
গত ২২ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় প্রভাস অভিনীত সিনেমা ‘সালার পার্ট ১: সিজফায়ার’। আর তারপর থেকে বক্স অফিসে ঝড় যেন থামছেই না। প্রতিদিনই সিনেমাটি গড়ছে নতুন নতুন রেকর্ড।
বাণিজ্য বিশ্লেষক মনোবল বিজয়বালান এক টুইটে জানিয়েছেন, ‘সালার’ ইতিমধ্যে রজনীকান্তের ‘জেলার’, সহ এসএস রাজামৌলির ‘আরআরআর’ এবং প্রভাসের ‘বাহুবলি ২’ এর সঙ্গে ৬৫০ কোটির ক্লাবে যুক্ত হয়েছে। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় ৬৫০ কোটি রুপি পেরিয়েছে।
তাঁর পোস্ট অনুযায়ী, মুক্তির ১৩ তম দিনে বিশ্বব্যাপী বক্স অফিস থেকে প্রভাসের ‘সালার’ আয় করেছে ৬৫০ কোটি রুপির বেশি। ৬৫০ কোটির বেশি আয় করা দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমাগুলো হলো— ‘সালার পার্ট ১’, ‘বাহুবলি’, ‘জেলার’, ‘কেজিএফ: চ্যাপটার ২’, ‘আরআরআর’, ‘বাহুবলি ২’।
তিনি এদিন একই সঙ্গে আরও জানান, সালার প্রথম দিন ১৭৬ কোটি ৫২ লাখ রুপি, দ্বিতীয় দিনে ১০১ কোটি ৪৯ লাখ, তৃতীয় এবং চতুর্থ দিন ৯৫ কোটি ২৪ লাখ রুপি এবং ৭৬ কোটি ৯১ লাখ রুপি আয় করেছে যথাক্রমে। পঞ্চম দিন ৪০ কোটি ১৭ লাখ, ষষ্ঠ দিনে ৩১ কোটি ৬২ লাখ, সপ্তমদিনে ২০ কোটি ৭৮ লাখ রুপি আয় করেছে। ১৪ কোটি ২১ লাখ রুপি আয় করে অষ্টম দিনে, নবম এবং দশম দিনে যথাক্রমে ২১ কোটি ৪৫ লাখ এবং ২৩ কোটি ০৯ লাখ রুপি আয় করেছে। এগারোতম দিনে ২৫ কোটি ৮১ লাখ এবং বারোতম দিনে ১২ কোটি ১৫ লাখ রুপি আয় করেছে। তেরো নম্বর দিনে এটি আয় করে ১১ কোটি ০৭ লাখ রুপি। ফলে সালার মোট আয় করেছে ৬৫৯ কোটি ৪১ লাখ রুপি।
মনোবল গতকাল বুধবার আরও এক টুইটে জানান, ইতিহাসে সব থেকে বেশি আয় করা তেলুগু সিনেমার তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ‘সালার’। এর আগে রয়েছে ‘বাহুবলি ২’ এবং ‘আরআরআর’।
উল্লেখ্য, ‘সালার’ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন প্রশান্ত নীল। প্রভাস ছাড়াও সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন—পৃথ্বীরাজ সুকুমারন, শ্রুতি হাসান, জগপতি বাবু, ববি সিনহা, প্রমুখ।

গত ২২ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় প্রভাস অভিনীত সিনেমা ‘সালার পার্ট ১: সিজফায়ার’। আর তারপর থেকে বক্স অফিসে ঝড় যেন থামছেই না। প্রতিদিনই সিনেমাটি গড়ছে নতুন নতুন রেকর্ড।
বাণিজ্য বিশ্লেষক মনোবল বিজয়বালান এক টুইটে জানিয়েছেন, ‘সালার’ ইতিমধ্যে রজনীকান্তের ‘জেলার’, সহ এসএস রাজামৌলির ‘আরআরআর’ এবং প্রভাসের ‘বাহুবলি ২’ এর সঙ্গে ৬৫০ কোটির ক্লাবে যুক্ত হয়েছে। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় ৬৫০ কোটি রুপি পেরিয়েছে।
তাঁর পোস্ট অনুযায়ী, মুক্তির ১৩ তম দিনে বিশ্বব্যাপী বক্স অফিস থেকে প্রভাসের ‘সালার’ আয় করেছে ৬৫০ কোটি রুপির বেশি। ৬৫০ কোটির বেশি আয় করা দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমাগুলো হলো— ‘সালার পার্ট ১’, ‘বাহুবলি’, ‘জেলার’, ‘কেজিএফ: চ্যাপটার ২’, ‘আরআরআর’, ‘বাহুবলি ২’।
তিনি এদিন একই সঙ্গে আরও জানান, সালার প্রথম দিন ১৭৬ কোটি ৫২ লাখ রুপি, দ্বিতীয় দিনে ১০১ কোটি ৪৯ লাখ, তৃতীয় এবং চতুর্থ দিন ৯৫ কোটি ২৪ লাখ রুপি এবং ৭৬ কোটি ৯১ লাখ রুপি আয় করেছে যথাক্রমে। পঞ্চম দিন ৪০ কোটি ১৭ লাখ, ষষ্ঠ দিনে ৩১ কোটি ৬২ লাখ, সপ্তমদিনে ২০ কোটি ৭৮ লাখ রুপি আয় করেছে। ১৪ কোটি ২১ লাখ রুপি আয় করে অষ্টম দিনে, নবম এবং দশম দিনে যথাক্রমে ২১ কোটি ৪৫ লাখ এবং ২৩ কোটি ০৯ লাখ রুপি আয় করেছে। এগারোতম দিনে ২৫ কোটি ৮১ লাখ এবং বারোতম দিনে ১২ কোটি ১৫ লাখ রুপি আয় করেছে। তেরো নম্বর দিনে এটি আয় করে ১১ কোটি ০৭ লাখ রুপি। ফলে সালার মোট আয় করেছে ৬৫৯ কোটি ৪১ লাখ রুপি।
মনোবল গতকাল বুধবার আরও এক টুইটে জানান, ইতিহাসে সব থেকে বেশি আয় করা তেলুগু সিনেমার তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ‘সালার’। এর আগে রয়েছে ‘বাহুবলি ২’ এবং ‘আরআরআর’।
উল্লেখ্য, ‘সালার’ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন প্রশান্ত নীল। প্রভাস ছাড়াও সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন—পৃথ্বীরাজ সুকুমারন, শ্রুতি হাসান, জগপতি বাবু, ববি সিনহা, প্রমুখ।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৭ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৭ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৭ ঘণ্টা আগে