বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ায় রেশম ডিম, গুটি উৎপাদন ও বিতরণ তলানিতে ঠেকেছে। দুই যুগ আগেও জেলা রেশম উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় বছরে পাঁচ লাখ রেশম ডিম উৎপাদিত হতো। সেখানে বর্তমানে হচ্ছে মাত্র পাঁচ হাজার। তবে রেশম উন্নয়ন বোর্ড বলছে, সরকারি চাহিদা অনুযায়ীই রেশম ডিম ও গুটি উৎপাদন করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ায় রেশম উন্নয়ন বোর্ডের তুঁত বাগানে ১৯৮০ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বছরে ৪-৫ লাখ রেশম ডিম উৎপাদন করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে পাঁচ হাজার ডিম চাষ করা হতো। বাকিগুলো যেত দেশের বিভিন্ন রেশম কারখানায়। বর্তমানে বছরে ৫ হাজার ডিম উৎপাদন করা হচ্ছে। বগুড়ায় ৪০০-৫০০ ডিম চাষ করা হয়। এই ডিম থেকে জেলায় উৎপাদন করা হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ কেজি রেশম গুটি।
বগুড়া রেশম উন্নয়ন বোর্ডে ৪০ বছর ধরে কাজ করছেন আবু তায়েব আলী ও আনোয়ার হোসেন। তাঁরা জানান, দুই যুগ আগে এখানে প্রচুর রেশম ডিম উৎপাদন করা হতো। কিন্তু বর্তমানে তা একদমই কমে গেছে। বর্তমানে তুঁত বাগানে অনেক জমি ফাঁকা পড়ে আছে।
জানতে চাইলে জেলা রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের ফার্ম ম্যানেজার মো. মুকুল হোসেন সরকার এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। জেলা রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাবিউল ইসলাম জিলানির সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি।
কথা বলতে ফোন করা হয় জেলা রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাবিউল ইসলাম জিলানিকে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রেশম বীজ উৎপাদন কমে গেছে বিষয়টি এমন নয়। সরকারি চাহিদা অনুযায়ী ডিম উৎপাদন করা হচ্ছে।’
নাবিউল ইসলাম আরও জানান, এবার ১৫ বিঘা জমিতে তুঁত চারা রোপণ করা হচ্ছে। আড়াই হাজার ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গতবার ২০ বিঘা জমিতে তুঁত চারা রোপণ করা হয়েছিল। ২০২০-২১ অর্থ বছরে উৎপাদন করা হয়েছে ২২০ কেজি গুটি।

বগুড়ায় রেশম ডিম, গুটি উৎপাদন ও বিতরণ তলানিতে ঠেকেছে। দুই যুগ আগেও জেলা রেশম উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় বছরে পাঁচ লাখ রেশম ডিম উৎপাদিত হতো। সেখানে বর্তমানে হচ্ছে মাত্র পাঁচ হাজার। তবে রেশম উন্নয়ন বোর্ড বলছে, সরকারি চাহিদা অনুযায়ীই রেশম ডিম ও গুটি উৎপাদন করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ায় রেশম উন্নয়ন বোর্ডের তুঁত বাগানে ১৯৮০ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বছরে ৪-৫ লাখ রেশম ডিম উৎপাদন করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে পাঁচ হাজার ডিম চাষ করা হতো। বাকিগুলো যেত দেশের বিভিন্ন রেশম কারখানায়। বর্তমানে বছরে ৫ হাজার ডিম উৎপাদন করা হচ্ছে। বগুড়ায় ৪০০-৫০০ ডিম চাষ করা হয়। এই ডিম থেকে জেলায় উৎপাদন করা হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ কেজি রেশম গুটি।
বগুড়া রেশম উন্নয়ন বোর্ডে ৪০ বছর ধরে কাজ করছেন আবু তায়েব আলী ও আনোয়ার হোসেন। তাঁরা জানান, দুই যুগ আগে এখানে প্রচুর রেশম ডিম উৎপাদন করা হতো। কিন্তু বর্তমানে তা একদমই কমে গেছে। বর্তমানে তুঁত বাগানে অনেক জমি ফাঁকা পড়ে আছে।
জানতে চাইলে জেলা রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের ফার্ম ম্যানেজার মো. মুকুল হোসেন সরকার এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। জেলা রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাবিউল ইসলাম জিলানির সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি।
কথা বলতে ফোন করা হয় জেলা রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাবিউল ইসলাম জিলানিকে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রেশম বীজ উৎপাদন কমে গেছে বিষয়টি এমন নয়। সরকারি চাহিদা অনুযায়ী ডিম উৎপাদন করা হচ্ছে।’
নাবিউল ইসলাম আরও জানান, এবার ১৫ বিঘা জমিতে তুঁত চারা রোপণ করা হচ্ছে। আড়াই হাজার ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গতবার ২০ বিঘা জমিতে তুঁত চারা রোপণ করা হয়েছিল। ২০২০-২১ অর্থ বছরে উৎপাদন করা হয়েছে ২২০ কেজি গুটি।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫