নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০১৫ সালে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুরান ঢাকার হোসেনি দালানে বোমা হামলার দায়ে দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা ও প্রকৃত হামলাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন বলে আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ড পাওয়া দুই আসামি হলেন কবীর হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আসিফ ও আরমান ওরফে মনির। আরমানকে ১০ বছর এবং কবিরকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
ট্রাইব্যুনাল রায়ে ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। খালাস পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন ওমর ফারুক মানিক, হাফেজ আহসান উল্লাহ মাহমুদ, শাহজালাল মিয়া, চান মিয়া, রুবেল ইসলাম ওরফে সজীব ও আবু সাঈদ রাসেল ওরফে সোলায়মান ওরফে সালমান ওরফে সায়মন।
এই মামলায় বেশির ভাগ আসামি খালাস পেয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল রায়ের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ শফি উদ্দিন শেখ মামলাটি তদন্ত করে বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা সম্পর্কে তথ্য উদ্ঘাটন করতে পারেননি। আবার কয়েকজন আসামিকে কেন এই মামলায় সম্পৃক্ত করা হয়েছে, সে-সংক্রান্ত কোনো ব্যাখ্যা অভিযোগপত্রে নেই। কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ ছাড়াই এই মামলার আসামি চান মিয়া, ওমর ফারুক, হাফেজ আহসান উল্লাহ ও শাহজালালকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা মারাত্মক ভুল করেছেন এবং চরমভাবে দায়িত্বে অবহেলার পরিচয় দিয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে হোসেনি দালান ইমামবাড়ায় বোমা-গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা ও প্রকৃত হামলাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।
২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর রাতে হোসেনি দালান এলাকায় তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে জেএমবির জঙ্গিরা বোমা হামলা চালায়। এতে দুজন নিহত ও শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। এ ঘটনায় চকবাজার থানার এসআই জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটি চকবাজার থানা-পুলিশ তদন্ত করে। পরে তদন্তভার ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়। তদন্ত শেষে ডিবি দক্ষিণের পুলিশ পরিদর্শক শফিউদ্দিন শেখ ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ১০ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেন।

২০১৫ সালে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুরান ঢাকার হোসেনি দালানে বোমা হামলার দায়ে দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা ও প্রকৃত হামলাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন বলে আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ড পাওয়া দুই আসামি হলেন কবীর হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আসিফ ও আরমান ওরফে মনির। আরমানকে ১০ বছর এবং কবিরকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
ট্রাইব্যুনাল রায়ে ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। খালাস পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন ওমর ফারুক মানিক, হাফেজ আহসান উল্লাহ মাহমুদ, শাহজালাল মিয়া, চান মিয়া, রুবেল ইসলাম ওরফে সজীব ও আবু সাঈদ রাসেল ওরফে সোলায়মান ওরফে সালমান ওরফে সায়মন।
এই মামলায় বেশির ভাগ আসামি খালাস পেয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল রায়ের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ শফি উদ্দিন শেখ মামলাটি তদন্ত করে বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা সম্পর্কে তথ্য উদ্ঘাটন করতে পারেননি। আবার কয়েকজন আসামিকে কেন এই মামলায় সম্পৃক্ত করা হয়েছে, সে-সংক্রান্ত কোনো ব্যাখ্যা অভিযোগপত্রে নেই। কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ ছাড়াই এই মামলার আসামি চান মিয়া, ওমর ফারুক, হাফেজ আহসান উল্লাহ ও শাহজালালকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা মারাত্মক ভুল করেছেন এবং চরমভাবে দায়িত্বে অবহেলার পরিচয় দিয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে হোসেনি দালান ইমামবাড়ায় বোমা-গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা ও প্রকৃত হামলাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।
২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর রাতে হোসেনি দালান এলাকায় তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে জেএমবির জঙ্গিরা বোমা হামলা চালায়। এতে দুজন নিহত ও শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। এ ঘটনায় চকবাজার থানার এসআই জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটি চকবাজার থানা-পুলিশ তদন্ত করে। পরে তদন্তভার ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়। তদন্ত শেষে ডিবি দক্ষিণের পুলিশ পরিদর্শক শফিউদ্দিন শেখ ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ১০ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেন।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫