ানক অবস্থা থেকে বের হওয়া জরুরি।
কিন্তু কোন পথে হাঁটলে এই গোলকধাঁধা থেকে বের হওয়া যাবে? যে নেতৃত্ব এই ভয়ংকর ছাত্রনেতাদের মদদ দেন, তাঁরা যদি নিজেদের অবস্থান পাল্টে শক্ত হাতে অপকর্মগুলোর বিরুদ্ধে না দাঁড়ান, যদি এই ছাত্র নামের কলঙ্কদের শায়েস্তা না করেন, তাহলে তা দিন দিন বাড়তেই থাকবে। আরও ভয়ংকর ব্যাপার হয়ে উঠবে তখন, যখন এই বড় রাজনীতিকেরাই ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে তাঁদের এই অন্যায়গুলোকে প্রশ্রয় দিতেই থাকবেন। চোখ বন্ধ রাখবেন। কিন্তু তাঁদের এই আপাত নিস্পৃহতা আমাদের ভবিষ্যৎকে নিয়ে যাবে অতল অন্ধকারে। অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ থাকে না, সে কথাটা মনে করিয়ে দেওয়া সত্যিই জরুরি হয়ে উঠেছে। বিবস্ত্র করা বা ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া নেতা-নেত্রীদের শাস্তি দিন।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫