গাজীপুর প্রতিনিধি

দেশের জমিতে ব্যবহারের সবচেয়ে উপযোগী ও সুলভ মূল্যের ধান কাটার যন্ত্র ‘কম্বাইন হারভেস্টর’ উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বিজ্ঞানীরা। এটির দাম বাজারের যেকোনো হারভেস্টরের অর্ধেক এবং অধিক কার্যকরী ও জ্বালানিসাশ্রয়ী।
হারভেস্টরটি উদ্ভাবক দলের প্রধান ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম জানান, তাঁদের উদ্ভাবিত ব্রি হোল ফিড কম্বাইন হারভেস্টরের ইঞ্জিন বিদেশ থেকে আনা। অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থানীয়ভাবে তৈরি। এর ইঞ্জিনের ক্ষমতা ৮৭ হর্স পাওয়ার। হারভেস্টরের কাটিং ব্লেডের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৫০০ মিলিমিটার, ওজন ৩ টন, গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ৩০০ মিলিমিটার।
সাইফুল ইসলাম বলেন, হারভেস্টরটি ঘণ্টায় ৩-৪ বিঘা জমির ধান কাটতে পারে। জ্বালানি খরচ হয় ঘণ্টায় সাড়ে ৩-৪ লিটার। হারভেস্টিং লস শতকরা এক ভাগের কম। আর দাম পড়বে মাত্র ১২-১৩ লাখ টাকা। এটি খণ্ড খণ্ড জমিতেও ব্যবহার উপযোগী।
গতকাল শুক্রবার সকালে গাজীপুরে ব্রি চত্বরে কম্বাইন হারভেস্টরটির কার্যক্রম পরিদর্শন করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় তিনি বলেন, ব্রির বিজ্ঞানীরা নিজেরা গবেষণা করে ধান কাটার মেশিনটি উদ্ভাবন করেছেন। এটি একটি অসাধারণ সাফল্য। এটির ধান কাটার ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি, দেশের ছোট ছোট জমিতে ব্যবহারের উপযোগী।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশের ইয়ানমারসহ বিভিন্ন কম্বাইন হারভেস্টরের দাম ২৫-৩০ লাখ টাকা, আর এটির দাম পড়বে ১২-১৩ লাখ টাকা। হার্ভেস্ট লসও কম। ব্রির উদ্ভাবিত যন্ত্রটি আমরা যদি স্থানীয়ভাবে তৈরি করে সারা দেশে ব্যবহার করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিপ্লব ঘটবে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষিকে লাভজনক করতে অনন্য ভূমিকা রাখবে।’
ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কৃষিশ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিজ্ঞানীদের মেধা ও মনন আর কৃষিশ্রমিকদের শ্রম ও ঘামে দেশে শতাধিক উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।’
এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিদায়ী সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, সদ্য যোগদান করা সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, ব্রির মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংস্থার প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে কৃষিমন্ত্রী ব্রির চত্বরে ব্রির শ্রমিকদের জন্য নির্মিত পাঁচতলাবিশিষ্ট আবাসিক ভবন ‘ব্রি শ্রমিক কলোনি ভবন’ উদ্বোধন করেন। একই দিন দুপুরে মন্ত্রী ব্রির প্রাঙ্গণে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক পুনর্মিলনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
পুনর্মিলনীতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আবদুর রৌফ, হাসানুজ্জামান কল্লোল, ওয়াহিদা আক্তার, বলাই কৃষ্ণ হাজরা, আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, মো. রেজাউল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলামকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। একই সময়ে মন্ত্রণালয়ে সদ্য যোগদানকারী সচিব সচিব মো. সায়েদুল ইসলামকে বরণ করে নেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাঁদের ক্রেস্ট এবং উপহার দেওয়া হয়। এসব উপহার ও ক্রেস্ট তুলে দেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

দেশের জমিতে ব্যবহারের সবচেয়ে উপযোগী ও সুলভ মূল্যের ধান কাটার যন্ত্র ‘কম্বাইন হারভেস্টর’ উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বিজ্ঞানীরা। এটির দাম বাজারের যেকোনো হারভেস্টরের অর্ধেক এবং অধিক কার্যকরী ও জ্বালানিসাশ্রয়ী।
হারভেস্টরটি উদ্ভাবক দলের প্রধান ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম জানান, তাঁদের উদ্ভাবিত ব্রি হোল ফিড কম্বাইন হারভেস্টরের ইঞ্জিন বিদেশ থেকে আনা। অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থানীয়ভাবে তৈরি। এর ইঞ্জিনের ক্ষমতা ৮৭ হর্স পাওয়ার। হারভেস্টরের কাটিং ব্লেডের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৫০০ মিলিমিটার, ওজন ৩ টন, গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ৩০০ মিলিমিটার।
সাইফুল ইসলাম বলেন, হারভেস্টরটি ঘণ্টায় ৩-৪ বিঘা জমির ধান কাটতে পারে। জ্বালানি খরচ হয় ঘণ্টায় সাড়ে ৩-৪ লিটার। হারভেস্টিং লস শতকরা এক ভাগের কম। আর দাম পড়বে মাত্র ১২-১৩ লাখ টাকা। এটি খণ্ড খণ্ড জমিতেও ব্যবহার উপযোগী।
গতকাল শুক্রবার সকালে গাজীপুরে ব্রি চত্বরে কম্বাইন হারভেস্টরটির কার্যক্রম পরিদর্শন করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় তিনি বলেন, ব্রির বিজ্ঞানীরা নিজেরা গবেষণা করে ধান কাটার মেশিনটি উদ্ভাবন করেছেন। এটি একটি অসাধারণ সাফল্য। এটির ধান কাটার ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি, দেশের ছোট ছোট জমিতে ব্যবহারের উপযোগী।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশের ইয়ানমারসহ বিভিন্ন কম্বাইন হারভেস্টরের দাম ২৫-৩০ লাখ টাকা, আর এটির দাম পড়বে ১২-১৩ লাখ টাকা। হার্ভেস্ট লসও কম। ব্রির উদ্ভাবিত যন্ত্রটি আমরা যদি স্থানীয়ভাবে তৈরি করে সারা দেশে ব্যবহার করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিপ্লব ঘটবে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষিকে লাভজনক করতে অনন্য ভূমিকা রাখবে।’
ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কৃষিশ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিজ্ঞানীদের মেধা ও মনন আর কৃষিশ্রমিকদের শ্রম ও ঘামে দেশে শতাধিক উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।’
এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিদায়ী সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, সদ্য যোগদান করা সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, ব্রির মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংস্থার প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে কৃষিমন্ত্রী ব্রির চত্বরে ব্রির শ্রমিকদের জন্য নির্মিত পাঁচতলাবিশিষ্ট আবাসিক ভবন ‘ব্রি শ্রমিক কলোনি ভবন’ উদ্বোধন করেন। একই দিন দুপুরে মন্ত্রী ব্রির প্রাঙ্গণে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক পুনর্মিলনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
পুনর্মিলনীতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আবদুর রৌফ, হাসানুজ্জামান কল্লোল, ওয়াহিদা আক্তার, বলাই কৃষ্ণ হাজরা, আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, মো. রেজাউল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলামকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। একই সময়ে মন্ত্রণালয়ে সদ্য যোগদানকারী সচিব সচিব মো. সায়েদুল ইসলামকে বরণ করে নেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাঁদের ক্রেস্ট এবং উপহার দেওয়া হয়। এসব উপহার ও ক্রেস্ট তুলে দেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫