মাসুদ পারভেজ রুবেল, ডিমলা (নীলফামারী)

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীতে জেগে ওঠা চরের আয়তন বাড়ছে ক্রমাগত। এতে নদীর পানি ধারণক্ষমতা কমলেও উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ১৬ চরে চাষ বেড়েছে ফসলের। চলতি মৌসুমেই আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ১ হাজার হেক্টর বেড়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
কৃষক ও কৃষি বিভাগ জানায়, চরের জমিতে যে ভুট্টা উৎপাদন হচ্ছে, তা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া চরে আলু, পেঁয়াজসহ প্রায় সব ধরনের সবজি ও মসলাজাতীয় ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। এবার চরগুলোতে ৪০ কোটি টাকার ফসল উৎপাদন হতে পারে বলে ধারণা কৃষি বিভাগের।
তবে যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় ভালো ফসল উৎপাদন হলেও ভালো দাম পান না বলে অভিযোগ চরের কৃষকদের। সে ক্ষেত্রে গুদাম নির্মাণ ও পরিকল্পিত নদীশাসনের দাবি জানিয়েছেন কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, তিস্তা নদীবেষ্টিত এ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন ঝুনাগাছ চাপানী, খালিশা চাপানি, গয়াবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি, পশ্চিম ও পূর্ব ছাতনাইতে ১৬টি চরের সবই আবাদযোগ্য। চলতি মৌসুমে এসব চরে প্রায় চার হাজার হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদন হচ্ছে; গত মৌসুমের চেয়ে যা ১ হাজার হেক্টর বেশি।
সম্প্রতি চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, নদীর বুকে চাষ করা হয়েছে ভুট্টা, আলু, ধান, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, মিষ্টিকুমড়া, লালশাকসহ নানা ধরনের রবিশস্য। পাশাপাশি প্রস্তুতি চলছে গম, ছোলা, মসুর, সরিষা ও বাদাম চাষের।
চরের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সারা বছরই চরের জমিতে ২০ থেকে ২৫ ধরনের ফসল চাষ করা হয়। বন্যার পর চরের মাটিতে পলি জমে। এ কারণে সার খুব একটা লাগে না। পোকামাকড়েরও আক্রমণ কম। কীটনাশকের ব্যয় তেমন নেই। তাই ফসল উৎপাদনে খরচও কম।
খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল লতিফ (৬০) পাঁচ একর জমিতে ভুট্টা, পেঁয়াজ, আলু, মরিচ ও শাকসবজি চাষ করেছেন। তিনি বলেন, বালুচরে যে এত প্রকার আবাদ হচ্ছে, তা তাঁদের ভাগ্য। বন্যায় চরাঞ্চলের মানুষের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়, তার কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারছেন এমন আবাদে।
পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ছাতুনামা চরের আলিমা বেগম বলেন, ‘নিজের ঘর, আবাদি জমিও সোউগ আছিল। নদীর বান আইসা জমির সাথে ঘরটাও নিয়া গ্যাছে (নদীগর্ভে বিলীন)। তহন থাইকাই বান্দের ওপর থাহি। সারা দিন চরে কাম করি। চরোত যদি ফসল না অইতো হয়, আমগো যে কী দশা, কী খাইতাম তা আল্লায় জানে।’
তবে ফসল ঘরে তোলা আর বিক্রি নিয়ে আছে চরের কৃষকদের নানা অভিযোগ। খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চর কিসামতের কৃষক আরিফ হোসেন বলেন, যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশাল চর আর নদী পাড়ি দিয়ে ফসল নিয়ে যেতে হয় হাটে। ফলে উৎপাদন বেশি হলেও ব্যয়ও বৃদ্ধি পায় বহনে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত বীজের ছোঁয়ায় বদলে গেছে তিস্তা চরের কৃষি চিত্র। প্রতিবছর উজানের ঢলে ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তাই এলাকার চাষিদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা হচ্ছে। পানি-সহনীয় জাতের ধান চাষে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।’ এ কর্মকর্তা আরও বলেন, বর্তমানে চরে আবাদযোগ্য জমি বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিকল্পিত নদীশাসন করে চরের জমি আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীতে জেগে ওঠা চরের আয়তন বাড়ছে ক্রমাগত। এতে নদীর পানি ধারণক্ষমতা কমলেও উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ১৬ চরে চাষ বেড়েছে ফসলের। চলতি মৌসুমেই আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ১ হাজার হেক্টর বেড়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
কৃষক ও কৃষি বিভাগ জানায়, চরের জমিতে যে ভুট্টা উৎপাদন হচ্ছে, তা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া চরে আলু, পেঁয়াজসহ প্রায় সব ধরনের সবজি ও মসলাজাতীয় ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। এবার চরগুলোতে ৪০ কোটি টাকার ফসল উৎপাদন হতে পারে বলে ধারণা কৃষি বিভাগের।
তবে যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় ভালো ফসল উৎপাদন হলেও ভালো দাম পান না বলে অভিযোগ চরের কৃষকদের। সে ক্ষেত্রে গুদাম নির্মাণ ও পরিকল্পিত নদীশাসনের দাবি জানিয়েছেন কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, তিস্তা নদীবেষ্টিত এ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন ঝুনাগাছ চাপানী, খালিশা চাপানি, গয়াবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি, পশ্চিম ও পূর্ব ছাতনাইতে ১৬টি চরের সবই আবাদযোগ্য। চলতি মৌসুমে এসব চরে প্রায় চার হাজার হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদন হচ্ছে; গত মৌসুমের চেয়ে যা ১ হাজার হেক্টর বেশি।
সম্প্রতি চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, নদীর বুকে চাষ করা হয়েছে ভুট্টা, আলু, ধান, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, মিষ্টিকুমড়া, লালশাকসহ নানা ধরনের রবিশস্য। পাশাপাশি প্রস্তুতি চলছে গম, ছোলা, মসুর, সরিষা ও বাদাম চাষের।
চরের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সারা বছরই চরের জমিতে ২০ থেকে ২৫ ধরনের ফসল চাষ করা হয়। বন্যার পর চরের মাটিতে পলি জমে। এ কারণে সার খুব একটা লাগে না। পোকামাকড়েরও আক্রমণ কম। কীটনাশকের ব্যয় তেমন নেই। তাই ফসল উৎপাদনে খরচও কম।
খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল লতিফ (৬০) পাঁচ একর জমিতে ভুট্টা, পেঁয়াজ, আলু, মরিচ ও শাকসবজি চাষ করেছেন। তিনি বলেন, বালুচরে যে এত প্রকার আবাদ হচ্ছে, তা তাঁদের ভাগ্য। বন্যায় চরাঞ্চলের মানুষের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়, তার কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারছেন এমন আবাদে।
পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ছাতুনামা চরের আলিমা বেগম বলেন, ‘নিজের ঘর, আবাদি জমিও সোউগ আছিল। নদীর বান আইসা জমির সাথে ঘরটাও নিয়া গ্যাছে (নদীগর্ভে বিলীন)। তহন থাইকাই বান্দের ওপর থাহি। সারা দিন চরে কাম করি। চরোত যদি ফসল না অইতো হয়, আমগো যে কী দশা, কী খাইতাম তা আল্লায় জানে।’
তবে ফসল ঘরে তোলা আর বিক্রি নিয়ে আছে চরের কৃষকদের নানা অভিযোগ। খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চর কিসামতের কৃষক আরিফ হোসেন বলেন, যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশাল চর আর নদী পাড়ি দিয়ে ফসল নিয়ে যেতে হয় হাটে। ফলে উৎপাদন বেশি হলেও ব্যয়ও বৃদ্ধি পায় বহনে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত বীজের ছোঁয়ায় বদলে গেছে তিস্তা চরের কৃষি চিত্র। প্রতিবছর উজানের ঢলে ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তাই এলাকার চাষিদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা হচ্ছে। পানি-সহনীয় জাতের ধান চাষে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।’ এ কর্মকর্তা আরও বলেন, বর্তমানে চরে আবাদযোগ্য জমি বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিকল্পিত নদীশাসন করে চরের জমি আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫