আবির হাকিম, ঢাকা

বিকেল থেকে ভিড় বাড়তে থাকে। সন্ধ্যা নামলে মোটরসাইকেল নিয়ে চলে আসেন তরুণ-তরুণীরা। অন্ধকার গাঢ় হলে এঁদের অনেকেই ছোট ছোট জটলা পাকিয়ে শুরু করেন মাদক সেবন। কিছুক্ষণ পর হাজির হয় কিশোর গ্যাং, স্থানীয় মাদক কারবারি ও ছিনতাই চক্র। গভীর রাত পর্যন্ত খিলগাঁও ফ্লাইওভারে চলে অপরাধযজ্ঞ। আতঙ্কে ফ্লাইওভারটি এড়িয়ে চলছেন অনেকেই। পর্যাপ্ত পুলিশি টহলের অভাবেই ফ্লাইওভারটির এমন অবস্থা বলে অভিযোগ চলাচলকারীদের।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ যাতায়াত ও যানজট নিরসনের জন্য ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এ ফ্লাইওভার ২০০৫ সালে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এটি একদিকে রাজারবাগ থেকে মালিবাগ এবং অন্যদিকে সায়েদাবাদকে সংযুক্ত করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার অভাবে ফ্লাইওভারটির সুফল মিলছে না। এর অধিকাংশ সড়কবাতিই নষ্ট। অন্ধকার নামার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীদের নিরাপদ জোনে পরিণত হয় ফ্লাইওভারটি। এটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এবং পুলিশের যথাযথ নজরদারির অভাবেই এমনটা হচ্ছে। প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল আরোহীরা যখন-তখন বিপদে পড়ছেন।
সম্প্রতি সেখানে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া সুমন নামের একজন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছিনতাইকারীরা ফ্লাইওভারের ওপর গাড়ি পার্ক করে সাধারণ মানুষের মতোই আড্ডা দিচ্ছিল। আমি পাশ দিয়ে বাইকে করে যাওয়ার সময় তারা আমাকে থামিয়ে দেয়। ছিনিয়ে নেয় আমার মোবাইল-মানিব্যাগ। কোনো কথা বললে নাকি বাইকটিও নিয়ে যাবে। যে কারণে আমি চুপচাপ সব দিয়ে আসি।’
খিলগাঁও সমাজকল্যাণ সোসাইটির সদস্য মিলন হোসেন বলেন, ‘ফ্লাইওভারটির খিলগাঁও থেকে রাজারবাগে যাওয়ার লুপটি খুবই সরু হওয়ায় এখানে নিয়মিতই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে। তা ছাড়া স্থায়ীভাবে পুলিশের টহল না থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। ফ্লাইওভারটির নিচেই দুটি পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে। কিন্তু কাজের সময় কাউকেই পাওয়া যায় না।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ফ্লাইওভারটিতে কিছু উপদ্রব আছে বলে আমরা জেনেছি। অনেকবার উদ্যোগ নিয়েও তাদের সরাতে পারিনি। ডিএমপির সঙ্গে কথা বলে শিগগিরই এখানে সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থা করা হবে। আশা করি, ছিনতাই ও মাদকের কারবারি বন্ধ হবে।’
নানা অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক মশিউর রহমান বলেন, ‘ফ্লাইওভারে নিরাপত্তা জোরদারে আমাদের নিয়মিত টহল টিম রয়েছে। কেউ কোনো দুর্ঘটনার শিকার হলে আমরা অভিযোগ পাওয়ামাত্র ব্যবস্থা নিচ্ছি। তবে একটা-দুইটা টহল টিম দিয়ে তো সব নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। অবশ্যই ফ্লাইওভার ব্যবহারকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।’
সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, খিলগাঁও ফ্লাইওভারে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য নেই। তা ছাড়া নেই কোনো সিসি ক্যামেরাও। এতে একরকম নিরাপদেই যে কারও কাছ থেকে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে অপরাধী চক্রের সদস্যরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল হক বলেন, ‘একটা জায়গায় যখন অপরাধী নির্ভয়ে কাজ করে যেতে পারে, তখন ধীরে ধীরে তারা অপরাধের মাত্রা আরও বাড়াতে থাকে। যে কারণে অপরাধীদের কোনো আখড়া চিহ্নিত হলেই সেটা দ্রুত নির্মূল করে দেওয়া উচিত।’

বিকেল থেকে ভিড় বাড়তে থাকে। সন্ধ্যা নামলে মোটরসাইকেল নিয়ে চলে আসেন তরুণ-তরুণীরা। অন্ধকার গাঢ় হলে এঁদের অনেকেই ছোট ছোট জটলা পাকিয়ে শুরু করেন মাদক সেবন। কিছুক্ষণ পর হাজির হয় কিশোর গ্যাং, স্থানীয় মাদক কারবারি ও ছিনতাই চক্র। গভীর রাত পর্যন্ত খিলগাঁও ফ্লাইওভারে চলে অপরাধযজ্ঞ। আতঙ্কে ফ্লাইওভারটি এড়িয়ে চলছেন অনেকেই। পর্যাপ্ত পুলিশি টহলের অভাবেই ফ্লাইওভারটির এমন অবস্থা বলে অভিযোগ চলাচলকারীদের।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ যাতায়াত ও যানজট নিরসনের জন্য ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এ ফ্লাইওভার ২০০৫ সালে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এটি একদিকে রাজারবাগ থেকে মালিবাগ এবং অন্যদিকে সায়েদাবাদকে সংযুক্ত করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার অভাবে ফ্লাইওভারটির সুফল মিলছে না। এর অধিকাংশ সড়কবাতিই নষ্ট। অন্ধকার নামার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীদের নিরাপদ জোনে পরিণত হয় ফ্লাইওভারটি। এটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এবং পুলিশের যথাযথ নজরদারির অভাবেই এমনটা হচ্ছে। প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল আরোহীরা যখন-তখন বিপদে পড়ছেন।
সম্প্রতি সেখানে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া সুমন নামের একজন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছিনতাইকারীরা ফ্লাইওভারের ওপর গাড়ি পার্ক করে সাধারণ মানুষের মতোই আড্ডা দিচ্ছিল। আমি পাশ দিয়ে বাইকে করে যাওয়ার সময় তারা আমাকে থামিয়ে দেয়। ছিনিয়ে নেয় আমার মোবাইল-মানিব্যাগ। কোনো কথা বললে নাকি বাইকটিও নিয়ে যাবে। যে কারণে আমি চুপচাপ সব দিয়ে আসি।’
খিলগাঁও সমাজকল্যাণ সোসাইটির সদস্য মিলন হোসেন বলেন, ‘ফ্লাইওভারটির খিলগাঁও থেকে রাজারবাগে যাওয়ার লুপটি খুবই সরু হওয়ায় এখানে নিয়মিতই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে। তা ছাড়া স্থায়ীভাবে পুলিশের টহল না থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। ফ্লাইওভারটির নিচেই দুটি পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে। কিন্তু কাজের সময় কাউকেই পাওয়া যায় না।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ফ্লাইওভারটিতে কিছু উপদ্রব আছে বলে আমরা জেনেছি। অনেকবার উদ্যোগ নিয়েও তাদের সরাতে পারিনি। ডিএমপির সঙ্গে কথা বলে শিগগিরই এখানে সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থা করা হবে। আশা করি, ছিনতাই ও মাদকের কারবারি বন্ধ হবে।’
নানা অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক মশিউর রহমান বলেন, ‘ফ্লাইওভারে নিরাপত্তা জোরদারে আমাদের নিয়মিত টহল টিম রয়েছে। কেউ কোনো দুর্ঘটনার শিকার হলে আমরা অভিযোগ পাওয়ামাত্র ব্যবস্থা নিচ্ছি। তবে একটা-দুইটা টহল টিম দিয়ে তো সব নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। অবশ্যই ফ্লাইওভার ব্যবহারকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।’
সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, খিলগাঁও ফ্লাইওভারে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য নেই। তা ছাড়া নেই কোনো সিসি ক্যামেরাও। এতে একরকম নিরাপদেই যে কারও কাছ থেকে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে অপরাধী চক্রের সদস্যরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল হক বলেন, ‘একটা জায়গায় যখন অপরাধী নির্ভয়ে কাজ করে যেতে পারে, তখন ধীরে ধীরে তারা অপরাধের মাত্রা আরও বাড়াতে থাকে। যে কারণে অপরাধীদের কোনো আখড়া চিহ্নিত হলেই সেটা দ্রুত নির্মূল করে দেওয়া উচিত।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫