নতুন বছরের শুরুতেই পরপর দুটি গান প্রকাশিত হলো আসিফ আকবরের। একটি গানের শিরোনাম ‘মন জানে’, অন্যটি ‘আয় ফিরে আয়’। দুটি গানেই ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন আসিফ।
গতকাল প্রকাশিত হলো আসিফ আকবরের নতুন গান আয় ফিরে আয়। গানটিতে নতুন রূপে পাওয়া গেল আসিফকে। গানের ভিডিওতে দেখা গেল, একটি ব্যান্ড সেটআপ নিয়ে গাইছেন তিনি। রক ও মেটালের ফিউশন পাওয়া যাচ্ছে মিউজিকে। গানটির মিউজিক কম্পোজিশন করেছেন রাজিব মোনা। ‘দুচোখ ঢেকেছে কুয়াশা, মন তবু বাঁধে আশা’ এমন কথায় গানটি লিখেছেন জয় চক্রবর্তী। গানটি প্রকাশিত হয়েছে স্প্লেনডিড অডিও নামের ইউটিউব চ্যানেলে।
অন্যদিকে ৫ জানুয়ারি ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হলো আসিফের নতুন গান মন জানে। গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। গানের কথা লিখেছেন স্নেহাশীষ ঘোষ। গল্পনির্ভর একটি ভিডিও করা হয়েছে গানটির। ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন সৈকত রেজা। মডেল হয়েছেন সজীব, মহতারাম ও জিম। গানটি নিয়ে ইমরান বলেন, ‘ছেলেবেলা থেকে আসিফ ভাইয়ের গান শুনে বড় হয়েছি। আমাদের কাছে তখন গান মানেই ছিল আসিফ ভাই। আসিফ ভাইয়ের জন্য গান করতে গেলেই মনের ভেতর অন্য রকম এক অনুভূতি কাজ করে। আসিফ ভাইয়ের শ্রোতারা যে ধরনের গান পছন্দ করেন, সেভাবেই গানটি করা হয়েছে। আশা করছি সবার পছন্দ হবে।’ এর আগে ইমরানের সুর ও সংগীতে ‘এত কেন ভালোবাসি’ শিরোনামের একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন আসিফ। সেই গানটিও ছিল স্নেহাশীষের লেখা।
নতুন গান নিয়ে আসিফ বলেন, ‘দুটি গানেই নতুনত্ব পাবেন দর্শক-শ্রোতা। গান দুটি প্রকাশিত হয়েছে ইংরেজি নতুন বছর উপলক্ষে। ফিরে আয় গানটি ব্যান্ডের আমেজে করা। গানটির কম্পোজিশন করেছেন রাজিব। মন জানে গানটি করেছে ইমরান মাহমুদুল। তার সঙ্গে আগেও একটি গান করেছি। ইমরান মাহমুদুল এ প্রজন্মের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী-কম্পোজার। বাস্তববাদী পেশাদার মানসিকতা ধারণ করে সে। আমাদের দুজনকে দিয়ে গানটি করানোর মূল উদ্যোক্তা স্নেহাশীষ। তার কারণেই এত সুন্দর একটা গানের জন্ম হলো। আশা করছি দুটি গানই শ্রোতাদের মন জয় করবে।’

প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, অর্থ আত্মসাৎ ও কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মিউজিক পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান পি টিউনের স্বত্বাধিকারী পরাগ কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন গীতিকার, প্রযোজক, প্রকাশক ও বিডি ২৯ মাল্টিমিডিয়ার স্বত্বাধিকারী জসিম উদ্দিন আকাশ।
৫ ঘণ্টা আগে
বাইকের চেয়ে বরাবরই চার চাকা চালাতে বেশি পছন্দ করতেন উত্তমকুমার। কোনো সিনেমার দৃশ্যে গাড়ি চালানোর শট থাকলে খুবই খুশি হতেন। শোনা যায়, ‘সপ্তপদী’ সিনেমার ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ গানের দৃশ্যে বাইকের বদলে নাকি গাড়িতে চেপেই শুটিং করতে চেয়েছিলেন তিনি!
১৫ ঘণ্টা আগে
ভবানীপুরের মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। ছোটবেলায় থিয়েটার দেখে অভিনয়ের প্রতি ভালো লাগা, লুকিয়ে রিহার্সাল দেখা, পরে যুক্ত হয়ে যাওয়া পাড়া আর স্কুলের নাটকের সঙ্গে এবং এভাবে অভিনয়ের প্রেমে বিভোর হয়ে যাওয়া সেই ছিপছিপে গড়নের ছেলেটি নেহাতই ঝোঁকের মাথায় ঢুকে পড়েছিলেন চলচ্চিত্রে।
১৭ ঘণ্টা আগে
তত দিনে উত্তমকুমার বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একচ্ছত্র নায়ক। যে সিনেমাই মুক্তি পাচ্ছে, ঢেউয়ের মতো দর্শকেরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে প্রেক্ষাগৃহে। সেই আবহে ১৯৫৬ সালে এল দেবকী বসু পরিচালিত ‘নবজন্ম’। এতে নতুন চমক নিয়ে এলেন মহানায়ক। সেই প্রথম দেখা গেল, সাতটি বৈষ্ণব পদাবলি নচিকেতা ঘোষের সুরে নিজেই গেয়েছেন উত্তম। গানগুলো ভা
১৮ ঘণ্টা আগে