ঢাকাসহ আট বিভাগের দু–এক জায়গায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আজ রোববার সকালে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু–এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বা ঝোড়ো বাতাস কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সংস্থাটির তথ্যমতে, এই সময় সারা দেশেই দিনের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি কমতে পারে। দিনের তাপমাত্রার চেয়েও সামান্য কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা।
আগামী দুই দিনও ৮ বিভাগে এমন আবহাওয়াই বিরাজ করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামীকাল সোমবার সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা আরও কমবে এবং রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে। তবে, মঙ্গলবার আবার বাড়বে তাপমাত্রা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, গতকাল শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটিতে—৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত কয়েক দিনের তুলনায় কম।
আজ সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায়—১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈরী আবহাওয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় জীববৈচিত্র্যবিষয়ক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা, অগ্রাধিকার ও সুপারিশ অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন সংলাপের অংশগ্রহণকারীরা...
৫ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে
খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
২ দিন আগে
নির্মাণস্থল ঘিরে রাখা, মাটি-বালিসহ নির্মাণসামগ্রী ঢেকে সংরক্ষণ এবং পরিবহনের সময় যানবাহন আচ্ছাদিত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। নির্মাণসামগ্রী ও বর্জ্যবাহী যানবাহনের চাকা পরিষ্কার করে সড়কে চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক ও ফুটপাতে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রেখে জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি এবং ধুলাদূষণ ঘটানো থে
৩ দিন আগে