মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাৎ, মধুপুর

মধুপুরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হালখাতা উৎসব করতে দেখা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের। করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে জারি করা বিধিনিষেধের কারণে সৃষ্ট স্থবিরতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় ব্যবসায়ীরা এর আয়োজন করছেন। তবে এবারের হালখাতায় বকেয়া টাকা আশানুরূপ আদায় হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে এ বছরের বৈশাখের প্রথম সূর্যদোয় হলেও করোনার কারণে ওই দিন হালখাতা উৎসব করেননি তাঁরা। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় মধুপুরের পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকেরা তাঁদের ফসলের ভালো দাম পেতে শুরু করেছেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিন জানা গেছে, মধুপুর পৌরশহরে হালখাতা কম হচ্ছে। তবে গারোবাজার, মোটেরবাজার, মহিষমারা, জলছত্র, পচিশমাইল, চাপড়িসহ বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও হালখাতা উৎসব হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা তাঁদের ক্রেতাদের নানা রঙের কার্ড মুদ্রণ করে দাওয়াতপত্র দিচ্ছেন। কাগজের ফুল ও বেলুন দিয়ে সাজানো হয় দোকান। বাকি পরিশোধ করতে আসা ক্রেতাদের দোকানভেদে বিভিন্ন ধরনের আপ্যায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, শহর কেন্দ্রিক ব্যবসায় বাকি কমে এসেছে। কিন্তু গ্রামীণ জনপদের ব্যবসায়ীদের বাকির খাতা এখনো দীর্ঘ। পাহাড়ি অঞ্চলের অনেক ব্যবসায়ী কোটি টাকার পণ্য বাকিতে বিক্রি করেন।
পচিশমাইল বাজারের আব্বাস এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আব্বাস আলী। তিনি পাহাড়ি অঞ্চলের আনুমানিক ১ হাজার ২০০ ক্রেতার কাছে বাকিতে পণ্য বিক্রি করেছেন। বাকি আদায়ে হালখাতার উৎসব করছেন। কিন্তু বকেয়া আদায়ের হার দেখে তিনি হতাশ।
আরেক ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাঁর দোকানে বকেয়া টাকার ১০ ভাগের এক ভাগও আদায় হয়নি। দুই দিনব্যাপী হালখাতায় বাকি নেওয়া ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল কম।
জয়বাংলা বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি কৃষকদের কাছে সার, কীটনাশক ও কৃষি উপকরণ বাকিতে বিক্রি করেন। করোনার সময় বাকির পরিমাণ অনেক বেশি ছিল। বর্তমানে কৃষকদের হাতে টাকা থাকায় তিনি হালখাতা করছেন বলে জানান।
মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের বকেয়া অনেক। অর্থনৈতিক সংকট সর্বত্রই বিরাজমান। তাই হালখাতা হলেও ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের খরচ করার সাহস দেখাচ্ছেন না।

মধুপুরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হালখাতা উৎসব করতে দেখা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের। করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে জারি করা বিধিনিষেধের কারণে সৃষ্ট স্থবিরতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় ব্যবসায়ীরা এর আয়োজন করছেন। তবে এবারের হালখাতায় বকেয়া টাকা আশানুরূপ আদায় হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে এ বছরের বৈশাখের প্রথম সূর্যদোয় হলেও করোনার কারণে ওই দিন হালখাতা উৎসব করেননি তাঁরা। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় মধুপুরের পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকেরা তাঁদের ফসলের ভালো দাম পেতে শুরু করেছেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিন জানা গেছে, মধুপুর পৌরশহরে হালখাতা কম হচ্ছে। তবে গারোবাজার, মোটেরবাজার, মহিষমারা, জলছত্র, পচিশমাইল, চাপড়িসহ বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও হালখাতা উৎসব হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা তাঁদের ক্রেতাদের নানা রঙের কার্ড মুদ্রণ করে দাওয়াতপত্র দিচ্ছেন। কাগজের ফুল ও বেলুন দিয়ে সাজানো হয় দোকান। বাকি পরিশোধ করতে আসা ক্রেতাদের দোকানভেদে বিভিন্ন ধরনের আপ্যায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, শহর কেন্দ্রিক ব্যবসায় বাকি কমে এসেছে। কিন্তু গ্রামীণ জনপদের ব্যবসায়ীদের বাকির খাতা এখনো দীর্ঘ। পাহাড়ি অঞ্চলের অনেক ব্যবসায়ী কোটি টাকার পণ্য বাকিতে বিক্রি করেন।
পচিশমাইল বাজারের আব্বাস এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আব্বাস আলী। তিনি পাহাড়ি অঞ্চলের আনুমানিক ১ হাজার ২০০ ক্রেতার কাছে বাকিতে পণ্য বিক্রি করেছেন। বাকি আদায়ে হালখাতার উৎসব করছেন। কিন্তু বকেয়া আদায়ের হার দেখে তিনি হতাশ।
আরেক ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাঁর দোকানে বকেয়া টাকার ১০ ভাগের এক ভাগও আদায় হয়নি। দুই দিনব্যাপী হালখাতায় বাকি নেওয়া ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল কম।
জয়বাংলা বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি কৃষকদের কাছে সার, কীটনাশক ও কৃষি উপকরণ বাকিতে বিক্রি করেন। করোনার সময় বাকির পরিমাণ অনেক বেশি ছিল। বর্তমানে কৃষকদের হাতে টাকা থাকায় তিনি হালখাতা করছেন বলে জানান।
মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের বকেয়া অনেক। অর্থনৈতিক সংকট সর্বত্রই বিরাজমান। তাই হালখাতা হলেও ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের খরচ করার সাহস দেখাচ্ছেন না।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫