সম্পাদকীয়

শিরোনাম পড়েই কেউ আঁতকে উঠবেন না, যদিও আঁতকে ওঠার মতোই বিষয়। এটা কোনো আজগুবি কথা নয়, বগুড়া শহরে শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক দলের কর্মী থেকে শুরু করে অনেকেই ছুরি-চাকু বহন করছেন।
৭ নভেম্বর আজকের পত্রিকায় ‘শিক্ষার্থীদের ব্যাগেও ছুরি’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, বগুড়ায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগদানকারী কর্মীদের পকেটে পাওয়া যাচ্ছে ছুরি। বার্মিজ ছুরি থাকছে অটোরিকশাচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষের পকেটে। এমনকি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ব্যাগেও তা বহন করা হচ্ছে। তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে একে অপরকে ছুরি মারছে। এতে প্রাণও যাচ্ছে অনেকের। বার্মিজ ছুরির অপব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন সাধারণ জনগণ। ছুরি বিক্রির দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান চালিয়েও ছুরি মারা ঠেকাতে পারছে না পুলিশ।
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত জুন থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ৫ মাস ৪ দিনে জেলার ১২টি উপজেলায় ৫৯ জন ছুরির আঘাত নিয়ে ওই হাসপাতালে আসে। তাদের মধ্যে বগুড়া শহর ও শহরতলির ৩৫ জন। তাদের বয়স ১৬ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে মারা গেছে ৯ জন।
অন্যদিকে, বগুড়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অপরাধ শাখার তথ্যমতে, গত ১ জুন থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার ১২ থানায় ছুরি ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৬৯টি। গ্রেপ্তার হয়েছে ৮১ জন। ছুরিসহ ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ৯৮টি। এগুলোর মধ্যে বগুড়া শহর ও শহরতলি থেকে ৪৩টি বার্মিজ ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শিক্ষার্থীরা শুধু ব্যাগে বার্মিজ চাকু বহন করছে, তা নয়। কেউ কেউ বই-খাতার মধ্যেও ছুরি বহন করছে। শ্রেণিকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। আর ছুরির ব্যবহার হচ্ছে প্রেম নিয়ে বিরোধ কিংবা ধূমপানের মতো সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে। শিক্ষার্থীদের এমন সহিংস আচরণ খুব স্বাভাবিক নয়। তা ছাড়া, মাত্র ৫ মাসে ৯ জনের মৃত্যুও রীতিমতো উদ্বেগজনক। হঠাৎ করে কেন একটি জেলা শহরে অনেকের কাছে ছুরি-চাকু বহন ও ব্যবহারের প্রবণতা বেড়ে গেল? সে প্রশ্নের উত্তরে বলা হচ্ছে, সামাজিক অস্থিরতা, বিচারহীনতা, সহজলভ্যতা এবং অভিভাবকদের উদাসীনতাসহ বিভিন্ন কারণে ছুরির অপব্যবহার বাড়ছে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চাকুর অপব্যবহার রোধে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো শুরু হয়েছে। সন্তানেরা স্কুল-কলেজ বা কোচিংয়ের নামে বাসা থেকে বেরিয়ে কোথায় যাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একজন শিক্ষাবিদ বলেছেন, ‘একটা সময় পরিবার থেকে সন্তানদের মূল্যবোধ শেখানো হতো। এখন অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, বিচারহীনতার সংস্কৃতি।’
দেশে প্রচলিত অস্ত্র আইন অনুযায়ী ছুরি-চাকু বহনও যে অপরাধ, এটা বেশি বেশি প্রচার করে দেশব্যাপী বগুড়ার প্রবণতা ছড়িয়ে পড়া রোধে সংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয়তা প্রয়োজন।

শিরোনাম পড়েই কেউ আঁতকে উঠবেন না, যদিও আঁতকে ওঠার মতোই বিষয়। এটা কোনো আজগুবি কথা নয়, বগুড়া শহরে শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক দলের কর্মী থেকে শুরু করে অনেকেই ছুরি-চাকু বহন করছেন।
৭ নভেম্বর আজকের পত্রিকায় ‘শিক্ষার্থীদের ব্যাগেও ছুরি’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, বগুড়ায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগদানকারী কর্মীদের পকেটে পাওয়া যাচ্ছে ছুরি। বার্মিজ ছুরি থাকছে অটোরিকশাচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষের পকেটে। এমনকি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ব্যাগেও তা বহন করা হচ্ছে। তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে একে অপরকে ছুরি মারছে। এতে প্রাণও যাচ্ছে অনেকের। বার্মিজ ছুরির অপব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন সাধারণ জনগণ। ছুরি বিক্রির দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান চালিয়েও ছুরি মারা ঠেকাতে পারছে না পুলিশ।
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত জুন থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ৫ মাস ৪ দিনে জেলার ১২টি উপজেলায় ৫৯ জন ছুরির আঘাত নিয়ে ওই হাসপাতালে আসে। তাদের মধ্যে বগুড়া শহর ও শহরতলির ৩৫ জন। তাদের বয়স ১৬ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে মারা গেছে ৯ জন।
অন্যদিকে, বগুড়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অপরাধ শাখার তথ্যমতে, গত ১ জুন থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার ১২ থানায় ছুরি ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৬৯টি। গ্রেপ্তার হয়েছে ৮১ জন। ছুরিসহ ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ৯৮টি। এগুলোর মধ্যে বগুড়া শহর ও শহরতলি থেকে ৪৩টি বার্মিজ ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শিক্ষার্থীরা শুধু ব্যাগে বার্মিজ চাকু বহন করছে, তা নয়। কেউ কেউ বই-খাতার মধ্যেও ছুরি বহন করছে। শ্রেণিকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। আর ছুরির ব্যবহার হচ্ছে প্রেম নিয়ে বিরোধ কিংবা ধূমপানের মতো সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে। শিক্ষার্থীদের এমন সহিংস আচরণ খুব স্বাভাবিক নয়। তা ছাড়া, মাত্র ৫ মাসে ৯ জনের মৃত্যুও রীতিমতো উদ্বেগজনক। হঠাৎ করে কেন একটি জেলা শহরে অনেকের কাছে ছুরি-চাকু বহন ও ব্যবহারের প্রবণতা বেড়ে গেল? সে প্রশ্নের উত্তরে বলা হচ্ছে, সামাজিক অস্থিরতা, বিচারহীনতা, সহজলভ্যতা এবং অভিভাবকদের উদাসীনতাসহ বিভিন্ন কারণে ছুরির অপব্যবহার বাড়ছে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চাকুর অপব্যবহার রোধে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো শুরু হয়েছে। সন্তানেরা স্কুল-কলেজ বা কোচিংয়ের নামে বাসা থেকে বেরিয়ে কোথায় যাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একজন শিক্ষাবিদ বলেছেন, ‘একটা সময় পরিবার থেকে সন্তানদের মূল্যবোধ শেখানো হতো। এখন অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, বিচারহীনতার সংস্কৃতি।’
দেশে প্রচলিত অস্ত্র আইন অনুযায়ী ছুরি-চাকু বহনও যে অপরাধ, এটা বেশি বেশি প্রচার করে দেশব্যাপী বগুড়ার প্রবণতা ছড়িয়ে পড়া রোধে সংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয়তা প্রয়োজন।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫