জাপানের ইয়ামাহা মোটর কোম্পানি নৌযানের প্লাস্টিক ব্যবহার করা হতো এমন কোনো কোনো অংশে কাঠ থেকে পাওয়া সেলুলোজ ন্যানোফাইবারের (সিএনএফ) ব্যবহার শুরু করেছে। কার্বনমুক্তকরণ বা নিঃসারণ কমানোর চেষ্টার অংশ হিসেবে এটা করছে তারা।
ইয়ামাহা মোটর কোম্পানি গত ২৫ আগস্ট থেকে উত্তর আমেরিকায় পণ্যটি বিক্রি শুরু করে। কোম্পানির মতে, ইস্পাতের চেয়ে পাঁচগুণ শক্তিশালী সিএনএফ। এটি জাপানে উৎপাদিত একটি পরবর্তী প্রজন্মের উপাদান। এখন যেহেতু এটি প্রথমবারের মতো পরিবহন সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তাই এটি বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করছে। কারণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানিগুলো কার্বন নিঃসারণ কমানোর চেষ্টায় আছে। এসব তথ্য জানা যায় জাপানের সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে।
‘ল্যান্ড অব উড’ বা ‘কাঠের ভূমি’ হিসেবে জাপানের বিশেষ অবস্থানের সুযোগটাকে সিএনএফের পণ্য বাজারে আনতে কাজে লাগায় ইয়ামাহা।
কাঠের মণ্ডকে খুব সূক্ষ্ম স্তরে ভেঙে সিএনএফ তৈরি করা হয়। বর্তমানে জাপানজুড়ে ২৬টি কারখানা এই পণ্য তৈরি করছে। যদিও এর উচ্চ পরিবেশগত অভিযোজন যোগ্যতা আছে, এটির উৎপাদন ব্যয়বহুল। নিউ এনার্জি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের মতে, সিএনএফ ছাড়া সেলুলোজের বিভিন্ন উপকরণ বিশ্বের ১৫টিরও বেশি দেশে তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো প্লাস্টিকের অংশগুলোতে যে শক্তি, তাপ প্রতিরোধসহ অন্যান্য কর্মক্ষমতা প্রয়োজন হয়, তা প্রদান করতে সক্ষম। বিশ্বব্যাপী কার্বনমুক্তকরণ বা নিঃসারণ কমানোর যে চেষ্টা চলছে, এখন তাতে পুনর্নবায়নযোগ্য ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণকারী গাছগুলো কার্বনসমৃদ্ধ প্লাস্টিককে প্রতিস্থাপন করতে সাহায্য করতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশে ক্রমশই কমছে বন্য হাতির সংখ্যা, অন্যদিকে বাড়ছে মানুষ-হাতি সংঘাত। আবাসস্থল দখল ও ধ্বংস, বন উজাড়, অবৈধ শিকার ও বন্যপ্রাণী অপরাধের কারণে অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে দেশের হাতি।
১ দিন আগে
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
১ দিন আগে
মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
১ দিন আগে