জাকির হোসেন, সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জের চার উপজেলা ছাতক, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর ও শান্তিগঞ্জে দুই শতাধিক গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়। পানি নেমে গেলেও নতুন করে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে বন্যাকবলিত বাড়িঘরে। ঘর থেকে বের হলেই দুর্গন্ধযুক্ত পানি। এতে অতিষ্ঠ মানুষ।
এ ছাড়া বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি ব্যবহার ও স্পর্শ না করতে নিষেধ করছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষ করে ছাতক ও সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার বসতভিটায় পানি ওঠার ফলে শহরের বর্জ্যের সঙ্গে মিশে তা আশপাশে জমে আছে। পানি নেমে যাওয়ার পরে এসব ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ এখন নতুন সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সুনামগঞ্জ পৌরশহরের পশ্চিম হাজীপাড়ার বাসিন্দা আলেয়া বেগম বলেন, ‘আমাদের কাঁচাঘর। পানি উঠে যাওয়ার পর আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাই। এখন বাসায় আসার পর আরেক সমস্যায় পড়েছি—দুর্গন্ধে বাসায় থাকা কঠিন হয়ে গেছে।’
তেঘরিয়া আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মনোয়ার আহমদ বলেন, ‘শহরের সব ময়লা-আবর্জনা পানির সঙ্গে ভেসে বাড়ির সামনে জমা হইছে। পানি নামলেও এসব ময়লা বাড়ির সামনেই রয়ে গেছে। বাজে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষ এসব ময়লা অপসারণ না করলে সমস্যায় পড়তে হবে।’
বন্যার পানিতে সুনামগঞ্জ পৌরশহরের পশ্চিম হাজীপাড়া, নবীনগর, পূর্ব-পশ্চিম নতুনপাড়া, কালীপুর, হাছনবসত, সুলতানপুর, শান্তিবাগ এলাকায় পচা ও জমাট বাঁধা পানি ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এ কারণে পানিবাহিত রোগবালাই বেড়ে যাচ্ছে।
টানা ১৫ দিন ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার বেশির ভাগ এলাকা ডুবে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি বদলেছে, তবে বন্যা-পরবর্তী দুর্ভোগ এখন ঘরে ঘরে।
অন্যদিকে জেলার চার উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবেছিল প্রায় দেড় হাজার টিউবওয়েল। এসব টিউবওয়েল দিয়ে এখনো ঘোলাটে ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি বের হচ্ছে; যা পান ও ব্যবহার করতে পারছে না মানুষ। আবার অনেকে নিরুপায় হয়ে এই পানিই ব্যবহার করছে।
সুনামগঞ্জ জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কাসেম বলেন, বন্যায় সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার ও ছাতকের প্রায় এক হাজার টিউবওয়েল ডুবে গিয়েছিল। যেসব টিউবওয়েল থেকে পানি উঠতে সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেগুলো মেরামত করে পানি বিশুদ্ধকরণে কাজ করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা।
আবুল কাসেম আরও বলেন, ‘যে টিউবওয়েলগুলো বিকল হয়নি, পানি সরার সঙ্গে সঙ্গে এক বালতি পানির মধ্যে ২০০ গ্রাম ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে সেগুলোতে ঢেলে দিয়ে কিছু সময় চাপ দিয়ে পানি বের করে দিতে হবে। এতে টিউবওয়েলটির পানি বিশুদ্ধকরণ হয়ে যাবে।’
সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন বলেন, এখনো অনেক জায়গায় বন্যার পানি জমে আছে। এই পানি ব্যবহার ও স্পর্শ করলে নানা রোগবালাই দেখা দিতে পারে।
সিভিল সার্জন বলেন, যে টিউবওয়েলগুলো পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে কয়েক দিন পানি খাওয়া যাবে না। টিউবওয়েলের পানি জীবাণুযুক্ত থাকতে পারে। তবে ফিটকিরি দিয়ে ব্যবহার করা যাবে। খাবার পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে উপজেলা হাসপাতাল, ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকে বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বন্যার পানি নেমে গেলেও পৌরশহরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ পৌরবাসীর।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র নাদের বখত বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছে। বন্যা-পরবর্তী রোগবালাই দেখা দিতে পারে। ঢলের সঙ্গে ভেসে আসা ময়লা-আবর্জনা আমরা দ্রুত পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছি।’

সুনামগঞ্জের চার উপজেলা ছাতক, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর ও শান্তিগঞ্জে দুই শতাধিক গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়। পানি নেমে গেলেও নতুন করে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে বন্যাকবলিত বাড়িঘরে। ঘর থেকে বের হলেই দুর্গন্ধযুক্ত পানি। এতে অতিষ্ঠ মানুষ।
এ ছাড়া বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি ব্যবহার ও স্পর্শ না করতে নিষেধ করছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষ করে ছাতক ও সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার বসতভিটায় পানি ওঠার ফলে শহরের বর্জ্যের সঙ্গে মিশে তা আশপাশে জমে আছে। পানি নেমে যাওয়ার পরে এসব ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ এখন নতুন সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সুনামগঞ্জ পৌরশহরের পশ্চিম হাজীপাড়ার বাসিন্দা আলেয়া বেগম বলেন, ‘আমাদের কাঁচাঘর। পানি উঠে যাওয়ার পর আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাই। এখন বাসায় আসার পর আরেক সমস্যায় পড়েছি—দুর্গন্ধে বাসায় থাকা কঠিন হয়ে গেছে।’
তেঘরিয়া আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মনোয়ার আহমদ বলেন, ‘শহরের সব ময়লা-আবর্জনা পানির সঙ্গে ভেসে বাড়ির সামনে জমা হইছে। পানি নামলেও এসব ময়লা বাড়ির সামনেই রয়ে গেছে। বাজে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষ এসব ময়লা অপসারণ না করলে সমস্যায় পড়তে হবে।’
বন্যার পানিতে সুনামগঞ্জ পৌরশহরের পশ্চিম হাজীপাড়া, নবীনগর, পূর্ব-পশ্চিম নতুনপাড়া, কালীপুর, হাছনবসত, সুলতানপুর, শান্তিবাগ এলাকায় পচা ও জমাট বাঁধা পানি ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এ কারণে পানিবাহিত রোগবালাই বেড়ে যাচ্ছে।
টানা ১৫ দিন ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার বেশির ভাগ এলাকা ডুবে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি বদলেছে, তবে বন্যা-পরবর্তী দুর্ভোগ এখন ঘরে ঘরে।
অন্যদিকে জেলার চার উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবেছিল প্রায় দেড় হাজার টিউবওয়েল। এসব টিউবওয়েল দিয়ে এখনো ঘোলাটে ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি বের হচ্ছে; যা পান ও ব্যবহার করতে পারছে না মানুষ। আবার অনেকে নিরুপায় হয়ে এই পানিই ব্যবহার করছে।
সুনামগঞ্জ জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কাসেম বলেন, বন্যায় সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার ও ছাতকের প্রায় এক হাজার টিউবওয়েল ডুবে গিয়েছিল। যেসব টিউবওয়েল থেকে পানি উঠতে সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেগুলো মেরামত করে পানি বিশুদ্ধকরণে কাজ করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা।
আবুল কাসেম আরও বলেন, ‘যে টিউবওয়েলগুলো বিকল হয়নি, পানি সরার সঙ্গে সঙ্গে এক বালতি পানির মধ্যে ২০০ গ্রাম ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে সেগুলোতে ঢেলে দিয়ে কিছু সময় চাপ দিয়ে পানি বের করে দিতে হবে। এতে টিউবওয়েলটির পানি বিশুদ্ধকরণ হয়ে যাবে।’
সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন বলেন, এখনো অনেক জায়গায় বন্যার পানি জমে আছে। এই পানি ব্যবহার ও স্পর্শ করলে নানা রোগবালাই দেখা দিতে পারে।
সিভিল সার্জন বলেন, যে টিউবওয়েলগুলো পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে কয়েক দিন পানি খাওয়া যাবে না। টিউবওয়েলের পানি জীবাণুযুক্ত থাকতে পারে। তবে ফিটকিরি দিয়ে ব্যবহার করা যাবে। খাবার পানি বিশুদ্ধকরণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে উপজেলা হাসপাতাল, ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকে বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বন্যার পানি নেমে গেলেও পৌরশহরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ পৌরবাসীর।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র নাদের বখত বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছে। বন্যা-পরবর্তী রোগবালাই দেখা দিতে পারে। ঢলের সঙ্গে ভেসে আসা ময়লা-আবর্জনা আমরা দ্রুত পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছি।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫