সম্পাদকীয়

সংসদ সদস্যদের কাজ আইন প্রণয়ন করা। তাই এটা ধারণা করা যায় যে দেশে প্রচলিত আইনকানুন সম্পর্কে যাঁদের প্রাথমিক ধারণা আছে, তাঁরাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বা করছেন। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন যেভাবে প্রার্থীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, তাতে এই শঙ্কা মনে দেখা দিতেই পারে যে তাঁরা নির্বাচিত হলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম না হয়ে বরং জটিল হয়ে উঠবে। আইন না মানার একটি ব্যাধি আমাদের দেশের একশ্রেণির মানুষের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সাধারণত বলা হয়ে থাকে যে ক্ষমতাবানেরাই আইনের প্রতি থোড়াই কেয়ার ভাব দেখান। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতা পাওয়ার দৌড়ের লাইনে দাঁড়িয়েই আইনকে বুড়ো আঙুল দেখাতেও কেউ কেউ তোয়াক্কা করছেন না।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন বৃহস্পতিবার সারা দেশে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করার প্রতিযোগিতা চলেছে বলে আজকের পত্রিকাসহ প্রায় সব জাতীয় দৈনিকেই খবর বের হয়েছে। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে অনেক প্রার্থীই আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। বিশাল মিছিল কিংবা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে তাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ পাঁচজনকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের মিছিল কিংবা শোডাউন করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, অসংখ্য প্রার্থী এই আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় বৃহস্পতিবার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ অন্তত ২৬ জনকে শোকজ করেছে ইসির গঠন করা নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।
যাঁদের শোকজ করা হয়েছে, তাঁরা সবাই ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি নির্বাচন করছে না। বিএনপিকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন, সেই নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য হবে সেই প্রশ্ন যখন ঘুরছে, তখন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা আচরণবিধি ভঙ্গ করে কী বার্তা দিতে চান? তাঁরা যা খুশি তা-ই করার লাইসেন্সপ্রাপ্ত কি? সরকারি দল করলেই সাত খুন মাফ হয়ে যায় বলে যে একটি ধারণা জনমনে বাসা বেঁধে আছে, তা ভেঙে দিতে না পারলে, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা কষ্টকরই হবে।
আচরণবিধি ভঙ্গকারীদের সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। যাঁদের সামনে হাজির হয়ে এই ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে, তাঁদের মেরুদণ্ড যদি সোজা না হয়ে থাকে, তাহলে তো যে ব্যাখ্যাই দেওয়া হবে, তাতেই তাঁদের সন্তুষ্ট হওয়ার কথা। আমরা আশা করব, আচরণবিধি লঙ্ঘন করার বিষয়টিকে যেন লঘু অপরাধ হিসেবে না দেখা হয়। যদি এটাকে হালকা হিসেবে দেখা হয়, তাহলে নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাঁরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারেন।
সংসদ নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে খুব উৎসাহ-উদ্দীপনা আছে বলে মনে হয় না। মানুষ যাতে কোনো কারণে ভোটবিমুখ না হয়ে ওঠে, সেদিকে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মনোযোগ থাকা দরকার।

সংসদ সদস্যদের কাজ আইন প্রণয়ন করা। তাই এটা ধারণা করা যায় যে দেশে প্রচলিত আইনকানুন সম্পর্কে যাঁদের প্রাথমিক ধারণা আছে, তাঁরাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বা করছেন। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন যেভাবে প্রার্থীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, তাতে এই শঙ্কা মনে দেখা দিতেই পারে যে তাঁরা নির্বাচিত হলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম না হয়ে বরং জটিল হয়ে উঠবে। আইন না মানার একটি ব্যাধি আমাদের দেশের একশ্রেণির মানুষের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সাধারণত বলা হয়ে থাকে যে ক্ষমতাবানেরাই আইনের প্রতি থোড়াই কেয়ার ভাব দেখান। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতা পাওয়ার দৌড়ের লাইনে দাঁড়িয়েই আইনকে বুড়ো আঙুল দেখাতেও কেউ কেউ তোয়াক্কা করছেন না।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন বৃহস্পতিবার সারা দেশে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করার প্রতিযোগিতা চলেছে বলে আজকের পত্রিকাসহ প্রায় সব জাতীয় দৈনিকেই খবর বের হয়েছে। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে অনেক প্রার্থীই আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। বিশাল মিছিল কিংবা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে তাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ পাঁচজনকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের মিছিল কিংবা শোডাউন করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, অসংখ্য প্রার্থী এই আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় বৃহস্পতিবার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ অন্তত ২৬ জনকে শোকজ করেছে ইসির গঠন করা নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।
যাঁদের শোকজ করা হয়েছে, তাঁরা সবাই ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি নির্বাচন করছে না। বিএনপিকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন, সেই নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য হবে সেই প্রশ্ন যখন ঘুরছে, তখন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা আচরণবিধি ভঙ্গ করে কী বার্তা দিতে চান? তাঁরা যা খুশি তা-ই করার লাইসেন্সপ্রাপ্ত কি? সরকারি দল করলেই সাত খুন মাফ হয়ে যায় বলে যে একটি ধারণা জনমনে বাসা বেঁধে আছে, তা ভেঙে দিতে না পারলে, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা কষ্টকরই হবে।
আচরণবিধি ভঙ্গকারীদের সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। যাঁদের সামনে হাজির হয়ে এই ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে, তাঁদের মেরুদণ্ড যদি সোজা না হয়ে থাকে, তাহলে তো যে ব্যাখ্যাই দেওয়া হবে, তাতেই তাঁদের সন্তুষ্ট হওয়ার কথা। আমরা আশা করব, আচরণবিধি লঙ্ঘন করার বিষয়টিকে যেন লঘু অপরাধ হিসেবে না দেখা হয়। যদি এটাকে হালকা হিসেবে দেখা হয়, তাহলে নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাঁরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারেন।
সংসদ নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে খুব উৎসাহ-উদ্দীপনা আছে বলে মনে হয় না। মানুষ যাতে কোনো কারণে ভোটবিমুখ না হয়ে ওঠে, সেদিকে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মনোযোগ থাকা দরকার।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫