জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে বিশ্বে যে পরিমাণ বায়ুদূষণ হয় তার কারণে প্রতিবছর অন্তত ৫১ লাখ মানুষ মারা যায়। সম্প্রতি বায়ু দূষণের সঙ্গে মানুষের মৃত্যুর সম্পর্ক জানতে একটি বড় ধরনের গবেষণা চালানো হয়। সেই গবেষণার বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনে এ এ তথ্য জানিয়েছে।
গবেষণার নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, প্রখ্যাত পিয়ার রিভিউড জার্নাল দ্য বিএমজেতে। এই বিষয়ে এই গবেষণাটিই সবচেয়ে বড় আকারের। আগের গবেষণাগুলোতে ধারণা করা হয়েছিল, জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণে হয়তো এত বেশি মানুষের মৃত্যু হয় না। তবে এই গবেষণা সেই অনুমানকে ছাপিয়ে গেছে।
গবেষণাটি করেছেন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, স্পেন এবং সাইপ্রাসের গবেষকেরা। জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণের কারণে কি পরিমাণ মানুষের মৃত্যু হয় তা জানতে তাঁরা একটি নতুন মডেল ব্যবহার করেছেন ছিলেন। এবং একই সঙ্গে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে পরিষ্কার ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের ফলে মানুষের স্বাস্থ্যগত কী কী ফায়দা হবে সে বিষয়টিও তারা মূল্যায়ন করেছেন।
এই গবেষণা এমন এক সময়ে প্রকাশিত হলো যখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে পরিবেশ বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই সম্মেলন থেকেই ঘোষণা আসতে পারে ধাপে ধাপে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার।
গবেষণায় দেখা গেছে যে, জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে পরিষ্কার ও পুনর্নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করলে বায়ুদূষণের কারণে পরিমাণ মানুষ মারা যায় তাদের জীবন বেঁচে যেত এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কমাতেও সাহায্য করবে। বিএমজেতে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়েছে শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন খাতে যে পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হয় এবং তা থেকে যে বায়ুদূষণ হয় তা বিশ্বব্যাপী বছরে ৫১ লাখ মানুষের প্রাণহানির জন্য দায়ী। অথচ চাইলেই এই মৃত্যু এড়ানো যায়।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণের কারণে যে পরিমাণ মানুষের মধ্যে হয় তার মধ্যে ৬১ শতাংশই মারা যায় জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সৃষ্ট বায়ুদূষণের কারণে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে আনুমানিক এই পরিমাণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি উল্লেখ করে গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘আমাদের প্রাপ্ত ফলাফল পরামর্শ দেয় যে, বৈশ্বিক পর্যায়ে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বাতিল হলে মানুষ অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করবে। যা আগের তুলনায় অনেক বেশি।’
নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রাপ্ত এই তথ্যগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৫০ সালে মধ্যে জলবায়ুকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা জাতিসংঘ সমর্থন করছে তা এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া পরিচ্ছন্ন, পুনর্নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতেও বিষয়টি উৎসাহিত করবে।’

কর্কট ক্রান্তি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও পাবনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত। প্রতিবছরের এই সময় (এপ্রিল-মে) মাসে উত্তর গোলার্ধের এই অঞ্চলে সূর্য কিরণ বেশ কাছ থেকে এসে পড়ে। এর উত্তাপও বেশি থাকে। ফলে এসব অঞ্চলে তাপপ্রবাহ বয়ে যায়।
৭ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে না হলেও বিভিন্ন স্থানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন। এই অবস্থায় আগামী পাঁচ দিনের জন্য পূর্বাভাসে কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তাপমাত্রা খুব একটা না কমলেও কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চলের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আজও বৃষ্টির কোনো বার্তা নেই। এতে বলা হয়েছে, আজ বেলা ১টা পর্যন্ত এসব এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা ও প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
১ দিন আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্ট অংশ এবং খুলনা বিভাগসহ ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, দিনাজপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
২ দিন আগে