নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গত ৩১ মার্চ থেকে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা ৩৩ দিন দেশের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ চলমান রয়েছে। তবে এটি চলতি মাসের শুরুতেই শেষ হতে পারে। শুধু তাই নয়, মে মাসে এপ্রিলের মতো টানা তাপপ্রবাহ থাকবে না। তাপপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি ও তীব্র হলেও অতি তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এপ্রিলে গত ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়। চুয়াডাঙ্গা, খুলনা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পাবনা অঞ্চলে টানা ১৭ দিন তাপপ্রবাহ চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের যেসব অঙ্গরাজ্য রয়েছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ওডিশা ও আশপাশের কয়েকটি অঞ্চলে বাংলাদেশের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকে। তার প্রভাব পড়ে দেশের এই অঞ্চলগুলোতে।
আজ বৃহস্পতিবার মে মাসের আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান। এক মাস মেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে তিন থেকে চার দিন হালকা থেকে বজ্র ও শিলা বৃষ্টি এবং তীব্র থেকে মাঝারি কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। মে মাসে দেশের কোথাও কোথাও তীব্র, মাঝারি ও মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এই মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।
এই মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
এদিকে মে মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের হার ২৭৭ দশমিক ৩ মিলিমিটার। তবে গত এপ্রিল মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৮১ ভাগ কম বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকায় বৃষ্টি কম হয়েছে ৯১ শতাংশ। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে এপ্রিলে কোনো বৃষ্টিই হয়নি।

গত ৩১ মার্চ থেকে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা ৩৩ দিন দেশের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ চলমান রয়েছে। তবে এটি চলতি মাসের শুরুতেই শেষ হতে পারে। শুধু তাই নয়, মে মাসে এপ্রিলের মতো টানা তাপপ্রবাহ থাকবে না। তাপপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি ও তীব্র হলেও অতি তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এপ্রিলে গত ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়। চুয়াডাঙ্গা, খুলনা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পাবনা অঞ্চলে টানা ১৭ দিন তাপপ্রবাহ চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের যেসব অঙ্গরাজ্য রয়েছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ওডিশা ও আশপাশের কয়েকটি অঞ্চলে বাংলাদেশের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকে। তার প্রভাব পড়ে দেশের এই অঞ্চলগুলোতে।
আজ বৃহস্পতিবার মে মাসের আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান। এক মাস মেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে তিন থেকে চার দিন হালকা থেকে বজ্র ও শিলা বৃষ্টি এবং তীব্র থেকে মাঝারি কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। মে মাসে দেশের কোথাও কোথাও তীব্র, মাঝারি ও মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এই মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।
এই মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
এদিকে মে মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের হার ২৭৭ দশমিক ৩ মিলিমিটার। তবে গত এপ্রিল মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৮১ ভাগ কম বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকায় বৃষ্টি কম হয়েছে ৯১ শতাংশ। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে এপ্রিলে কোনো বৃষ্টিই হয়নি।

রাজধানী ঢাকার আকাশ আজ সোমবার সকাল থেকে রৌদ্রোজ্জ্বল। তাপমাত্রাও সামান্য বেড়েছে। গতকাল রোববার সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সেটি বেড়ে হয়েছে ১৫ দশমিক ৩।
২ ঘণ্টা আগে
পৌষ মাস বিদায় নিতে চলেছে। কয়েক দিন পরই শুরু হবে মাঘ মাস। কয়েক দিন ধরে দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়ছে। ৭ জানুয়ারি দেশের ৪৪টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় শৈত্যপ্রবাহ। তবে আজ রোববার ১৩টি জেলা রয়েছে শৈত্যপ্রবাহের কবলে। এর মধ্যে আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ে...
২০ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুর পর্যন্ত আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। একই সঙ্গে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
১ দিন আগে
শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এ কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকার বাতাসের মান ‘সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে থাকলেও বেলা ১২টায় দেখা যায়, বাতাসের মান ‘বিপজ্জনক’ অবস্থার কাছাকাছি রয়েছে।
২ দিন আগে