ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও থেকে দেখা যাচ্ছে নেপালে অবস্থিত হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। গত শনিবার থেকে সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের বুঁড়িরবাধ এলাকা থেকে দেখা মিলছে পর্বতশৃঙ্গের।
স্থানীয়রা জানান, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হালকা শীতের সময় জেলার পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও শহর থেকে এই পর্বতচূড়া দেখা যায়। এসব অঞ্চল থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলেও স্পষ্ট দেখা যায় বুড়িরবাঁধ এলাকায়।
বুড়িরবাঁধের স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল বলেন, কাঞ্চনজঙ্ঘার দিকে যতবার তাকিয়ে থাকি মন জুড়িয়ে যায়। এর প্রতি টান কখনো কমে না। প্রতিবছর এ সময়ে এ দৃশ্য দেখা মিলে।
নীলফামারী থেকে আসা মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ‘শীতের সময়টিতে ঠাকুরগাঁও থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায় এই খবর শুনে পরিবার নিয়ে এসেছি। ওপারে যাওয়ার পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই দেখা যাচ্ছে পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা।’
সহপাঠীদের নিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আজ (রোববার) সকালে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্য দেখে মন জুড়িয়ে গেছে। সত্যিই অসাধারণ এই পাহাড়ের দৃশ্য।’
আকচা এলাকার প্রশান্ত কুমার বলেন, ‘পঞ্চগড় ছাড়াও ঠাকুরগাঁও থেকেই খালি চোখে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পেয়েছি, এ দৃশ্য আমাদের বিমোহিত করেছে।’
কাঞ্চনজঙ্ঘা উপভোগ করার মোক্ষম সময় সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, ভোর থেকে সকাল ১০টা এবং পড়ন্ত বিকেলে বরফের গায়ে সোনালি রোদমাখা কাঞ্চনজঙ্ঘা নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখা মিলে। ভোরের আলোয় এবং বিকেলে পর্বতচূড়াটি পোড়া মাটির রঙ নেয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা ঝাপসা হয়ে আসে। তখন রঙ হয় সাদা। দূর থেকে মনে হয় এ যেন আকাশের গায়ে এক খণ্ড বরফ। কেবল মেঘমুক্ত ও কুয়াশামুক্ত গাঢ় নীল আকাশ থাকলেই দেখা দেয় হিমালয়ের এই পর্বতশৃঙ্গ। তবে আকাশে মেঘ বা কুয়াশা থাকলে অনেক সময় নিরাশ হয়ে ফিরে যেতে হয় দর্শনার্থীদের।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (ইএসডিও) নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ শহীদ উজ জামান বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের গোবিন্দনগর এলাকায় আমার নিজস্ব অফিসের ৫ তলা ভবনের ছাদ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত সুন্দরভাবে দেখা যায়। সে জন্য ভবনের ওপরে আলাদাভাবে ছাদ তৈরি করেছি। অফিসের কর্মীরা যেন কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্য দেখতে পান।’
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মো. সামসুজ্জামান বলেন, ‘ভ্রমণ পিপাসুসহ স্থানীয়রা শীতের আমেজে রুপালি কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। আমি নিজেও এ দৃশ্য উপভোগ করি। এখানকার মানুষ বেশ আন্তরিক এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ভালো। তাই ভ্রমণপিপাসু আর পর্যটকেরা অনায়াসেই এসে ঘুরে যেতে পারেন ঠাকুরগাঁওয়ে।’

ঠাকুরগাঁও থেকে দেখা যাচ্ছে নেপালে অবস্থিত হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। গত শনিবার থেকে সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের বুঁড়িরবাধ এলাকা থেকে দেখা মিলছে পর্বতশৃঙ্গের।
স্থানীয়রা জানান, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হালকা শীতের সময় জেলার পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও শহর থেকে এই পর্বতচূড়া দেখা যায়। এসব অঞ্চল থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলেও স্পষ্ট দেখা যায় বুড়িরবাঁধ এলাকায়।
বুড়িরবাঁধের স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল বলেন, কাঞ্চনজঙ্ঘার দিকে যতবার তাকিয়ে থাকি মন জুড়িয়ে যায়। এর প্রতি টান কখনো কমে না। প্রতিবছর এ সময়ে এ দৃশ্য দেখা মিলে।
নীলফামারী থেকে আসা মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ‘শীতের সময়টিতে ঠাকুরগাঁও থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায় এই খবর শুনে পরিবার নিয়ে এসেছি। ওপারে যাওয়ার পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই দেখা যাচ্ছে পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা।’
সহপাঠীদের নিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আজ (রোববার) সকালে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্য দেখে মন জুড়িয়ে গেছে। সত্যিই অসাধারণ এই পাহাড়ের দৃশ্য।’
আকচা এলাকার প্রশান্ত কুমার বলেন, ‘পঞ্চগড় ছাড়াও ঠাকুরগাঁও থেকেই খালি চোখে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পেয়েছি, এ দৃশ্য আমাদের বিমোহিত করেছে।’
কাঞ্চনজঙ্ঘা উপভোগ করার মোক্ষম সময় সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, ভোর থেকে সকাল ১০টা এবং পড়ন্ত বিকেলে বরফের গায়ে সোনালি রোদমাখা কাঞ্চনজঙ্ঘা নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখা মিলে। ভোরের আলোয় এবং বিকেলে পর্বতচূড়াটি পোড়া মাটির রঙ নেয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা ঝাপসা হয়ে আসে। তখন রঙ হয় সাদা। দূর থেকে মনে হয় এ যেন আকাশের গায়ে এক খণ্ড বরফ। কেবল মেঘমুক্ত ও কুয়াশামুক্ত গাঢ় নীল আকাশ থাকলেই দেখা দেয় হিমালয়ের এই পর্বতশৃঙ্গ। তবে আকাশে মেঘ বা কুয়াশা থাকলে অনেক সময় নিরাশ হয়ে ফিরে যেতে হয় দর্শনার্থীদের।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (ইএসডিও) নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ শহীদ উজ জামান বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের গোবিন্দনগর এলাকায় আমার নিজস্ব অফিসের ৫ তলা ভবনের ছাদ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত সুন্দরভাবে দেখা যায়। সে জন্য ভবনের ওপরে আলাদাভাবে ছাদ তৈরি করেছি। অফিসের কর্মীরা যেন কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্য দেখতে পান।’
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মো. সামসুজ্জামান বলেন, ‘ভ্রমণ পিপাসুসহ স্থানীয়রা শীতের আমেজে রুপালি কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। আমি নিজেও এ দৃশ্য উপভোগ করি। এখানকার মানুষ বেশ আন্তরিক এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ভালো। তাই ভ্রমণপিপাসু আর পর্যটকেরা অনায়াসেই এসে ঘুরে যেতে পারেন ঠাকুরগাঁওয়ে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫