সাজন আহম্মেদ পাপন, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জে হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসাবর্জ্য সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে মিশিয়ে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এতে চিকিৎসা বর্জ্য বিশেষ প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জীবাণুমুক্ত হওয়ার আগেই এসব চিকিৎসাবর্জ্য চলে যাচ্ছে সাধারণ বর্জ্যের ভাগাড়ে। আর পরিশোধন ছাড়াই নালানর্দমা হয়ে তরল বর্জ্য গিয়ে মিশছে বিভিন্ন নদ-নদীতে। বর্জ্যের এমন অব্যবস্থাপনার কারণে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে মানুষ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব বর্জ্য থেকে হেপাটাইটিস বি ও সি, নানা ধরনের চর্মরোগ ও শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহসহ অনেক রোগ ছড়াতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চিকিৎসক জানান, চিকিৎসাব্যবস্থার পরিসর অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই সঙ্গে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ চিকিৎসাবর্জ্য তৈরি হচ্ছে।
এই বর্জ্যের বেশির ভাগই কমবেশি সংক্রামক, এগুলোর মাধ্যমে রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। চিকিৎসাবর্জ্যকে অবশ্যই জনস্বাস্থ্যসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। নইলে চিকিৎসা ব্যবস্থা কার্যকর হবে না।
জেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসাবর্জ্য আলাদা করে ফেলার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। সাধারণ বর্জ্যের মতো হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিকের বর্জ্যও ভাগাড়ে ফেলা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপন্ন ৯০ শতাংশ বর্জ্যই এভাবে রাস্তার পাশের খোলা ডাস্টবিন, নর্দমা কিংবা সংলগ্ন নদ-নদীতে ফেলা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে, রক্ত-পুঁজমিশ্রিত তুলা ও গজ ব্যান্ডেজ, ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, সুচ, রক্তের ব্যাগ, স্যালাইনের ব্যাগ, এমনকি মানুষের দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন সংক্রমিত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আলাদা করে চিকিৎসাবর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা থাকলেও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে তা ফেলে দেয়। টোকাই ফেরিওয়ালারা এসব চিকিৎসাবর্জ্য সংগ্রহ করে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করে দেয়।
চিকিৎসাবর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা অনুযায়ী, এসব সংক্রামক বর্জ্য বিনষ্ট করতে হবে। তবে আইন থাকলেও তদারকির অভাবে এর বাস্তবায়ন নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট রুবাইয়াত তাহরীম সৌরভ বলেন, হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার যদি চিকিৎসাবর্জ্য সঠিক উপায়ে নষ্ট না করে তবে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিধিমালা অনুযায়ী মোবাইল কোর্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. পারভেজ মিয়া বলেন, ‘হাসপাতালের চিকিৎসাবর্জ্য আমার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়ে আসে। জানুয়ারি মাসে আমাদের ডাম্পিং ব্যবস্থা চালু হয়ে গেলে চিকিৎসাবর্জ্য আমরা নিয়ে আসব। ক্লিনিকগুলোর চিকিৎসাবর্জ্য ধ্বংস করে ক্লিনিক অ্যাসোসিয়েশন।
সিভিল সার্জন সাইফুল ইসলাম বলেন, যার যার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার তারা তাদের চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করবে। কোনো ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার যদি সঠিক প্রক্রিয়ায় বর্জ্য ধ্বংস না করে তবে অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিশোরগঞ্জে হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসাবর্জ্য সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে মিশিয়ে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এতে চিকিৎসা বর্জ্য বিশেষ প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জীবাণুমুক্ত হওয়ার আগেই এসব চিকিৎসাবর্জ্য চলে যাচ্ছে সাধারণ বর্জ্যের ভাগাড়ে। আর পরিশোধন ছাড়াই নালানর্দমা হয়ে তরল বর্জ্য গিয়ে মিশছে বিভিন্ন নদ-নদীতে। বর্জ্যের এমন অব্যবস্থাপনার কারণে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে মানুষ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব বর্জ্য থেকে হেপাটাইটিস বি ও সি, নানা ধরনের চর্মরোগ ও শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহসহ অনেক রোগ ছড়াতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চিকিৎসক জানান, চিকিৎসাব্যবস্থার পরিসর অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই সঙ্গে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ চিকিৎসাবর্জ্য তৈরি হচ্ছে।
এই বর্জ্যের বেশির ভাগই কমবেশি সংক্রামক, এগুলোর মাধ্যমে রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। চিকিৎসাবর্জ্যকে অবশ্যই জনস্বাস্থ্যসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। নইলে চিকিৎসা ব্যবস্থা কার্যকর হবে না।
জেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসাবর্জ্য আলাদা করে ফেলার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। সাধারণ বর্জ্যের মতো হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিকের বর্জ্যও ভাগাড়ে ফেলা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপন্ন ৯০ শতাংশ বর্জ্যই এভাবে রাস্তার পাশের খোলা ডাস্টবিন, নর্দমা কিংবা সংলগ্ন নদ-নদীতে ফেলা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে, রক্ত-পুঁজমিশ্রিত তুলা ও গজ ব্যান্ডেজ, ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, সুচ, রক্তের ব্যাগ, স্যালাইনের ব্যাগ, এমনকি মানুষের দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন সংক্রমিত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আলাদা করে চিকিৎসাবর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা থাকলেও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে তা ফেলে দেয়। টোকাই ফেরিওয়ালারা এসব চিকিৎসাবর্জ্য সংগ্রহ করে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করে দেয়।
চিকিৎসাবর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা অনুযায়ী, এসব সংক্রামক বর্জ্য বিনষ্ট করতে হবে। তবে আইন থাকলেও তদারকির অভাবে এর বাস্তবায়ন নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট রুবাইয়াত তাহরীম সৌরভ বলেন, হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার যদি চিকিৎসাবর্জ্য সঠিক উপায়ে নষ্ট না করে তবে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিধিমালা অনুযায়ী মোবাইল কোর্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. পারভেজ মিয়া বলেন, ‘হাসপাতালের চিকিৎসাবর্জ্য আমার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়ে আসে। জানুয়ারি মাসে আমাদের ডাম্পিং ব্যবস্থা চালু হয়ে গেলে চিকিৎসাবর্জ্য আমরা নিয়ে আসব। ক্লিনিকগুলোর চিকিৎসাবর্জ্য ধ্বংস করে ক্লিনিক অ্যাসোসিয়েশন।
সিভিল সার্জন সাইফুল ইসলাম বলেন, যার যার ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার তারা তাদের চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করবে। কোনো ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার যদি সঠিক প্রক্রিয়ায় বর্জ্য ধ্বংস না করে তবে অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫