সম্পাদকীয়

নির্বাচন নিয়ে যে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে, তার সমাধান হতে পারে সব পক্ষের নমনীয়তার মাধ্যমে। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের ভাবনাকেই একমাত্র ঠিক ভাবনা ভাবতে থাকলে নির্বাচনের আগে দেশে সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। তাতে প্রাণহানির আশঙ্কাও অমূলক নয়। এই জটিল পরিস্থিতিতে দেশ পড়ুক, সেটা দেশের মালিক জনগণ চায় না।
শঙ্কার কথা, রাজনীতির মাঠে এখন পর্যন্ত এক দল অন্য দলকে অগ্রাহ্য করে যাচ্ছে, একে অন্যকে দোষারোপ করে যাচ্ছে, কিন্তু মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে, তাদের এই রাজনৈতিক কথামালা শুধুই ক্ষমতার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ক্ষমতায় যাওয়া পর্যন্তই এই কথাগুলোর মূল্য আছে। কিন্তু আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এলে কোন দল বা কোন জোট জনগণের জন্য কী করবে, সেটা তারা বলছে না। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই শুধু এই সমস্যার সমাধানের পথ নয়, সেই নির্বাচনের পর দেশবাসী কোন আশার আলো দেখতে পাবে, সেটাও হতে পারে জরুরি আলোচনা।
গত সোমবার প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নিজেদের অবস্থানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অনড় হয়ে থাকায় যে রাজনৈতিক সংকটের জন্ম হয়েছে, তা কোন পথে কাটতে পারে, সেটা নিশ্চয়ই এই দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির আলোচনায় স্থান পেয়েছিল। তাঁরা কেউ আলোচনার ব্যাপারে মুখ খোলেননি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় মূলত প্রশাসন কী করে চলবে, রাজনৈতিকভাবে দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে নির্বাচন-সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি হয়তো তাঁদের আলোচনায় ছিল।
যেকোনো সমস্যার সমাধানের পথ বেরিয়ে আসে সংলাপের মাধ্যমে। এখন পর্যন্ত মূল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো সংলাপের কথা ভাবছে না। আওয়ামী লীগ আর বিএনপি এবং সঙ্গে তাদের সমমনা দলগুলো এখনো পরস্পরকে দোষারোপ করে আনন্দ পাচ্ছে। এ ধরনের উত্তেজক অবস্থায় সুস্থ সংলাপ অনুষ্ঠানেরও সুযোগ থাকে না। বিএনপির মহাসচিব এরই মধ্যে বলেছেন, সোজা কথায় কাজ না হলে রাজপথেই ফয়সালা হবে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলছে, সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে নেমেছে যে দল, সেই দলের সঙ্গে সংলাপের কোনো প্রয়োজন নেই। দুই পক্ষের ভাবনা এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে কি হবে না—তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। সেটাকেই মূল সংকট হিসেবে দেখছেন তাঁরা।
সাধারণ জনগণও এই সংকট নিয়ে ভাবছে বটে, তবে তারা আশা করছে, এই সংকট উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য দুই পক্ষ সংলাপে বসবে। সে আশা যেন দুরাশা না হয়, সেটাই জরুরি প্রশ্ন এখন। সাধারণ জনগণ এটাও নিশ্চয়ই চাইছে যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট কেটে যাবে তখনই, যখন নির্বাচনে নিজের ভোটটি নিজে দিতে পারবে মানুষ। কিন্তু রাজনৈতিক সফলতা শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার পথটি মসৃণ করলেই চলবে না, জনগণ যে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে আছে, তা থেকে মুক্তির পথও দেখাতে হবে। দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি, নির্বাচনের দাপটে সেই অতি জরুরি বিষয়টিই এখন পর্যন্ত রাজনীতিবিদদের আলোচনায় গুরুত্ব পায়নি।

নির্বাচন নিয়ে যে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে, তার সমাধান হতে পারে সব পক্ষের নমনীয়তার মাধ্যমে। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের ভাবনাকেই একমাত্র ঠিক ভাবনা ভাবতে থাকলে নির্বাচনের আগে দেশে সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। তাতে প্রাণহানির আশঙ্কাও অমূলক নয়। এই জটিল পরিস্থিতিতে দেশ পড়ুক, সেটা দেশের মালিক জনগণ চায় না।
শঙ্কার কথা, রাজনীতির মাঠে এখন পর্যন্ত এক দল অন্য দলকে অগ্রাহ্য করে যাচ্ছে, একে অন্যকে দোষারোপ করে যাচ্ছে, কিন্তু মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে, তাদের এই রাজনৈতিক কথামালা শুধুই ক্ষমতার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ক্ষমতায় যাওয়া পর্যন্তই এই কথাগুলোর মূল্য আছে। কিন্তু আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এলে কোন দল বা কোন জোট জনগণের জন্য কী করবে, সেটা তারা বলছে না। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই শুধু এই সমস্যার সমাধানের পথ নয়, সেই নির্বাচনের পর দেশবাসী কোন আশার আলো দেখতে পাবে, সেটাও হতে পারে জরুরি আলোচনা।
গত সোমবার প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নিজেদের অবস্থানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অনড় হয়ে থাকায় যে রাজনৈতিক সংকটের জন্ম হয়েছে, তা কোন পথে কাটতে পারে, সেটা নিশ্চয়ই এই দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির আলোচনায় স্থান পেয়েছিল। তাঁরা কেউ আলোচনার ব্যাপারে মুখ খোলেননি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় মূলত প্রশাসন কী করে চলবে, রাজনৈতিকভাবে দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে নির্বাচন-সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি হয়তো তাঁদের আলোচনায় ছিল।
যেকোনো সমস্যার সমাধানের পথ বেরিয়ে আসে সংলাপের মাধ্যমে। এখন পর্যন্ত মূল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো সংলাপের কথা ভাবছে না। আওয়ামী লীগ আর বিএনপি এবং সঙ্গে তাদের সমমনা দলগুলো এখনো পরস্পরকে দোষারোপ করে আনন্দ পাচ্ছে। এ ধরনের উত্তেজক অবস্থায় সুস্থ সংলাপ অনুষ্ঠানেরও সুযোগ থাকে না। বিএনপির মহাসচিব এরই মধ্যে বলেছেন, সোজা কথায় কাজ না হলে রাজপথেই ফয়সালা হবে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলছে, সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে নেমেছে যে দল, সেই দলের সঙ্গে সংলাপের কোনো প্রয়োজন নেই। দুই পক্ষের ভাবনা এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে কি হবে না—তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। সেটাকেই মূল সংকট হিসেবে দেখছেন তাঁরা।
সাধারণ জনগণও এই সংকট নিয়ে ভাবছে বটে, তবে তারা আশা করছে, এই সংকট উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য দুই পক্ষ সংলাপে বসবে। সে আশা যেন দুরাশা না হয়, সেটাই জরুরি প্রশ্ন এখন। সাধারণ জনগণ এটাও নিশ্চয়ই চাইছে যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট কেটে যাবে তখনই, যখন নির্বাচনে নিজের ভোটটি নিজে দিতে পারবে মানুষ। কিন্তু রাজনৈতিক সফলতা শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার পথটি মসৃণ করলেই চলবে না, জনগণ যে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে আছে, তা থেকে মুক্তির পথও দেখাতে হবে। দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি, নির্বাচনের দাপটে সেই অতি জরুরি বিষয়টিই এখন পর্যন্ত রাজনীতিবিদদের আলোচনায় গুরুত্ব পায়নি।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫