সম্পাদকীয়

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে কত কিছুই তো ঘটে। ধরা যাক, কোনো স্পেস শিপে করে কিছুদিনের জন্য সুচিত্রা সেন বেড়াতে এলেন পাবনায়। এখানকার মেয়ে তিনি। পরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন কলকাতার সিনেমায়। কিন্তু জন্মস্থানটা তো সবাইকে টানে। ‘কুড়ি বছর পর’ও কারও কারও ফিরতে মন চায়। কবি হয়তো তাঁর সোনালি চিলের ডানায় ভর করে নানা ধরনের স্বপ্ন দেখাতে পারেন, কিন্তু পাবনার মানুষ কি সুচিত্রা সেনকে বলতে পারবেন, ‘দেখুন, আমরা আপনার স্মৃতি সংরক্ষণ করে রেখেছি! এখানে সবাই একবাক্যে রমাকে চেনে। হ্যাঁ, বাংলা সিনেমার জগৎটা কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন আপনি, আমরা আপনাকে ভুলিনি।’
না, আমরা নিশ্চিত, এ মুহূর্তে স্পেস শিপে করে পাবনায় পৌঁছানোর কোনো উপায় যদি থাকত, তাহলে এখানে পৌঁছে মহানায়িকা হতাশ হতেন।
সুচিত্রা সেনের জন্মদিন ছিল ১৭ জানুয়ারি, এ কারণেই আড়মোড়া ভেঙে সবাই ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং সুচিত্রা সেনের জমা-খরচ-ইজা নিয়ে পড়েছেন। দিনটি চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আরও এক বছরের জন্য সুচিত্রাপ্রেমীরা গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন হবেন। সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়িটি যে অবৈধ দখলে ছিল, সে কথা কে না জানত? তা নিয়ে ছোটখাটো প্রতিবাদ হয়তো হয়েছে, কিন্তু ক্ষমতাশালীদের বিশাল নেটওয়ার্কের ঠ্যালায় সে প্রতিবাদ উবে যেতে বাধ্য হয়েছে। তবে মহানায়িকার মৃত্যুর পর সুচিত্রা সেন বিষয়ক আবেগ প্রশাসনেও কড়া নেড়েছিল, ফলে উদ্ধার হয়েছিল বাড়িটি। অবৈধ দখলকারীরা উঠে যেতে বাধ্য হয়েছিল।
তার পর থেকে জেলা প্রশাসনের দখলে আছে বাড়িটি। সেই বাড়ি নিয়ে আসলে তারা কী ভাবছে, সেটাও স্পষ্ট করে বলছে না। সুচিত্রা সেনের বাড়িটি হয়ে উঠতে পারত সত্যিকারের জাদুঘর। পরিকল্পনা করে এগোলে এই বাড়িটিতে আসার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকত দেশবাসী। বিদেশি পর্যটকদেরও আকর্ষণ করা যেত। স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য কত ধরনের কাণ্ডই না ঘটে চলেছে বিশ্বজুড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের এক নিউইয়র্ক শহরেই এ ধরনের কত যে আয়োজন রয়েছে, তা গুনে শেষ করা যাবে না। তুতেনখামেনের কাহিনি জানতে চান? সমস্যা নেই, টিকিট কেটে ঢুকে পড়ুন, সে আমলের মিসর থেকে ঘুরে আসতে পারবেন। টাইটানিকের ট্র্যাজেডি উপলব্ধি করতে চান? হ্যাঁ, ঢুকে পড়তে পারেন এমন এক ভবনে, যেখানে ঢোকার পর মনে হবে টাইটানিকের যাত্রীরা আপনার আশপাশেই হাঁটাচলা করছে। ক্লদ মনের আঁকার জগৎ নিয়ে আপনি কৌতূহলী? জলপদ্ম খুব ভাবাচ্ছে আপনাকে? চলে যান তাঁর ডেরায়। আপনাকে নিয়ে যাবে শিল্পীর আপন আলয়ে।
সুচিত্রা সেনের সিনেমার অংশগুলো নিয়ে এবং তাঁর জীবনী নিয়ে তৈরি করে ফেলা যায় তথ্যচিত্র। একটি ঘরজুড়ে চলতে পারে তার প্রদর্শনী। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত নানা কিছুই থাকতে পারে সংগ্রহশালায়। আরও কত কিছুই তো হতে পারে।
কিন্তু হয় না। ইতিহাস সংরক্ষণ একটা সুরুচিপূর্ণ অভ্যাসের ব্যাপার যেমন, তেমনি একটা পরিকল্পনার ব্যাপারও। আগে তো বুঝতে হবে এর মূল্য, নইলে ওই দখলদারিটাই হয়ে উঠবে আসল ক্যারিশমার জায়গা। আর ‘সংগ্রহশালা’টা বিদ্রূপ করতে থাকবে, যেমন করছে এখনো।

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে কত কিছুই তো ঘটে। ধরা যাক, কোনো স্পেস শিপে করে কিছুদিনের জন্য সুচিত্রা সেন বেড়াতে এলেন পাবনায়। এখানকার মেয়ে তিনি। পরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন কলকাতার সিনেমায়। কিন্তু জন্মস্থানটা তো সবাইকে টানে। ‘কুড়ি বছর পর’ও কারও কারও ফিরতে মন চায়। কবি হয়তো তাঁর সোনালি চিলের ডানায় ভর করে নানা ধরনের স্বপ্ন দেখাতে পারেন, কিন্তু পাবনার মানুষ কি সুচিত্রা সেনকে বলতে পারবেন, ‘দেখুন, আমরা আপনার স্মৃতি সংরক্ষণ করে রেখেছি! এখানে সবাই একবাক্যে রমাকে চেনে। হ্যাঁ, বাংলা সিনেমার জগৎটা কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন আপনি, আমরা আপনাকে ভুলিনি।’
না, আমরা নিশ্চিত, এ মুহূর্তে স্পেস শিপে করে পাবনায় পৌঁছানোর কোনো উপায় যদি থাকত, তাহলে এখানে পৌঁছে মহানায়িকা হতাশ হতেন।
সুচিত্রা সেনের জন্মদিন ছিল ১৭ জানুয়ারি, এ কারণেই আড়মোড়া ভেঙে সবাই ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং সুচিত্রা সেনের জমা-খরচ-ইজা নিয়ে পড়েছেন। দিনটি চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আরও এক বছরের জন্য সুচিত্রাপ্রেমীরা গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন হবেন। সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়িটি যে অবৈধ দখলে ছিল, সে কথা কে না জানত? তা নিয়ে ছোটখাটো প্রতিবাদ হয়তো হয়েছে, কিন্তু ক্ষমতাশালীদের বিশাল নেটওয়ার্কের ঠ্যালায় সে প্রতিবাদ উবে যেতে বাধ্য হয়েছে। তবে মহানায়িকার মৃত্যুর পর সুচিত্রা সেন বিষয়ক আবেগ প্রশাসনেও কড়া নেড়েছিল, ফলে উদ্ধার হয়েছিল বাড়িটি। অবৈধ দখলকারীরা উঠে যেতে বাধ্য হয়েছিল।
তার পর থেকে জেলা প্রশাসনের দখলে আছে বাড়িটি। সেই বাড়ি নিয়ে আসলে তারা কী ভাবছে, সেটাও স্পষ্ট করে বলছে না। সুচিত্রা সেনের বাড়িটি হয়ে উঠতে পারত সত্যিকারের জাদুঘর। পরিকল্পনা করে এগোলে এই বাড়িটিতে আসার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকত দেশবাসী। বিদেশি পর্যটকদেরও আকর্ষণ করা যেত। স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য কত ধরনের কাণ্ডই না ঘটে চলেছে বিশ্বজুড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের এক নিউইয়র্ক শহরেই এ ধরনের কত যে আয়োজন রয়েছে, তা গুনে শেষ করা যাবে না। তুতেনখামেনের কাহিনি জানতে চান? সমস্যা নেই, টিকিট কেটে ঢুকে পড়ুন, সে আমলের মিসর থেকে ঘুরে আসতে পারবেন। টাইটানিকের ট্র্যাজেডি উপলব্ধি করতে চান? হ্যাঁ, ঢুকে পড়তে পারেন এমন এক ভবনে, যেখানে ঢোকার পর মনে হবে টাইটানিকের যাত্রীরা আপনার আশপাশেই হাঁটাচলা করছে। ক্লদ মনের আঁকার জগৎ নিয়ে আপনি কৌতূহলী? জলপদ্ম খুব ভাবাচ্ছে আপনাকে? চলে যান তাঁর ডেরায়। আপনাকে নিয়ে যাবে শিল্পীর আপন আলয়ে।
সুচিত্রা সেনের সিনেমার অংশগুলো নিয়ে এবং তাঁর জীবনী নিয়ে তৈরি করে ফেলা যায় তথ্যচিত্র। একটি ঘরজুড়ে চলতে পারে তার প্রদর্শনী। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত নানা কিছুই থাকতে পারে সংগ্রহশালায়। আরও কত কিছুই তো হতে পারে।
কিন্তু হয় না। ইতিহাস সংরক্ষণ একটা সুরুচিপূর্ণ অভ্যাসের ব্যাপার যেমন, তেমনি একটা পরিকল্পনার ব্যাপারও। আগে তো বুঝতে হবে এর মূল্য, নইলে ওই দখলদারিটাই হয়ে উঠবে আসল ক্যারিশমার জায়গা। আর ‘সংগ্রহশালা’টা বিদ্রূপ করতে থাকবে, যেমন করছে এখনো।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫