নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এক ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের প্রান্তিক তিন শতাধিক কৃষককে আইনি নোটিশ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন নামে একটি বেসরকারি একটি সংস্থার (এনজিও) কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
৯ বছর পর হঠাৎ আইনি নোটিশে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে ওই বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রাহকদের কাছে তাদের বকেয়া রয়েছে। বকেয়া টাকা উত্তোলন করতে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন নামে একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) প্রান্তিক মানুষকে কিস্তির মাধ্যমে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল দিয়েছিল। তারা নিয়মিত সৌরবিদ্যুতের সেই প্যানেল দেখভাল করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালে উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের মায়াঘাসি, পানিহাটা, তত্তর, কালাকুমা, ঘাকপাড়া, বেলতৈল, কেরেঙ্গাপাড়া ও ফুলপুর গ্রামের প্রায় ৩০০ কৃষক পরিবার এনজিওটির কাছ থেকে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল কিস্তির মাধ্যমে নেয়। কেউ কেউ অর্ধেক টাকা কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধও করে। হঠাৎ ২০১৩ সালে এনজিওটি কাউকে কিছু না জানিয়ে উপজেলা থেকে তাদের অফিস সরিয়ে নেয়। এর পর থেকে তারা গ্রাহকদের কাছ কোনো কিস্তি নিতে আসেনি। এতে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল ব্যবহারকারী কৃষক পরিবারের লোকজন বিপাকে পড়েন। কারণ, সৌরবিদ্যুতের প্যানেল নষ্ট হলে তা মেরামতে সহযোগিতা করছিল না এনজিওটি। ফলে চার-পাঁচ বছর আগেই সৌরবিদ্যুতের প্যানেল অকেজো হয়ে যায়।
কারও সৌরবিদ্যুতের প্যানেলের ব্যাটারি কাজ করছিল না। আবার কারও কারও প্যানেলের বাতি জ্বলছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই ৯ বছর পর শেরপুর জেলায় রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক দীপক চন্দ্ৰ দাসের নাম ব্যবহার করে পাঁচ মাস ধরে প্রায় ৩০০ পরিবারকে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। এতে সৌরবিদ্যুতের কিস্তির টাকা বকেয়া ও আত্মসাৎ করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এতে কৃষকেরা আইনি নোটিশ আতঙ্কে ভুগছেন। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মায়াঘাসি গ্রামের প্রান্তিক কৃষক রমজান আলী (৬৫) বলেন, ‘এনজিওটির প্রতিশ্রুতি ছিল মাসে মাসে সৌরবিদ্যুতের প্যানেলের কোনো সমস্যা হলে তা বিনা মূল্যে মেরামত করে দেবে তারা। কিন্তু উপজেলা থেকে কাউকে না জানিয়ে অফিস বন্ধ করে দেওয়ায় দেড় বছর পরই সৌরবিদ্যুতের ব্যাটারি ও সোলার প্যানেল নষ্ট হয়ে যায়। তাই তিনি কেজি দরে ভাঙারি হিসেবে তা বিক্রি করে দেন। এহন আমার নামে নোটিশ পাঠাইছে। এই লইয়া দুশ্চিন্তাই আছি’
কৃষক মো. জহিরুল ইসলাম (৪৫) বলেন, ‘উকিল আইনি পাঠিয়েছিল। কিন্তু যেতে পারিনি বলে পরে আদালতে মামলা করে দেয়। আদালতে হাজিরা দিয়ে এখন জামিনে রয়েছি।’
রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের শেরপুর কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘এই গ্রাহকদের কাছে রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের বকেয়া রয়েছে। উপজেলা থেকে অনেক আগেই অফিস বন্ধ করা হয়েছে। এখন শেরপুর জেলায় শুধু আমি দায়িত্বে রয়েছি। উকিল আইনি করে আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা উত্তোলন করতে অফিস আমাকে অনুমোদন দিয়েছে।’

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এক ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের প্রান্তিক তিন শতাধিক কৃষককে আইনি নোটিশ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন নামে একটি বেসরকারি একটি সংস্থার (এনজিও) কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
৯ বছর পর হঠাৎ আইনি নোটিশে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে ওই বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রাহকদের কাছে তাদের বকেয়া রয়েছে। বকেয়া টাকা উত্তোলন করতে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন নামে একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) প্রান্তিক মানুষকে কিস্তির মাধ্যমে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল দিয়েছিল। তারা নিয়মিত সৌরবিদ্যুতের সেই প্যানেল দেখভাল করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালে উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের মায়াঘাসি, পানিহাটা, তত্তর, কালাকুমা, ঘাকপাড়া, বেলতৈল, কেরেঙ্গাপাড়া ও ফুলপুর গ্রামের প্রায় ৩০০ কৃষক পরিবার এনজিওটির কাছ থেকে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল কিস্তির মাধ্যমে নেয়। কেউ কেউ অর্ধেক টাকা কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধও করে। হঠাৎ ২০১৩ সালে এনজিওটি কাউকে কিছু না জানিয়ে উপজেলা থেকে তাদের অফিস সরিয়ে নেয়। এর পর থেকে তারা গ্রাহকদের কাছ কোনো কিস্তি নিতে আসেনি। এতে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল ব্যবহারকারী কৃষক পরিবারের লোকজন বিপাকে পড়েন। কারণ, সৌরবিদ্যুতের প্যানেল নষ্ট হলে তা মেরামতে সহযোগিতা করছিল না এনজিওটি। ফলে চার-পাঁচ বছর আগেই সৌরবিদ্যুতের প্যানেল অকেজো হয়ে যায়।
কারও সৌরবিদ্যুতের প্যানেলের ব্যাটারি কাজ করছিল না। আবার কারও কারও প্যানেলের বাতি জ্বলছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই ৯ বছর পর শেরপুর জেলায় রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক দীপক চন্দ্ৰ দাসের নাম ব্যবহার করে পাঁচ মাস ধরে প্রায় ৩০০ পরিবারকে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। এতে সৌরবিদ্যুতের কিস্তির টাকা বকেয়া ও আত্মসাৎ করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এতে কৃষকেরা আইনি নোটিশ আতঙ্কে ভুগছেন। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মায়াঘাসি গ্রামের প্রান্তিক কৃষক রমজান আলী (৬৫) বলেন, ‘এনজিওটির প্রতিশ্রুতি ছিল মাসে মাসে সৌরবিদ্যুতের প্যানেলের কোনো সমস্যা হলে তা বিনা মূল্যে মেরামত করে দেবে তারা। কিন্তু উপজেলা থেকে কাউকে না জানিয়ে অফিস বন্ধ করে দেওয়ায় দেড় বছর পরই সৌরবিদ্যুতের ব্যাটারি ও সোলার প্যানেল নষ্ট হয়ে যায়। তাই তিনি কেজি দরে ভাঙারি হিসেবে তা বিক্রি করে দেন। এহন আমার নামে নোটিশ পাঠাইছে। এই লইয়া দুশ্চিন্তাই আছি’
কৃষক মো. জহিরুল ইসলাম (৪৫) বলেন, ‘উকিল আইনি পাঠিয়েছিল। কিন্তু যেতে পারিনি বলে পরে আদালতে মামলা করে দেয়। আদালতে হাজিরা দিয়ে এখন জামিনে রয়েছি।’
রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের শেরপুর কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘এই গ্রাহকদের কাছে রুরাল সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের বকেয়া রয়েছে। উপজেলা থেকে অনেক আগেই অফিস বন্ধ করা হয়েছে। এখন শেরপুর জেলায় শুধু আমি দায়িত্বে রয়েছি। উকিল আইনি করে আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা উত্তোলন করতে অফিস আমাকে অনুমোদন দিয়েছে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫