আমিনুল হক, ফুলছড়ি (গাইবান্ধা)

‘সারা রাত ঘুম ধরে না, সবসময় আতঙ্কে থাকি বাড়ি বুঝি ভাইঙা পড়ে নদে, এখনো বানের (বন্যার) সময় হয় নাই, তাতেই যেভাবে নদীভাঙন শুরু হয়েছে, বান এলে বাড়িভিটা রক্ষা হবে না, পরিবার-পরিজন নিয়ে যাওয়ার তেমন কোনো জায়গা নেই, খুবই দুশ্চিন্তা হচ্ছে।’ ব্রহ্মপুত্রের তীরে বসতভিটায় দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন গাইবান্ধা ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের দাড়িয়ারভিটা গ্রামের আনোয়ারা বেগম (৪৬)।
কই ধরনের কথা বলেন, ওই গ্রামের আব্দুল আজিজ, শামছুল আলম, আবু বক্কর, জাহিদুল ইসলাম ও ছকু মিয়াসহ অনেকে।
উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের কটিয়ারভিটা গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, এলাকাটিতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন বেড়ে গেছে। বাড়িঘর ভেঙে ও গাছপালা কেটে নিয়ে এলাকা ছাড়ছেন তীরের বাসিন্দারা।
জানা গেছে, উপজেলার সাত ইউনিয়নেই প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে বন্যা ও নদীভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনে সর্বহারা হন নদীপাড়ের শত শত পরিবার। নদীপাড়ের বাসিন্দাদের প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকতে হয়। এ বছরও এর ব্যতিক্রম হয়নি। স্থানীয়ভাবে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়।
ভাঙনে নদেরগর্ভে বিলীন হচ্ছে বাড়িঘর, গাছপালা ও আবাদি জমি। সবচেয়ে বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে, উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের কটিয়ারভিটা, ভুষিরভিটা, দাড়িয়ারভিটা, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের জিগাবাড়ী, সন্ন্যাসীর চর, আনন্দবাড়ী, চর চৌমহন, ধলী পাটাধোয়া, গজারিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া, গলনা ও জিয়াডাঙ্গা গ্রামে।
এ ছাড়া ফুলছড়ি ও ফজলুপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ বছর ভাঙনের শিকার হয়ে এরই মধ্যে দুই শতাধিক পরিবার তাঁদের বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন। ভাঙনে হুমকিতে রয়েছে উড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর-কালাসোনা সরকারি প্রাথমিক, দাড়িয়ারভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকার বহু ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি।
গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পভুক্ত মুন্সিপাড়ায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার সঠিক সময়ে কাজ না করায় এ পরিস্থিতি। মুন্সিপাড়া এলাকা রক্ষায় জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লকের কাজ করার কথা। কিন্তু ঠিকাদার এখনো জিও ব্যাগের কাজই করতে পারেনি। প্রকল্পের কাজটি দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’ গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগীয় উপপ্রকৌশলী মজিবর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নদীভাঙনরোধে উড়িয়ার কটিয়ারভিটা থেকে ভূষিরভিটা পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ৬৫০ মিটার এলাকায় ৬৫ হাজার বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। প্রকল্প এলাকা ভাঙনমুক্ত হলেও আশপাশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পানি বৃদ্ধির কারণে মুন্সিপাড়া এলাকার প্রকল্পের কাজ কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।

‘সারা রাত ঘুম ধরে না, সবসময় আতঙ্কে থাকি বাড়ি বুঝি ভাইঙা পড়ে নদে, এখনো বানের (বন্যার) সময় হয় নাই, তাতেই যেভাবে নদীভাঙন শুরু হয়েছে, বান এলে বাড়িভিটা রক্ষা হবে না, পরিবার-পরিজন নিয়ে যাওয়ার তেমন কোনো জায়গা নেই, খুবই দুশ্চিন্তা হচ্ছে।’ ব্রহ্মপুত্রের তীরে বসতভিটায় দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন গাইবান্ধা ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের দাড়িয়ারভিটা গ্রামের আনোয়ারা বেগম (৪৬)।
কই ধরনের কথা বলেন, ওই গ্রামের আব্দুল আজিজ, শামছুল আলম, আবু বক্কর, জাহিদুল ইসলাম ও ছকু মিয়াসহ অনেকে।
উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের কটিয়ারভিটা গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, এলাকাটিতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন বেড়ে গেছে। বাড়িঘর ভেঙে ও গাছপালা কেটে নিয়ে এলাকা ছাড়ছেন তীরের বাসিন্দারা।
জানা গেছে, উপজেলার সাত ইউনিয়নেই প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে বন্যা ও নদীভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনে সর্বহারা হন নদীপাড়ের শত শত পরিবার। নদীপাড়ের বাসিন্দাদের প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকতে হয়। এ বছরও এর ব্যতিক্রম হয়নি। স্থানীয়ভাবে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়।
ভাঙনে নদেরগর্ভে বিলীন হচ্ছে বাড়িঘর, গাছপালা ও আবাদি জমি। সবচেয়ে বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে, উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের কটিয়ারভিটা, ভুষিরভিটা, দাড়িয়ারভিটা, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের জিগাবাড়ী, সন্ন্যাসীর চর, আনন্দবাড়ী, চর চৌমহন, ধলী পাটাধোয়া, গজারিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া, গলনা ও জিয়াডাঙ্গা গ্রামে।
এ ছাড়া ফুলছড়ি ও ফজলুপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ বছর ভাঙনের শিকার হয়ে এরই মধ্যে দুই শতাধিক পরিবার তাঁদের বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন। ভাঙনে হুমকিতে রয়েছে উড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর-কালাসোনা সরকারি প্রাথমিক, দাড়িয়ারভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকার বহু ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি।
গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পভুক্ত মুন্সিপাড়ায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার সঠিক সময়ে কাজ না করায় এ পরিস্থিতি। মুন্সিপাড়া এলাকা রক্ষায় জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লকের কাজ করার কথা। কিন্তু ঠিকাদার এখনো জিও ব্যাগের কাজই করতে পারেনি। প্রকল্পের কাজটি দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’ গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগীয় উপপ্রকৌশলী মজিবর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নদীভাঙনরোধে উড়িয়ার কটিয়ারভিটা থেকে ভূষিরভিটা পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ৬৫০ মিটার এলাকায় ৬৫ হাজার বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। প্রকল্প এলাকা ভাঙনমুক্ত হলেও আশপাশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পানি বৃদ্ধির কারণে মুন্সিপাড়া এলাকার প্রকল্পের কাজ কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫