মো. শফিকুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক সপ্তাহ ধরে মৃদু দাবদাহ চলছে। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে খেটে খাওয়া মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ফলে হাসপাতালে এখন করোনার পাশাপাশি রয়েছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের ভিড়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অন্য সময়ের তুলনায় চলতি সপ্তাহে হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এখানে চিকিৎসা নিয়েছে প্রায় ২০০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী। এর আগে গত সোমবার পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছে ১৫৩ জন রোগী। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীই বেশি। কয়েক মাস আগে করোনার ওয়ার্ডের জন্য হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডকে বিলুপ্ত করা হয়। হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের বর্তমানে মেডিসিন ওয়ার্ডে এবং ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগীদের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হচ্ছে।
গতকাল সরেজমিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, করোনা ইউনিটে লোকসমাগম নেই বললেই চলে। তবে শিশু ও ডায়রিয়া ইউনিটে রোগী ও স্বজনদের ভিড় বেড়েছে। শয্যার বেশি রোগী থাকায় কয়েকজনকে মেঝেতে রেখেছেন স্বজনেরা।
চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বজনেরা জানান, রোগীর চাপ একটু বাড়লেই তাঁদের স্বজনেরা দিশাহারা হয়ে পড়ছেন। তাঁরা তখন পরামর্শের জন্য চিকিৎসক ও নার্সদের শরণাপন্ন হন। তবে সার্বক্ষণিক চিকিৎসককে পাওয়া যায় না। কিন্তু নার্সরা আন্তরিক। তাঁরা নিজেদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
স্বজনেরা আরও বলেন, নার্সদের পাশাপাশি যদি প্রতি ওয়ার্ডে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক থাকত তাহলে চিকিৎসাসেবার মান আরও বাড়ত। এতে রোগীসহ স্বজনেরা বিড়ম্বনা থেকে রেহাই পেতেন।
শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স ফেরদৌসী বেগম সাংবাদিকদের বলেন, অপরিষ্কার পানি, খাবার, মায়েদের অসাবধানতা, ময়লা মিশ্রিত হাত মুখে দেওয়ার কারণে শিশুরা বেশি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ পরিষ্কার খাবার গ্রহণে মায়েদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
এ ব্যাপারে ২৫০ শয্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা রয়েছে। রোগীদের চিকিৎসায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না। চিকিৎসক ও নার্সরা রোগীদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক সপ্তাহ ধরে মৃদু দাবদাহ চলছে। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে খেটে খাওয়া মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ফলে হাসপাতালে এখন করোনার পাশাপাশি রয়েছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের ভিড়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অন্য সময়ের তুলনায় চলতি সপ্তাহে হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এখানে চিকিৎসা নিয়েছে প্রায় ২০০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী। এর আগে গত সোমবার পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছে ১৫৩ জন রোগী। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীই বেশি। কয়েক মাস আগে করোনার ওয়ার্ডের জন্য হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডকে বিলুপ্ত করা হয়। হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের বর্তমানে মেডিসিন ওয়ার্ডে এবং ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগীদের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হচ্ছে।
গতকাল সরেজমিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, করোনা ইউনিটে লোকসমাগম নেই বললেই চলে। তবে শিশু ও ডায়রিয়া ইউনিটে রোগী ও স্বজনদের ভিড় বেড়েছে। শয্যার বেশি রোগী থাকায় কয়েকজনকে মেঝেতে রেখেছেন স্বজনেরা।
চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বজনেরা জানান, রোগীর চাপ একটু বাড়লেই তাঁদের স্বজনেরা দিশাহারা হয়ে পড়ছেন। তাঁরা তখন পরামর্শের জন্য চিকিৎসক ও নার্সদের শরণাপন্ন হন। তবে সার্বক্ষণিক চিকিৎসককে পাওয়া যায় না। কিন্তু নার্সরা আন্তরিক। তাঁরা নিজেদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
স্বজনেরা আরও বলেন, নার্সদের পাশাপাশি যদি প্রতি ওয়ার্ডে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক থাকত তাহলে চিকিৎসাসেবার মান আরও বাড়ত। এতে রোগীসহ স্বজনেরা বিড়ম্বনা থেকে রেহাই পেতেন।
শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স ফেরদৌসী বেগম সাংবাদিকদের বলেন, অপরিষ্কার পানি, খাবার, মায়েদের অসাবধানতা, ময়লা মিশ্রিত হাত মুখে দেওয়ার কারণে শিশুরা বেশি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ পরিষ্কার খাবার গ্রহণে মায়েদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
এ ব্যাপারে ২৫০ শয্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা রয়েছে। রোগীদের চিকিৎসায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না। চিকিৎসক ও নার্সরা রোগীদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫