সম্পাদকীয়

ঢাকা এখন বিশ্বের অন্যতম দূষিত শহর। ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। ১৫ জানুয়ারি আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রার সব রেকর্ড ভেঙে বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে। এত দিন বায়ুদূষণে ভারতের নয়াদিল্লি এগিয়ে ছিল। এবার ঢাকা তাকে পেছনে ফেলেছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (একিউআই) মতে, ১৪ জানুয়ারি ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ২৫১। ঢাকার পরে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের নয়াদিল্লি, তৃতীয় উজবেকিস্তানের তাসখন্দ এবং চতুর্থ ভারতের মুম্বাই শহর।
একিউআই স্কোর ১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত আর স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে সতর্কতাসহ জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই হিসাব অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থা এখন ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। কিন্তু ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা এক দিনে এতটা খারাপ হয়নি। কী কী কারণে বায়ুদূষণ হয়, সেটা আমাদের একেবারে যে জানা নেই, তা-ও কিন্তু নয়। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর অ্যাটমোস্ফিয়ারিক পলিউশন স্টাডিজের ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ঢাকার ৩০ শতাংশ বেশি দূষণ হয় অপরিকল্পিত ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে রাস্তা কাটা ও নির্মাণকাজের কারণে। এরপর ইটভাটা ও কলকারখানার ধোঁয়ায় ২৯ শতাংশ এবং যানবাহনের কালো ধোঁয়ার কারণে ১৫ শতাংশ বায়ুদূষণ হয়ে থাকে; অর্থাৎ দূষণের এই কারণগুলো দূর করা জরুরি হলেও সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই।
আমাদের দেশে দূষণ রোধে ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং ১৯৯৭ সালে পরিবেশদূষণ বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। পরিবেশ আদালত চালু করা হয় ২০০০ সালে। পরিবেশদূষণ রোধে হাইকোর্টেরও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর পরিবেশ অধিদপ্তর (ডিওই), দুই সিটি করপোরেশন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআরটিএ) ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে ছিল বর্জ্য বহনকারী যানবাহন, নির্মাণসামগ্রী ও নির্মাণকাজের স্থানগুলো ঢেকে রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এ ছাড়া বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঢাকার রাস্তায় পানি ছিটানোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল।
হাইকোর্ট যাদের প্রতি এসব নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তারা তা মান্য করলে ঢাকার বাতাসের দূষণের মাত্রা আজকের ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছাত না। একিউআইয়ের দেওয়া সূচক অনুযায়ী, বায়ুদূষণের এই মাত্রা ঢাকায় প্রকাশ্যে চলাচল করা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে; বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ ও রোগীদের বাড়ির ভেতরে থাকার এবং অন্যদেরও বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে মানুষ কি ঘরবন্দী হয়ে থাকতে পারে? জীবন-জীবিকার জন্য মানুষের চলাচল অপরিহার্য। ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করার জন্য গালভরা বুলি নয়, প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা। কিন্তু শহরটাকে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসবেন কে?

ঢাকা এখন বিশ্বের অন্যতম দূষিত শহর। ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। ১৫ জানুয়ারি আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রার সব রেকর্ড ভেঙে বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে। এত দিন বায়ুদূষণে ভারতের নয়াদিল্লি এগিয়ে ছিল। এবার ঢাকা তাকে পেছনে ফেলেছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (একিউআই) মতে, ১৪ জানুয়ারি ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ২৫১। ঢাকার পরে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের নয়াদিল্লি, তৃতীয় উজবেকিস্তানের তাসখন্দ এবং চতুর্থ ভারতের মুম্বাই শহর।
একিউআই স্কোর ১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত আর স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে সতর্কতাসহ জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই হিসাব অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থা এখন ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। কিন্তু ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা এক দিনে এতটা খারাপ হয়নি। কী কী কারণে বায়ুদূষণ হয়, সেটা আমাদের একেবারে যে জানা নেই, তা-ও কিন্তু নয়। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর অ্যাটমোস্ফিয়ারিক পলিউশন স্টাডিজের ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ঢাকার ৩০ শতাংশ বেশি দূষণ হয় অপরিকল্পিত ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে রাস্তা কাটা ও নির্মাণকাজের কারণে। এরপর ইটভাটা ও কলকারখানার ধোঁয়ায় ২৯ শতাংশ এবং যানবাহনের কালো ধোঁয়ার কারণে ১৫ শতাংশ বায়ুদূষণ হয়ে থাকে; অর্থাৎ দূষণের এই কারণগুলো দূর করা জরুরি হলেও সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই।
আমাদের দেশে দূষণ রোধে ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং ১৯৯৭ সালে পরিবেশদূষণ বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। পরিবেশ আদালত চালু করা হয় ২০০০ সালে। পরিবেশদূষণ রোধে হাইকোর্টেরও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর পরিবেশ অধিদপ্তর (ডিওই), দুই সিটি করপোরেশন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআরটিএ) ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে ছিল বর্জ্য বহনকারী যানবাহন, নির্মাণসামগ্রী ও নির্মাণকাজের স্থানগুলো ঢেকে রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এ ছাড়া বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঢাকার রাস্তায় পানি ছিটানোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল।
হাইকোর্ট যাদের প্রতি এসব নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তারা তা মান্য করলে ঢাকার বাতাসের দূষণের মাত্রা আজকের ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছাত না। একিউআইয়ের দেওয়া সূচক অনুযায়ী, বায়ুদূষণের এই মাত্রা ঢাকায় প্রকাশ্যে চলাচল করা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে; বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ ও রোগীদের বাড়ির ভেতরে থাকার এবং অন্যদেরও বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে মানুষ কি ঘরবন্দী হয়ে থাকতে পারে? জীবন-জীবিকার জন্য মানুষের চলাচল অপরিহার্য। ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করার জন্য গালভরা বুলি নয়, প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা। কিন্তু শহরটাকে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসবেন কে?

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫