
সোশ্যাল মিডিয়ায় গীতিকবি ও অভিনেতা মারজুক রাসেলের নামে ভুয়া আইডি ও পেজের ছড়াছড়ি। বিভিন্ন ইস্যুতে সেই আইডি ও পেজ থেকে পোস্ট করা হয়। নেটিজেনরাও বিভ্রান্ত হন কোনটা মারজুকের আসল আইডি আর কোনটা ফেক তা নিয়ে। কয়েকবার ভক্ত ও অনুসারীদের এসব ভুয়া পেজ থেকে সাবধান থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন মারজুক রাসেল। তবে থেমে নেই সেসব ভুয়া পেজের কার্যক্রম। সম্প্রতি তা আরও বেড়েছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় মারজুকের ভুয়া পেজগুলো থেকে নানা রকম পোস্ট করা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। এ নিয়ে বিব্রত মারজুক। ভুয়া পেজগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে রোববার তাই ডিবি অফিসে যান তিনি।
ডিবি অফিস থেকে বেরিয়ে মারজুক রাসেল বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ করছি, আমার ছবি ও নাম ব্যবহার করে সো কল্ড ফ্যান পেজ, এই পেজ, সেই পেজ অনেক গজায় উঠছে। বিভিন্ন রকম উসকানিমূলক পোস্ট সেখান থেকে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে নানা রকম সরকারবিরোধী পোস্ট, সরকারপ্রধানদের হেয় করে পোস্ট করা হচ্ছে। সম্প্রতি যে আন্দোলন হয়ে গেল, এটাকে ঘিরে নানান রকম উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ইস্যুকে অস্থিতিশীল করে তুলতে যে ধরনের লেখা লিখতে হয় সেভাবে লেখাও হচ্ছে। অথচ, এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এই কারণে আমি বিব্রত হচ্ছি। যারা আমাকে ভালো করে চেনে, বিশেষ করে আমার অ্যাকটিভিটিস, লেখালেখি, অভিনয়, আমার জীবন যাপনের ধরন সম্পর্কে ডিটেইলে জানে, তারা ছাড়া অধিকাংশই কনফিউজ হচ্ছে। তারা মনে করছে এটা আমার পেজ। সবাই তো আমার লেখা, জীবন যাপন সম্পর্কে জানবে না। কারণ, গত ১৫-২০ বছরে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের অনেকেই আমাদের জেনারেশনের সম্পর্কে অনেক কিছু জানে না।’
ভুয়া পেজগুলো যাঁরা চালাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যই ডিবি অফিসে গিয়েছেন বলে জানিয়ছেন মারজুক। তিনি বলেন, ‘দেশ-বিদেশের এত মানুষ কনফিউজ হচ্ছে, তাই আমাকে ডিবি অফিসে আসতে হয়েছে। এগুলো কারা করছে তা আমি জানি না। যারা এইসব করছে, তাদের বিরুদ্ধে কীভাবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে ব্যাপারে কথা বলতে ডিবি অফিসে এসেছি।’
নিজের একটাই পেজ আছে জানিয়ে মারজুক বলেন, ‘আমার একটাই পেজ। সেখানে আমার অ্যাক্টিভিটি মাঝে মাঝে জানাই। আমার খাবারদাবার সংক্রান্ত, আমার কাজ, বিশেষ করে আমার লেখা কবিতা ভিডিও করে দিই। বাংলা ভাষাভাষীর যাঁরা আমার ফ্যান ফলোয়ার আছেন, তাঁদের বলতে চাই ভুয়া পেজগুলোর পোস্টে কনফিউজ হবেন না।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় গীতিকবি ও অভিনেতা মারজুক রাসেলের নামে ভুয়া আইডি ও পেজের ছড়াছড়ি। বিভিন্ন ইস্যুতে সেই আইডি ও পেজ থেকে পোস্ট করা হয়। নেটিজেনরাও বিভ্রান্ত হন কোনটা মারজুকের আসল আইডি আর কোনটা ফেক তা নিয়ে। কয়েকবার ভক্ত ও অনুসারীদের এসব ভুয়া পেজ থেকে সাবধান থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন মারজুক রাসেল। তবে থেমে নেই সেসব ভুয়া পেজের কার্যক্রম। সম্প্রতি তা আরও বেড়েছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় মারজুকের ভুয়া পেজগুলো থেকে নানা রকম পোস্ট করা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। এ নিয়ে বিব্রত মারজুক। ভুয়া পেজগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে রোববার তাই ডিবি অফিসে যান তিনি।
ডিবি অফিস থেকে বেরিয়ে মারজুক রাসেল বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ করছি, আমার ছবি ও নাম ব্যবহার করে সো কল্ড ফ্যান পেজ, এই পেজ, সেই পেজ অনেক গজায় উঠছে। বিভিন্ন রকম উসকানিমূলক পোস্ট সেখান থেকে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে নানা রকম সরকারবিরোধী পোস্ট, সরকারপ্রধানদের হেয় করে পোস্ট করা হচ্ছে। সম্প্রতি যে আন্দোলন হয়ে গেল, এটাকে ঘিরে নানান রকম উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ইস্যুকে অস্থিতিশীল করে তুলতে যে ধরনের লেখা লিখতে হয় সেভাবে লেখাও হচ্ছে। অথচ, এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এই কারণে আমি বিব্রত হচ্ছি। যারা আমাকে ভালো করে চেনে, বিশেষ করে আমার অ্যাকটিভিটিস, লেখালেখি, অভিনয়, আমার জীবন যাপনের ধরন সম্পর্কে ডিটেইলে জানে, তারা ছাড়া অধিকাংশই কনফিউজ হচ্ছে। তারা মনে করছে এটা আমার পেজ। সবাই তো আমার লেখা, জীবন যাপন সম্পর্কে জানবে না। কারণ, গত ১৫-২০ বছরে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের অনেকেই আমাদের জেনারেশনের সম্পর্কে অনেক কিছু জানে না।’
ভুয়া পেজগুলো যাঁরা চালাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যই ডিবি অফিসে গিয়েছেন বলে জানিয়ছেন মারজুক। তিনি বলেন, ‘দেশ-বিদেশের এত মানুষ কনফিউজ হচ্ছে, তাই আমাকে ডিবি অফিসে আসতে হয়েছে। এগুলো কারা করছে তা আমি জানি না। যারা এইসব করছে, তাদের বিরুদ্ধে কীভাবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে ব্যাপারে কথা বলতে ডিবি অফিসে এসেছি।’
নিজের একটাই পেজ আছে জানিয়ে মারজুক বলেন, ‘আমার একটাই পেজ। সেখানে আমার অ্যাক্টিভিটি মাঝে মাঝে জানাই। আমার খাবারদাবার সংক্রান্ত, আমার কাজ, বিশেষ করে আমার লেখা কবিতা ভিডিও করে দিই। বাংলা ভাষাভাষীর যাঁরা আমার ফ্যান ফলোয়ার আছেন, তাঁদের বলতে চাই ভুয়া পেজগুলোর পোস্টে কনফিউজ হবেন না।’

পোশাকশিল্পের ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো সিনেমা। নাম কাট-পিস। বানিয়েছেন ইফফাত জাহান মম। সিনেমার কেন্দ্রীয় দুই চরিত্র তাজ ও মালার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিফাত আমিন শুভ ও রাফাহ নানজীবা তোরসা। গত সোমবার এফডিসিতে এক অনুষ্ঠানে ফার্স্ট লুক টিজার প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয় কাট-পিস সিনেমার
৩১ মিনিট আগে
একসময় চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করতেন ডলি জহুর। মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে যাঁরা জনপ্রিয়তা পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ডলি জহুর। একাধিকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অনেকটা অভিমান থেকেই ২০১১ সালে সরে আসেন সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি থেকে। নাটকে নিয়মিত অভিনয় করলেও সিনেমা থেকে ছিলেন দূরে। সিনেমায় আর কাজ
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘প্রথম ভোট’। ভোট দানে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে তৈরি হচ্ছে অনুষ্ঠানটি। ফেরদৌসী আহমেদ চৌধুরীর উপস্থাপনায় এবং ইয়াসির আরাফাতের প্রযোজনায় অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার রাত ১০টায়। ১৩ জানুয়ারি
১ ঘণ্টা আগে
নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘অ্যাডোলেসেন্স’ গত বছর হইচই ফেলে দিয়েছিল বিশ্বজুড়ে। ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলপড়ুয়ার হাতে তার সহপাঠী খুন হওয়ার গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিরিজটি। তবে অ্যাডোলেসেন্সের উদ্দেশ্য ছিল, এই সময়ের কিশোরদের মনস্তত্ত্বের অনুসন্ধান। এই ব্রিটিশ সিরিজ সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, কত নীরবে কত ভয়ংকর
১ ঘণ্টা আগে